Category: মুসলিম ইতিহাস

ওয়ালিদ ইবনে উকবা এর বিরুদ্ধে অভিযোগ

হযরত ওয়ালিদ ইবনে উকবা রা. ছিলেন বনু উমাইয়া পরিবারের একজন বীর সন্তান। তিনি ছিলেন রাসূলের সাহচর্য পাওয়া একজন সাহাবী। ওয়ালিদ রা. হযরত আবু বকর রা. ও উমর রা. এর গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসক ছিলেন। তাদের নিকট তিনি ছিলেন একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি। ১২ হিজরীতে পারস্য বিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে খলিফা আবু বকর রা. ও সেনাপ্রধান খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

উসমান রা. এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র – মুসলিম উম্মাহর বিজয়যাত্রা ও গৌরবময় ক্রমবিকাশ হযরত আবু বকর রা. ও হযরত উমর রা. এর যুগ থেকে শুরু করে ‍উসমান রা. এর শাসনকালের ১১ তম বছর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এই সময়টা ছিল শান্তি ও নিরাপত্তার। সেই সাথে বিজয়যাত্রাও ছিল অব্যাহত। হযরত উসমান রা. একজন শ্রেষ্ঠ শাসকের ভূমিকা পালন করে

পড়ুন বিস্তারিত»

সাহাবীদের খোরাসান বিজয়

সাহাবীদের খোরাসান বিজয় – হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমের রা. সারখাস এলাকাকে শক্তিমক্তার মাধ্যমে এবং তুস শহরকে সন্ধির মাধ্যমে জয় করেন। এরপর হেরাত ও বাগদিস এলাকাও নত হতে বাধ্য হয়। মার্ভের অগ্নিপূজক শাসক বার্ষিক ২২ লক্ষ দিরহাম (৯৭ কোটি ২ লক্ষ টাকা প্রায়) জিযিয়া প্রদানের শর্তে সন্ধি করে। এরপর হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমের রা. বিখ্যাত তাবেয়ী

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পরিকল্পনা

আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রা. রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পরিকল্পনা থাকেন। যেহেতু কনস্টান্টিনোপল জিহাদে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদের জন্য হাদীসে ক্ষমা ও জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে, তাই সাহাবারা তা জয় করাটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন। হযরত মুয়াবিয়া রা. পূর্বেই কনস্টান্টিনোপল উপকূল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেছেন। সমস্যাটা হলো, শহরের তিনদিকেই হলো সমুদ্র। ভৌগলিকভাবে শহরটিতে এই দিক থেকে আক্রমণ করা

পড়ুন বিস্তারিত»

মাস্তুল যুদ্ধ যাতুস সাওয়ারা

মাস্তুল যুদ্ধ ছিল হযরত উসমান রা. এর শাসনকালে সবচেয়ে বড় বিপজ্জনক যুদ্ধ। এটি ৩৪ হিজরীতে সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের সৈন্যরা জাহাজের মাস্তুল বেঁধে যুদ্ধ করেছে বিধায় এটাকে জাতুস সাওয়ারা বা মাস্তুল যুদ্ধ বলা হয়। রোম সম্রাট যখন দেখতে পায়, মুসলমানরা কনস্টান্টিনোপলের প্রাচীরের নিকট চলে আসছে এবং সমুদ্র যুদ্ধে কুবরুসবাসীর উপর বিজয়লাভ করেছে, তখন সে

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর সমুদ্র অভিযান

উসমান রা. এর সমুদ্র অভিযান – হযরত মুআবিয়া রা. এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সারাহ রা. একটি নতুন উদ্যোগ নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করলেন। রোমানদের সাথে এই যুদ্ধে কোনো না কোনোভাবে ইউরোপের হাত ছিল। সে সময় রোম উপসাগরে বাইজেন্টাইনদের পদচারণা মুসলমানদের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই উক্ত সাহাবীদ্বয় একটি নৌবাহিনী গঠনের উদ্যোগ নিলেন। তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর আফ্রিকা অভিযান

উসমান রা. এর আফ্রিকা অভিযান – মিশর সীমান্তের সাথে সংযুক্ত উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ ভূমি তৎকালীন সময়ে রোমান শাসক জুরজিরের নিয়ন্ত্রণে ছিল। প্রথম দিকে সে রোমান সম্রাটের অধীনস্থ গভর্নর ছিলেন। কিন্তু এশিয়া থেকে রোমানদের নিয়ন্ত্রণ বিলুপ্ত হওয়ার পর তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে দেন। তার রাজ্য মিশর সীমান্ত থেকে নিয়ে মরক্কো পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে এখানে তিউনিশিয়া,

পড়ুন বিস্তারিত»

আন্দালুস স্বর্ণযুগ ও পতন

আন্দালুস স্বর্ণযুগ ও পতন – খেলাফতে রাশেদার পরে উমাইয়া খেলাফত ছিল ইসলাম বিজয়ের স্বর্ণযুগ। দিকে দিকে ইসলামের শাশ্বত বাণী ছড়িয়ে পড়েছিল উমাইয়াদের মাধ্যমে। সময়টা ছিল ৯২ হিজরী এবং তখন খলিফা ছিলেন উমাইয়া খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক রহ.। তিনি ৮৬ থেকে ৯৬ হিজরী পর্যন্ত (৭০৫-৭১৫ খৃস্টাব্দ) শাসনক্ষমতায় ছিলেন। উমাইয়া শাসকবৃন্দ একইসঙ্গে আরবের চতুর্দিকে ইসলামের বিজয়াভিযান

পড়ুন বিস্তারিত»

রোমানদের বিরুদ্ধে উসমান রা. এর অভিযান

রোমানদের বিরুদ্ধে উসমান রা. – হযরত উমর রা. এর মৃত্যুর মাধ্যমে জিহাদের পতাকা অস্তমিত হয় নি। পূর্বের মতোই তা বহাল তবিয়তে চলতে থাকে। সে সময় কুফার সেনাছাউনিতে সবসময় ৪০ হাজার মুজাহিদ প্রস্তুত থাকতো। যাদের মধ্যে প্রতি বছর ১০ হাজার মুজাহিদ সীমান্তে নিয়োজিত থাকতো। তাদের মধ্যে ৬ হাজার আজারবাইজানে আর ৪ হাজার রায় শহরে অবস্থান করতো।

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর খুতবা

উসমান রা. এর খুতবা – খলিফা হওয়ার পর হজরত উসমান রা. মুসলমানদের সম্মুখে সর্বপ্রথম প্রদত্ত খুতবায় বলেন, ‘লোকসকল, তোমরা একটি অস্থায়ী ঘরে আছো। জীবনের অবশিষ্ট দিনগুলো তোমরা পূরণ করছো। মৃত্যুর পূর্বেই নেক কাজ করে নাও। সকাল-সন্ধ্যা যেকোনো সময় মৃত্যু চলে আসতে পারে। সাবধান! দুনিয়ার জীবন পুরোটাই ধোঁকা। লক্ষ রেখ, যেন তোমরা কোথাও ধোঁকা না খাও।

পড়ুন বিস্তারিত»

হরমুজানের হত্যা

হরমুজানের হত্যা – উসমান রা. খেলাফতলাভের সময়ে মুসলমানদের অবস্থা ভালো পর্যায়ে ছিল। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে উসমান রা. এর কোনো রকম পেরেশানিতে পড়ার কথা ছিল না। কিন্তু তখন উসমান রা. কে কিছু চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। যার মাধ্যমে অনুমান করা যায় যে, ইসলামের শত্রুরা তখন লুকিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মদীনায় আকস্মিক আক্রমণে আমিরুল মুমিনীন হযরত

পড়ুন বিস্তারিত»

খলিফা হিসেবে উসমান রা.

খলিফা হিসেবে উসমান রা. নির্বচিত হন দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর রা. এর শহীদ হওয়ার পর। হযরত উমর রা. আততায়ীর হাতে আহত হলে তিনি মজলিসে শুরা গঠন করে তাদেরকে পরবর্তী খলিফা নির্বাচনের দায়িত্ব দেন। উক্ত কমিটিতে ছিলেন হযরত উসমান, আলী, আব্দুর রহমান বিন আউফ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, তালহা ও যুবাইর বিন আওয়াম রা.। পরবর্তীতে সাহাবীদের

পড়ুন বিস্তারিত»

লেখা বিষয়ক কোনো পরামর্শ থাকলে যোগাযোগ

Email:    admin@arhasan.com

আমাদের প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য। আমরা তার নিকটই ফিরে যাব

Scroll to Top