আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
সাবায়ী ফেতনা ও বিরুদ্ধাচরণ
হযরত উসমান রা. এর খেলাফতের শেষ ছয় বছরের দিকে সাবায়ী ফেতনা তথা আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার ফেতনা ভালোভাবেই শেকড় গেড়েছিল। ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করা এবং গৃহযুদ্ধ উসকে দেয়াই ছিল তাদের টার্গেট। হযরত উসমান রা. এর গুরুত্বপূর্ণ গভর্নরদের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের ব্যাপারে মিথ্যা অভিযোগ তুলতে লাগলো। তারা প্রথমে এই কথা উঠালো
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে
ফেমিনিজম কি
নারীবাদ বা ফেমিনিজম কি এটি নিয়ে আমাদের মুসলিম সমাজে অনেকটা সংশয় এবং খাপছাড়া মনোভাব আছে। কেউ মনে করেন, পশ্চিমা নারীবাদ বা ফেমিনিজম যদিও ইসলাম সমর্থন করে না, এরপরও এটাকে যদি ইসলামের ধারাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে আর মন্দ কি! বর্তমান সমাজে এই নারীবাদ বা ফেমিনিজম এতটাই মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে,
রোড এক্সিডেন্ট
পত্রিকার পাতা খুললেই প্রথমে চোখে পড়ে, অমুক জায়গায় রোড এক্সিডেন্ট ঘটেছে। ঝরে গেছে দুই তিনটি প্রাণ। মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে। স্ত্রী বিধবা হয়ে গেছে।সন্তানরা এতিম হয়ে গেছে। পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কেউ বা বুক ফেঁটে চিৎকার করে কাঁদছে। কেউ বা নিরবে অশ্রু ফেলছে। কিন্তু বাস্তবে একটি বাইক এসব
আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন
আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে।
ক্রিসমাস ডে কি
প্রতিবছরই ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ আসলে খৃস্টানরা বড়দিন বা ঈসা আ. এর জন্মদিন বলে উদযাপন করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ক্রিসমাস ডে কি বা বড়দিন আসলে কি? কোথা থেকেই বা এটির সূচনা ঘটলো? মরিয়মের পুত্র হযরত ঈসা আ. বা খৃস্টানদের নিকট যিনি যিশু হিসেবে পরিচিত, তিনি ছিলেন মহান আল্লাহর একজন মনোনীত
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার – ওয়ালটন দেশের নামকড়া একটি কোম্পানী। Walton এর ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ দেশজুড়ে বিখ্যাত। বছরখানেক আগে একটি ভিডিওতে ওয়ালটনের মালিককে দেখেছিলাম। পাঞ্জাবি, টুপি পরিহিত পাক্কা একজন হুজুর। বহু আগ থেকেই বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারের আড়ালে সমকামিতা প্রচার করছে ব্র্যাক, বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ও আরো কিছু প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গ। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফান্ড পেয়ে এই বিকৃত রুচির যৌনাচার এই দেশে প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করছে তারা। প্রতি ঈদে দেশের তরুণ সমাজকে
নারী নেতৃত্ব
অন্যান্য ধর্মের ও নারীবাদীদের খুবই পছন্দের একটি প্রসঙ্গ হলো নারী নেতৃত্ব । এজন্য কখনো কখনো মুসলমানরা যখন উক্ত ধর্মের ও চিন্তাধারার লোকদের সাথে মিলিত হয় তখন কথার জালে কিংবা আরো বিভিন্ন কার্যক্রমে তারা আস্তে আস্তে এই নারী নেতৃত্বকে পছন্দ করা শুরু করে। ইসলাম মানে যদিও আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ, কিন্তু এই মুসলিমরা একটা সময় মানসিক দাসত্ব ও শয়তানের দাসে পরিণত হয়। ইসলামের প্রথম দিকের সাহাবী, তাবেয়ী ও অন্যান্য ঈমামরা সুষ্পষ্টভাবে নারী
নারীবাদী তত্ত্ব থেকে নাস্তিক
নারীবাদীরা সর্বদা তাদের নারীবাদী তত্ত্ব থেকে ইসলামকে যাছাই করতে যায়। তখনই শুরু হয় বিরাট এক সমস্যা। ইসলামের সাথে নারীবাদের দ্বন্দ্ব বহু আগ থেকেই। কারণ, ইসলাম মানে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর নারীবাদ বলে ভোগবাদীর উপর আত্মসমর্পণ। এজন্য মুসলিম নারীবাদীরা একটা সময় ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে নাস্তিক হয়ে যায়। আর এই জিনিষটা একদিনে ঘটে না। পর্যায়ক্রমে এমনটা ঘটে। প্রথম ধাপ প্রথম প্রথম কিছুটা মনগড়া অভিযোগ ও কিছুটা ক্ষোভ দিয়ে তাদের বীজ বপন
গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব
গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব – হাসিনার পতনের পর সকলেই মহাখুশী। কেউ কেউ ভেবেছেন এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। কারো মতে এই ছিল ছাত্র-জনতার দ্রোহ। পূর্বে-পরে যাই হোক, এই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থারই আরেক রূপ। হাসিনা একটা সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিল। আগামীতে অন্য কোনো দল আসবে। তারাও এর কাছাকাছি স্বৈরাচার হবে। বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন একটা সময় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় রূপ নিতে বাধ্য। ফরাসি বিপ্লব থেকে ইংরেজ খেদাও আন্দোলন মুসলিম
সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প থাকছে
এনসিটিবি কর্তৃক জানানো হয়, নতুন কারিক্যুলামে সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প নামক সমকামিতা প্রচারকারী গল্পটি থাকছে। গত বছর থেকেই এই গল্পটি ও আরো কিছু লেখা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষিত মানুষেরা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ ও আলেমরা। বাদ যাচ্ছে শরীফার গল্প। এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হয় ১৭ মে ২০২৪ তারিখে। দেখুন নিচের বাটনগুলোতে। আমাদের মূল লেখাটিও রাখা হলো তাদের কর্মকাণ্ড বুঝার সুবিধার্থে কিন্তু তারা কারো কথা না শুনে একগুঁয়েমি করে
ওমর রাঃ এর অমূল্য কিছু বাণী
হযরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব রহ. বলেন, হযরত ওমর রাঃ এর অমূল্য ১৮টি বাণী রয়েছে। যেগুলো প্রতিটি নিয়ে আলাদা আলাদা গবেষণা করা যায়। বাণীগুলো যথাক্রমে, ০১। যে তোমার কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে আল্লাহর অবাধ্যতা করে, তোমার দেওয়া তার সবচেয়ে উত্তম শাস্তি হলো, ওই জিনিসের ক্ষেত্রে তার অবাধ্যতার সমপরিমাণ তুমি আল্লাহর আনুগত্য করবে। ০২। তুমি তোমার অপর ভাইয়ের যেকোনো বিষয় উত্তমভাবে সাজিয়ে রাখো, যদি না সে তোমাকে নিষেধ করে। ০৩। কোনো মুসলিম ভাই
ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয়
ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয় – কয়েক মাস ঘুরতে না ঘুরতেই হাজির হলো আবার ঈদ। ঈদ হলো, মুসলিমদের জন্য স্রষ্টা প্রদত্ত আনন্দের দিন। মাসখানেক আগেই আমাদের সামনে দিয়ে অতিবাহিত হয়েছিল ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই রমজানের পর আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছিলেন ঈদ। এখন আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি হলো কুরবানীর ঈদ। কুরবানী কেন ফরজ করা হয়েছে? মানুষ স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত। স্রষ্টা আমাদের যেই আদেশ করেছেন, সেটা পালন করা আমরা
পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম
পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম – মানুষ অনুকরণ ও অনুসরণ করতে পছন্দ করে। প্রাচীনকাল থেকেই এটি ঘটে আসছে। বনী ইসরাইলের বাছূর পূজার কথা নিশ্চয় মনে আছে। মুসা আ. যখন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কোন জিনিষ তোমাদের বাছুরের পূজা করতে উদ্বুদ্ধ করেলো? তখন তারা বললো, আমরা তো আমাদেরকে দেয়া সম্পদগুলো আগুনে নিক্ষেপ করি। তারপর পুড়ে যাওয়া সম্পদ দিয়ে সামেরি একটি বাছুর নির্মাণ করে। আর সেটা ডেকে উঠে। তাই ভাবলাম, সেটাই হয়তো আমাদের ইলাহ্।
আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী
আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا
কুরআন জীবন্ত মুজিজা
কুরআন জীবন্ত মুজিজা ও কিতাব । আল্লাহর কালাম । প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্যই আমাদের জন্য শিক্ষা। আমি শিক্ষা গ্রহণ করতে প্রস্তুত কি না, সেটা হলো বিষয়। কুরআন কারীম আমার জন্য হেদায়াতের পসরা সাজিয়ে রেখেছে। আমরা সাজিতে করে হেদায়াতের কিছু ফুল কুড়িয়ে নিতে পারি কি না দেখা যাক । (এক) আমি মানুষ । আমার চিন্তা ও ক্ষমতা সীমাবদ্ধ । কিন্তু আমি যার বান্দা তার ক্ষমতা অসীম । কল্পনাতীত। আমার দায়িত্ব যখন
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক হবে মুহাব্বাতের। মুহাব্বাত বা ভালোবাসা শুধু একতরফা নয়। এটি পরষ্পরের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা যারিয়াতের ৫৬ নং আয়াতে বলেন, وَ مَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَ الۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ আমি জ্বীনজাতি ও মানবজাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছি। আল্লাহ তো আপনাকে ইবাদাত করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি ইবাদাত কিভাবে করবেন? নিজের মনমতো? না। তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আল্লাহ তা’আলা সূরা ইমরানের ৩১ নং

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই