আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
সুইডেনে কোরআন পোড়ানো
সুইডেনে কোরআন পোড়ানো – পবিত্র মহান ধর্মগ্রন্থ আল কুরআন চৌদ্দশত বছর পূর্বে নবীজি মুহাম্মাদ সা. এর উপর দীর্ঘ তেইশ বছরে নাজিল হয়। মহান আল্লাহ তা’আলা বিধি-বিধান, পূর্বেরকার ঘটনা, উপদেশ ও ভীত প্রদর্শনসহ আরো বিভিন্ন বিষয়ে তাতে উল্লেখ করেছেন। কুরআন এমন এক জীবন্ত কিতাব, যা এত বছর পরেও স্বীয়ক্ষেত্রে স্বকীয়মান। এর
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর মুনাজারার পরে খারেজিদের মধ্য হতে প্রায় ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মতো খারেজি তাদের দলত্যাগ করে আলী রা. এর নিকট চলে আসে। এরপর হযরত আলী রা. নিজেই খারেজিদের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। ফলে তারা কুফা শহরে ফিরে
পরিবার ভাবনা
পরিবার ভাবনা – একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে বালেগ হওয়ার পর থেকেই পৃথিবীকে নতুনভাবে জানতে শিখে। নতুনভাবে সে অবলোকন করে পৃথিবীর হাল-হাকীকত। সে তখন পৃথিবীর নিয়মতান্ত্রিক উপক্রমা ও পরিবারতন্ত্র সম্পর্কে জানতে পারে। অজানা এক মোহে সে আকৃষ্ট হয়। একটি প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে অন্য একটি মেয়ের প্রতি এবং একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়ে অন্য
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা – ইংরেজ ও পশ্চিমাদের একটা বিখ্যাত থিউরি আছে, ডিভাইড এন্ড রুলস। তথা ভাগ করো এবং শাসন করো। এখানে শাসন করা মানে অনেক কিছুই হতে পারে। রাজ্য শাসন করা, দেশ শাসন করা, মন-মস্তিষ্ক শাসন করা, অনুভূতি শাসন করা ইত্যাদি। প্রথম দুইটি উদাহরণ যতটা সহজে বুঝা যায়,
রূপান্তরকামিতা
ইংরেজিতে (Transgender) ট্রান্সজেন্ডার আর বাংলায় রূপান্তরকামিতা বা রূপান্তরিত লিঙ্গ একই জিনিষ। একজন পুরুষ যদি নিজেকে মহিলা দাবী করে বা একজন মহিলা যদি নিজেকে পুরুষ দাবী করে, তাহলেই তাকে রুপান্তরকামিতা বা ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়। এখন কোনো ট্রান্সপুরুষ তথা যেই মহিলা নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে, তার যদি মাসিকও হয়, সন্তানও হয়,
সর্বশেষ প্রকাশিত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই
সাবায়ী ফেতনা ও বিরুদ্ধাচরণ
হযরত উসমান রা. এর খেলাফতের শেষ ছয় বছরের দিকে সাবায়ী ফেতনা তথা আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার ফেতনা ভালোভাবেই শেকড় গেড়েছিল। ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করা এবং গৃহযুদ্ধ উসকে দেয়াই ছিল তাদের টার্গেট। হযরত উসমান রা. এর গুরুত্বপূর্ণ গভর্নরদের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের ব্যাপারে মিথ্যা অভিযোগ তুলতে লাগলো। তারা প্রথমে এই কথা উঠালো যে, হযরত উসমান রা. স্বজনপ্রীতি করেন। আর অন্যদের বঞ্চিত করেন। আরো বলা হয় যে, উসমান রা. প্রবীণদের বাদ দিয়ে যুবকদের
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার – ওয়ালটন দেশের নামকড়া একটি কোম্পানী। Walton এর ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ দেশজুড়ে বিখ্যাত। বছরখানেক আগে একটি ভিডিওতে ওয়ালটনের মালিককে দেখেছিলাম। পাঞ্জাবি, টুপি পরিহিত পাক্কা একজন হুজুর। বহু আগ থেকেই বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারের আড়ালে সমকামিতা প্রচার করছে ব্র্যাক, বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ও আরো কিছু প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গ। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফান্ড পেয়ে এই বিকৃত রুচির যৌনাচার এই দেশে প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করছে তারা। প্রতি ঈদে দেশের তরুণ সমাজকে
ট্রান্সজেন্ডার কি
ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়, রুপান্তরকামীকে। অর্থাৎ মানুষের জন্মগত জেন্ডার (পুরুষ বা মহিলা) পরিচয়কে বাদ দিয়ে নিজের মতো জেন্ডার নির্ধারণ করা। একজন ব্যক্তি জন্মগতভাবে হয় পুরুষ হবে অথবা মহিলা হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম তথা হিজড়াও দেখা যায়। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া কখনোই এক জিনিষ নয়। একজন পুরুষ যদি নিজেকে মহিলা দাবী করে, তাহলে সে ট্রান্সজেন্ডার (মহিলা) হিসেবে পরিচিত। একজন মেয়ে নিজেকে পুরুষ দাবী করলে, সেও ট্রান্সজেন্ডার (পুরুষ) হিসেবে পরিচিত হবে। এমন
নারী নেতৃত্ব
অন্যান্য ধর্মের ও নারীবাদীদের খুবই পছন্দের একটি প্রসঙ্গ হলো নারী নেতৃত্ব । এজন্য কখনো কখনো মুসলমানরা যখন উক্ত ধর্মের ও চিন্তাধারার লোকদের সাথে মিলিত হয় তখন কথার জালে কিংবা আরো বিভিন্ন কার্যক্রমে তারা আস্তে আস্তে এই নারী নেতৃত্বকে পছন্দ করা শুরু করে। ইসলাম মানে যদিও আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ, কিন্তু এই মুসলিমরা একটা সময় মানসিক দাসত্ব ও শয়তানের দাসে পরিণত হয়। ইসলামের প্রথম দিকের সাহাবী, তাবেয়ী ও অন্যান্য ঈমামরা সুষ্পষ্টভাবে নারী
বাংলাদেশে সমকামিতা মতাদর্শ বিস্তার
বাংলাদেশে সমকামিতা মতাদর্শ বিস্তার – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সময় থেকেই পৃথিবীতে আস্তে আস্তে নতুন নতুন কিছু ফিতনা আমদানি করা শুরু হয়। যেসব ফিতনা প্রাচীনকালে পৃথিবীতে থাকাবস্থায় স্রষ্টার পক্ষ হতে ধ্বংস নেমে এসেছিল। তারপরও এসব ফিতনা ছড়ানো শুরু হলে এর সাথে সাথে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু, ভাইরাসও পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গত ৯০ দশকের সময়ে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা এবং রোল মডেল দেশগুলো এইডস রোগকে পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরুপ হিসেবে চিহ্নিত করে। এইডস
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি – আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম। আর শাসনব্যবস্থা চলবে আল্লাহর আদেশে এবং নবীজি ﷺ এর অনুসরণে, অনুকরণে। মক্কায় ১৩ বছর আল্লাহর রাসুল মুহাম্মাদ ﷺ দাওয়াতের মাধ্যমে ইসলামকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ১০ বছর মদিনায় থাকাকালীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে-ই রাষ্ট্র ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর এবং ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র। আল্লাহ সরাসরি আয়াত নাজিল করে বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রের নীতিমালা ঠিক করে দিয়েছেন। নবীজি ﷺ এর মৃত্যুর পর সাহাবায়ে
পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম
পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম – মানুষ অনুকরণ ও অনুসরণ করতে পছন্দ করে। প্রাচীনকাল থেকেই এটি ঘটে আসছে। বনী ইসরাইলের বাছূর পূজার কথা নিশ্চয় মনে আছে। মুসা আ. যখন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কোন জিনিষ তোমাদের বাছুরের পূজা করতে উদ্বুদ্ধ করেলো? তখন তারা বললো, আমরা তো আমাদেরকে দেয়া সম্পদগুলো আগুনে নিক্ষেপ করি। তারপর পুড়ে যাওয়া সম্পদ দিয়ে সামেরি একটি বাছুর নির্মাণ করে। আর সেটা ডেকে উঠে। তাই ভাবলাম, সেটাই হয়তো আমাদের ইলাহ্।
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব – লিখেছেন রাসিখ আওয়াব আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আজকে আমি আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা পেশ করবো তা হলো, সবর তথা ধৈর্যধারণের গুরুত্ব, কারণ মানুষের জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য এবং সকল প্রকার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য যে সকল গুণ আবশ্যক ধৈর্য তথা সবর তাদের মধ্যে অন্যতম৷ সবর তথা ধৈর্যের যে পয়েন্টগুলো নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করবো সেগুলো হলো – ১. ধৈর্য কাকে বলে? ২. ধৈর্য
ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয়
ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয় – কয়েক মাস ঘুরতে না ঘুরতেই হাজির হলো আবার ঈদ। ঈদ হলো, মুসলিমদের জন্য স্রষ্টা প্রদত্ত আনন্দের দিন। মাসখানেক আগেই আমাদের সামনে দিয়ে অতিবাহিত হয়েছিল ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই রমজানের পর আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছিলেন ঈদ। এখন আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি হলো কুরবানীর ঈদ। কুরবানী কেন ফরজ করা হয়েছে? মানুষ স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত। স্রষ্টা আমাদের যেই আদেশ করেছেন, সেটা পালন করা আমরা
কুরআন জীবন্ত মুজিজা
কুরআন জীবন্ত মুজিজা ও কিতাব । আল্লাহর কালাম । প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্যই আমাদের জন্য শিক্ষা। আমি শিক্ষা গ্রহণ করতে প্রস্তুত কি না, সেটা হলো বিষয়। কুরআন কারীম আমার জন্য হেদায়াতের পসরা সাজিয়ে রেখেছে। আমরা সাজিতে করে হেদায়াতের কিছু ফুল কুড়িয়ে নিতে পারি কি না দেখা যাক । (এক) আমি মানুষ । আমার চিন্তা ও ক্ষমতা সীমাবদ্ধ । কিন্তু আমি যার বান্দা তার ক্ষমতা অসীম । কল্পনাতীত। আমার দায়িত্ব যখন
দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা
দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীকে বলেছেন, মানুষকে একত্ববাদের দিকে ডাক। এরপর নওমুসলিম সাহাবারাও এই কাজ করেছেন। সূরা আলে ইমরানের ১১০ নং আয়াত کُنۡتُمۡ خَیۡرَ اُمَّۃٍ اُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ تَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اٰمَنَ اَهۡلُ الۡکِتٰبِ لَکَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ مِنۡهُمُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ وَ اَکۡثَرُهُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই