আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী বাংলাদেশ

হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী বাংলাদেশ – যুগে যুগে বহু ক্ষমতাধর এবং ফ্যাসিবাদ আসে। একটা সময় তারা হারিয়ে যায়। আজীবন মানুষ তাদের ঘৃণাভরে স্বরণ করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকের দিনটি স্বরণীয় হয়ে থাকবে। এই তারিখটি পরবর্তী ইতিহাসের পাতায় হয়তো স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ০৫ আগষ্ট ২০২৪। রোজ সোমবার। বিগত কোটা আন্দোলন শুরু হওয়ার পর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বুনো উল্লাসে নতুন বছরের বার্তা

বুনো উল্লাসে নতুন বছরের বার্তা – প্রতি বছর ৩১শে ডিসেম্বরের রাত হলো একটি আতঙ্কের নাম। ইংরেজরা এই দেশ থেকে বহু আগে বিতাড়িত হলেও তাদের দোসররা ও আদর্শ বাস্তবায়নকারীরা এদেশে এখনো আছে। সভ্যতার নামে অসভ্যতা আর রুচিশীলতার নামে বিকৃত রুচি বাস্তবায়ন করা হলো তাদের প্রধান কাজ। তাদের নিকট পশ্চিমা সভ্যতা হলো

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুদ্ধকৌশলে ৭ অক্টোবর

যুদ্ধকৌশলে ৭ অক্টোবর – ২০২৩ সালের স্বরণীয় একটি দিন। তুফানুল আকসা। ঝটিকা আক্রমণের মাধ্যমেই শুরু হয় এই শতকের অন্যতম বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সংঘাত। আল কাসসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারা বহু জায়োনিস্ট সৈন্যকে জাহান্নামে পাঠায় এবং অনেককেই জিম্মি করে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ‍উম্মাহ দুইভাগে বিভক্ত হয়। কেউ এই যুদ্ধ সূচনার মাধ্যমে এটিকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জান্নাতি মানুষ এর বিদায়

জান্নাতি মানুষ এর বিদায় – গত মঙ্গলবার তথা সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে আমার হারুন চাচা অসুস্থ হয়ে বাসায় আসেন। তার অসুস্থতা অনেক বেশি। বেশ কিছুদিন ধরেই তার পেট ব্যাথা ও আরো কিছু রোগ ধরেছে তার। আমরা ভেবেছি, তিনি অচিরেই সুস্থ হয়ে যাবেন। আমাদের বাসায় হারুন চাচা শনিবার পর্যন্ত অর্থাৎ ১ সেপ্টেম্বর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

দেশে দেশে জঙ্গি নাটক

দেশে দেশে জঙ্গি নাটক – ওয়ার অন টেররের পর বহির্বিশ্বে জঙ্গিবাদের নাটক যতটা করা হয়েছে, তার চেয়েও শত গুণ বেশি করা হয়েছে বাংলাদেশে, আলজেরিয়ায়, তিউনিশিয়ায়, কাজাখিস্তানে। এই দেশগুলোর সরকার প্রধানরা সর্বদা ছিল পশ্চিমা ও পার্শ্ববর্তী শক্তিশালী রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট এবং নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী। তারা নিজেদের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে যাকে তাকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

উবায়দুল্লাহ মাহদী

সে উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো ইরাকী বংশদ্ভূত একজন ব্যক্তি। ২৬০ হিজরীতে কুফায় জন্মগ্রহন করে সে।  জন্মের পর থেকেই সে উত্তর শামে অবস্থান করে।  সেখানে তার নাম ছিল, সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মায়মূন আল কাদ্দাহ। ১ সালামিয়া শহর সালামিয়া শহরে মৃত্যুবরণ করে আলি বিন হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন জাফর সাদেক। ইসমাঈলিরা তার নামে অনেকগুলো মাজার প্রতিষ্ঠা করে। উবায়দুল্লাহ মাহদী সিদ্ধান্ত নেয়, আধ্যাতিক বিবাহের মাধ্যমে ইসমাইল

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজীদের সম্পর্কে হাদীস

খারেজীদের সম্পর্কে হাদীস – খারেজীর সম্পর্কে নবীজির থেকে কিছু হাদীস বর্ণিত রয়েছে। তাদের ব্যাপারে তিনি ভবিষ্যদ্বানী করেছেন। তাদের ফেতনা সম্পর্কে সাহাবাদেরকে সতর্ক করেছেন। নিচে দুইটি হাদীস উল্লেখ করা হলো। পড়ুন: খারেজী কারা? এবং তাদের পরিচয় সহীহ বুখারী ৩৬১০ নং হাদীস حَدَّثَنَا أَبُوْ الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ أَبُوْ سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا سَعِيْدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقْسِمُ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নারীবাদী তত্ত্ব থেকে নাস্তিক

নারীবাদীরা সর্বদা তাদের নারীবাদী তত্ত্ব থেকে ইসলামকে যাছাই করতে যায়। তখনই শুরু হয় বিরাট এক সমস্যা। ইসলামের সাথে নারীবাদের দ্বন্দ্ব বহু আগ থেকেই। কারণ, ইসলাম মানে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর নারীবাদ বলে ভোগবাদীর উপর আত্মসমর্পণ। এজন্য মুসলিম নারীবাদীরা একটা সময় ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়ে নাস্তিক হয়ে যায়। আর এই জিনিষটা একদিনে ঘটে না। পর্যায়ক্রমে এমনটা ঘটে। প্রথম ধাপ প্রথম প্রথম কিছুটা মনগড়া অভিযোগ ও কিছুটা ক্ষোভ দিয়ে তাদের বীজ বপন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজী ও তাদের আকীদা বিশ্বাস

খারেজী কারা এবং তাদের সংজ্ঞা দিতে দিয়ে অনেক আলেম অনেক রকমভাবে তাদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। তন্মধ্যে, আবুল হাসান আশআরী রহ.বলেন, যারা চতুর্থ খলিফা আমিরুল মুনিনীন আলী রাঃ এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে এবং তার দল ত্যাগ করেছে, তারাই হলো খারেজি। ঈমাম ইবনে হাজাম আন্দালূসী রহ. বলেন, খারেজী বলতে প্রত্যেক এমন সম্প্রদায়কে বুঝায়, যারা চতুর্থ খলিফা আলী রা. এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে কিংবা তাদের রায় বা মত গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন

আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে। সে তার দলে পারসিকদের টানতে সক্ষম হয়। যে পারসিকরা ছিল মুসলমানদের চরম শত্রু। তার কাছে পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশসমূহকে শিয়া মতবাদ প্রচারের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার

নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার – ওয়ালটন দেশের নামকড়া একটি কোম্পানী। Walton এর ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ দেশজুড়ে বিখ্যাত। বছরখানেক আগে একটি ভিডিওতে ওয়ালটনের মালিককে দেখেছিলাম। পাঞ্জাবি, টুপি পরিহিত পাক্কা একজন হুজুর। বহু আগ থেকেই বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারের আড়ালে সমকামিতা প্রচার করছে ব্র‌্যাক, বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ও আরো কিছু প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গ। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফান্ড পেয়ে এই বিকৃত রুচির যৌনাচার এই দেশে প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করছে তারা। প্রতি ঈদে দেশের তরুণ সমাজকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল ওয়ালা ওয়াল বারা কাকে বলে

কুরআনী নির্দেশনা অনুযায়ী আল্লাহ তা’আলা যাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে বলেছেন, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা আর যাদের সাথে শত্রুতা রাখতে বলেছেন, তাদের সাথে শত্রুতা রাখা। এটাকেই ইসলামী শরীয়াহর পরিভাষায় আল ওয়ালা ওয়াল বারা (الولاء والبراء) বলা হয়। ইসলামে শত্রুতা রাখতে বলা হয়েছে কাফেরদের সাথে, মুরতাদদের সাথে, মূর্তিপূজকদের সাথে, ইহুদি-খৃস্টানদের সাথে। আর বন্ধুত্ব রাখতে বলা হয়েছে মুমিনদের সাথে, মুজাহিদদের সাথে। ইসলামে নবীজি সা. এর ইন্তিকালের পর থেকেই অনেকেই অনেকভাবে বিকৃত করতে চেয়েছে।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল – ইসলামিক চন্দ্র বছর অনযায়ী জিলহজ মাস হলো সর্বশেষ মাস। এই মাসকে হজের মাস বলেও অবহিত করা হয়। তাই অন্যান্য মাসের তুলনায় এই মাসের আলাদা গুরুত্ব ও ফজিলতও রয়েছে। তাছাড়া এই মাসকে যুদ্ধ-বিদ্রোহ বন্ধ রাখার মাসও বলা হয়। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এই মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের কসম করেছেন। তাই বুঝা যায়, এই মাসের গুরুত্ব কত বেশি! পবিত্র কুরআনের সূরা ফাজরের ২ নং আয়াতে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রকৃত সুখ কী

“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ  اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নামাজ শিক্ষা

নামাজ শিক্ষা – একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই জানি, ইসলামের ফরজ বিধান ৫ টি। এই পাঁচটি হলো, মুসলিম হওয়ার পর প্রথম কর্তব্য। কেউ যদি মুসলমান হওয়ার পর উক্ত পাঁচটি বিধানকে ফরজ হিসেবে না মানে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আর কেউ যদি উক্ত বিধানগুলোকে অস্বীকার করে, তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কালিমা নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত নামাজ কেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি কালিমায়ে তায়্যিবা পড়ে মুসলমান হওয়ার

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায়

মুমিন ব্যক্তি কেন অমরত্ব চায় – এক ছাত্র একবার শিক্ষকের সাথে দেখা করতে আসলো। বিদায়ের প্রাক্কালে ছাত্র শিক্ষককে বললো, হুজুর আমার জন্য দোয়া করবেন। যেন আমি অমরত্ব লাভ করি। হুজুর কথাটি শুনে অবাক হলেন। প্রশ্নসূরে বললেন, কি বলছো তুমি? অমর কি হওয়া যায়? ছাত্র তখন খানিকটা লজ্জা পেয়ে বললো, সূরা বাকারার ১৫৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, وَ لَا تَقُوۡلُوۡا لِمَنۡ یُّقۡتَلُ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ اَمۡوَاتٌ ؕ بَلۡ اَحۡیَآءٌ وَّ لٰکِنۡ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top