আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

নারী তুমি

নারী তুমি …. – নারীরা হলেন মায়ের জাতি। তারা সৃষ্টি না হলে এই পৃথিবী, আলো-বাতাস, পাহাড়-পর্বত কোনো কিছুই আমাদের দেখা হতো না। তাদের অবদান এবং তাদের দীর্ঘ নয় মাস কষ্টের ফলেই আমরা এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পেয়েছি। তারা হলেন সম্মানিত। তাদের সম্মান করা, তাদের মর্যাদা দেয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বীমা কাকে বলে ?

বীমা কাকে বলে – আমরা আজকাল কেমন যেন একটা অনিশ্চিয়তার মধ্যে জীবন পার করছি। নিজেকে নিজে বিশ্বাস করি না। সর্বদা আমাদের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে যে, আমার মৃত্যুর পর আমার সন্তানদের কি হবে? এই ভয়টা থেকেই আজকের বীমার উদ্ভাবন। বর্তমানে জীবন বীমা খুবই পরিচিত একটা বিষয়। এ ছাড়াও আরো

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক?

বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক? নারীদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা নিজেদের শরীর গায়রে মাহরামের নিকট হতে ঢেকে রাখ। এছাড়াও নারীদের পুরো শরীর সতরের অন্তর্ভূক্ত। তাই এখন তাদের শরীরের কতটুকু ঢাকা ওয়াজিব, এটি নিয়ে ফুকাহায়ে কেরামের মধ্যে মূলগত তেমন কোনো ইখতিলাফ নেই। কাজের সুবিধার্থে হাতের কব্জি পর্যন্ত ও চোখ খোলা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নিরপরাধ জনগণ

নিরপরাধ জনগণ – বেসামরিক/নিরপরাধ জনগণের মৌলিক সংজ্ঞা কি? এটা নির্ণয়ে ভাষাবিদরাও বোধ হয় অপারগ। রাষ্ট্রের জনগণ যখন সরকারকে পুরোপুরি সাপোর্ট করে সরকারি কর্মযজ্ঞে, দেশি-বিদেশি নীতিনির্ধারণে তখন কি জনগণ রাষ্ট্রের বিরোধী শক্তি? মনে হয় না। জনগণ সরকারপক্ষের পক্ষপাতিত্ব করে। এই সময় সরকারের সাথে কারও যদি সংঘাত হয় আর উক্ত সংঘাতের হাওয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শৈশবের ঈদ আনন্দ

শৈশবের ঈদ আনন্দ কেমন ছিল, তা এত বছর পর মনে করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন ছিল আমাদের সারা বছরের অপেক্ষা। সাধারণত ঈদুল ফিতর থেকে ঈদুল আযহা গ্রামে কাঁটিয়েছি সবচেয়ে বেশি। জিলহজ মাস আসার পূর্বেই আব্বু হজে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতেন। প্রায় ঈদের ১৫/২০ দিন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

হায়দ্রাবাদের নিজাম

হায়দ্রাবাদের নিজাম শাসন – ডেকান মালভূমিতে অবস্থিত ৮২,৬৯৮ বর্গমাইল এলাকা বিস্তৃত হায়দ্রাবাদের নিজাম কর্তৃক শাসিত স্বাধীন দেশীয় রাজ্য হলো হায়দ্রাবাদ। এর চারপাশেই হলো ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। উত্তরে মধ্যপ্রদেশ, দক্ষিণে কৃষ্ণা তুঙ্গভদ্রা নদী, পশ্চিমে আহমদ নগরসহ বম্বের জেলাসমূহ, পূর্বে মাদ্রাজের কৃষ্ণা জেলা। অতীতকালে হায়দ্রাবাদ এমন জীর্ণ-শীর্ণ ও পরনির্ভর ছিল না। দাক্ষিণাত্যের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা

বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় রবিবার পর্যন্ত আদালত স্থগিত করা হয়। যথারীতি রবিবারে আদালত বসে। এদিকে পূর্বেই চট্টগ্রাম আদালতে উগ্র হিন্দুদের আগমণের খবর পেয়ে অনেক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শ প্রবেশের চেষ্টা

বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শ প্রবেশের চেষ্টা – ট্রান্সজেন্ডার বা ইচ্ছানুপাতিক জেন্ডার পরিবর্তন। পূর্বে একটা সময় ছিল, যখন মানুষ বিভিন্ন ডাক্তারি থেরাপির মাধ্যমে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করে ছেলে থেকে মেয়ে বা মেয়ে থেকে ছেলে হতো। কিন্তু সমাজ এখন আরো আপডেট (!)। এখন আর চিকিৎসা লাগে না। কেউ যদি নিজেকে মেয়ে মনে করে বা ছেলে মনে করে তাহলেই সে মেয়ে বা ছেয়ে হয়ে যাবে। সামাজিক এমন অধঃপতন চিন্তাধারা এতদিন ইউরোপ-আমেরিকাতে ছিল। সেই চিন্তাধারা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয়

ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয় – আমাদের সমাজের চারপাশে যখন আইয়ামে জাহেলিয়াতের ন্যায় নিকৃষ্ট পাপাচার ছড়িয়ে পড়ছে, তখন আমাদের নিভুনিভু ইমানের কথা মনে করিয়ে দেয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মুয়াজ্জিনের আজান। আমরা সালাতের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাই। ইমামের পেছনে সালাত আদায় করি। মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন জুমুআর সময়ে ইমাম সাহেবের আলোচনা শুনি। যা তিনি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক উপস্থাপন করেন সাধারণ মানুষদের সামনে। ইমামরা হলেন সমাজের ধর্মীয় নেতা, আধ্যাত্মিক রাহবার। মানবজীবন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি

ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন

আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে। সে তার দলে পারসিকদের টানতে সক্ষম হয়। যে পারসিকরা ছিল মুসলমানদের চরম শত্রু। তার কাছে পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশসমূহকে শিয়া মতবাদ প্রচারের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার

শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার – ২০১৩ সালে যখন শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চে আন্দোলন শুরু হলো, এরপর থেকেই সেক্যুলার সমাজের কেউ কেউ এটির বিরোধিতা শুরু করল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার কর্মী, দৈনিক পত্রিকা ও সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকও এই আন্দোলনের বিরোধিতা শুরু করে। কিন্তু কেন? শাহবাগী বামপন্থিদের মূল টার্গেট ছিল সংস্কৃতির উপর। তাই প্রথমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করে। ক্রমে ক্রমেই এটি ইসলামবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এই সময়টাতে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

রিজিক কি নির্ধারিত

রিজিক কি নির্ধারিত – মানুষের জীবনে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে যতটা না পেরেশান থাকতে হয়, অন্য কোনো কাজে বোধহয় এতটা পেরেশান কেউ হয় না। প্রতিদিন তিনবেলা বা দুবেলা কিংবা অন্তত একবেলা খাবার যেন আমাদের লাগেই। এছাড়া আমরা শরীরের শক্তিমত্তা হারাতে পারি। দুর্বলতা আমাদের গ্রাস করে নিবে। রিযিক নিয়ে এত পেরেশানী কখনো কখনো আমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তাওয়াক্কুল করা থেকে আমাদের বাধা দেয়। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, যে আল্লাহর উপর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রকৃত সুখ কী

“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ  اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত

রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত : জানেন ভাবি! আমাদের এই কুরবানীর ঈদে গরু কিনেছে এক লাখ ত্রিশ হাজার দিয়ে। : ওয়াও। এটা কি আপনারা একাই দিচ্ছেন? : হ্যাঁ। একাই। : তো এত গোশত রাখবেন কিভাবে? : আজকে আমরা ওয়ালটন শো রুম থেকে একটা ফ্রিজ কিনে আনবো। : বলছিলাম কি ভাবি, গোশতগুলো জমিয়ে না রেখে গরীব-অসহায়দের দান করলে ভাল হয় না? : আরে দূর ভাবি, কি যে বলেন। এত কষ্টের টাকা দিয়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নিজের আত্মপরিচয়

নিজের আত্মপরিচয় – ঈমান হলো মানব জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ঈমান ছাড়া মানুষ কখনো খাঁটি ব্যক্তি হতে পারে না। স্রষ্টার আনুগত্য ঈমান ব্যতিত কবুল করা সম্ভব নয়। একজন ব্যক্তি একত্ববাদের প্রতি ঈমান আনার দ্বারা আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে গৃহিত হয়। আল্লাহ তখন তার নাম কাফেরের নাম থেকে কেঁটে মুসলিমদের নামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে দেন। এই দুইটি খাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ আজীবন কাফের অবস্থায় থাকে, তাহলে সে যতই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহকে কেন ভুলে যাই আমরা

আল্লাহকে কেন ভুলে যাই আমরা – আল্লাহ আমাদের কত ভালোবাসেন। কত মুহাব্বত করেন। কত যত্ন করেন। এরপরও আমরা আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত। আমাদেরকে বারবার বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি সতর্কবার্তা পাঠান। এরপরও আমরা তা উপেক্ষা করে হারাম কাজে লিপ্ত হই। অশ্লীল-অশালীন কাজে গা ভাসিয়ে দেই। মনে করি, হয়তো কোনো সমস্যা নেই। আসলে আমরা বর্তমানে আল্লাহকে ভয় করি না। আমরা ভয় করি সি.সি. ক্যামেরাকে। ভয় করি পুলিশকে। ভয় করি বাবা-মাকে। লোকজনকে। কেউ আমার খারাপ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায়

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায় – এক ছাত্র একবার শিক্ষকের সাথে দেখা করতে আসলো। বিদায়ের প্রাক্কালে ছাত্র শিক্ষককে বললো, হুজুর আমার জন্য দোয়া করবেন। যেন আমি অমরত্ব লাভ করি। হুজুর কথাটি শুনে অবাক হলেন। প্রশ্নসূরে বললেন, কি বলছো তুমি? অমর কি হওয়া যায়? ছাত্র তখন খানিকটা লজ্জা পেয়ে বললো, সূরা বাকারার ১৫৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, وَ لَا تَقُوۡلُوۡا لِمَنۡ یُّقۡتَلُ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ اَمۡوَاتٌ ؕ بَلۡ اَحۡیَآءٌ وَّ لٰکِنۡ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top