আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ফেমিনিজম কি

নারীবাদ বা ফেমিনিজম কি এটি নিয়ে আমাদের মুসলিম সমাজে অনেকটা সংশয় এবং খাপছাড়া মনোভাব আছে। কেউ মনে করেন, পশ্চিমা নারীবাদ বা ফেমিনিজম যদিও ইসলাম সমর্থন করে না, এরপরও এটাকে যদি ইসলামের ধারাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে আর মন্দ কি! বর্তমান সমাজে এই নারীবাদ বা ফেমিনিজম এতটাই মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ভারতের হায়দ্রাবাদ দখলের ষড়যন্ত্র

ভারতের হায়দ্রাবাদ দখল বা ভারতের হায়দ্রাবাদ দখলের ষড়যন্ত্র – ব্রিটিশরা যখন বুঝতে পারলো, উপমহাদেশে তাদের আর রাজত্ব থাকবে না, তখন তারা উপমহাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে লাগলো। ব্রিটিশদের সময় উপমহাদেশে কয়েকরকম রাজ্য ছিল। যেহেতু ভারত স্বাধীন হওয়ার আগেই ধর্মীয় দিক বিবেচনায় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশ গঠনের পরিকল্পনা করা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুফিবাদী ইসলাম ও সুবিধাবাদী ইসলাম

সুফিবাদী ইসলাম ও সুবিধাবাদী ইসলাম – ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই এর বিধি-বিধান সমৃদ্ধ, সমাদিত। নবীজি ﷺ বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছিলেন, আমি তোমাদের নিকট দুইটা জিনিস রেখে যাচ্ছি। এক কুরআন, দুই সুন্নাহ।[1] কুরআন হলো, সরাসরি ওয়াহী। এর মধ্যে কোনো ভুলে নেই, কোনো সন্দেহ নেই। একজন মুসলমানের আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ প্রায়োগিক দিক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ম্যাক্রোর বাংলাদেশে আগমন

ম্যাক্রোর হঠাৎ করেই বাংলাদেশে আগমন (১১/৯/২৩)। কোন রাজনৈতিক কারণে এসেছে, তা আমার স্পষ্ট জানা নেই। আমি শুধু স্মৃতির পাতায় ভর করে খানিকটা পেছনে যেতে চাই। ২০২১ সালে করোনা প্রকোপ কমে যাওয়ার পরে ফ্রান্সের এক কার্টুনিস্ট নবীজিকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক চিত্র তৈরি করে। নবীজিকে নিয়ে এমন জঘন্য কাজ করায় আরব বিশ্বসহ সমগ্র

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ফরিদপুরে দুই ভাই হত্যা

ফরিদপুরে দুই ভাই হত্যা – আজকে সকালে (২৬ এপ্রিল ২০২৪) সফরে বের হলাম। কিছুদিন আগে ফরিদপুরে দুই সহোদর ভাই উগ্র হিন্দুদের নির্মম আঘাতে শহীদ হন। আমরা গিয়েছিলাম তাদের কবর যিয়ারত করতে এবং তাদের মা-বাবার সাথে দেখা করতে এবং কিছু হাদিয়া দিতে। এছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য আমাদের ছিল না। ফজরের নামাজ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাংলায় ইসলামের আগমন

বাংলায় ইসলামের আগমন – বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ মুসলিম। কেউ বাবা-মা মুসলিম বিধায় সে নিজেও মুসলিম। কেউ ধর্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে মুসলিম। কেউ বা সামাজিকভাবে মান রক্ষার জন্য মুসলিম। বিশ্বের প্রতিটি ধর্মই সাম্যের দিকে আহবান করে। আমি প্রতিটি ধর্মকেই শ্রদ্ধা করি। প্রাচীন বাংলা ও আর্যদের আগমন বাংলাদেশে একেবারে শুরুতে ছিল বেশ কিছু

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?

ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব – হাসিনার পতনের পর সকলেই মহাখুশী। কেউ কেউ ভেবেছেন এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। কারো মতে এই ছিল ছাত্র-জনতার দ্রোহ। পূর্বে-পরে যাই হোক, এই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থারই আরেক রূপ। হাসিনা একটা সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিল। আগামীতে অন্য কোনো দল আসবে। তারাও এর কাছাকাছি স্বৈরাচার হবে। বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন একটা সময় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় রূপ নিতে বাধ্য। ফরাসি বিপ্লব থেকে ইংরেজ খেদাও আন্দোলন মুসলিম

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব

মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব – ১৫০ বছর আগে মুসলিমবিশ্বের অবস্থার দিকে অবলোকন করতে আমরা দেখতে পাই, এক নিভুনিভু খিলাফতের ছায়ায় এই উম্মাহ একত্রিত হয়ে বসবাস করছে। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া নেই, পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা নেই। পরবর্তীতে এমন কী হলো যে, খিলাফত পতনের পর এর থেকে প্রায় অর্ধশত রাষ্ট্রের জন্ম হলো? মুসলিমবিশ্বের শৌর্যবীর্য থাকাকালীন কুফফার বিশ্ব তাদের বাদ-মতবাদ মুসলমানদের উপর বর্তমানের মতো নগ্নভাবে চাপিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস করেনি। সর্বপ্রথম আব্বাসি খিলাফতের সময় মুসলমানরা পশ্চিমা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা

সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা – ২০২৪ সালের নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে জানুয়ারীর প্রথম দিকেই। বর্তমানে বইটির ক্লাসও ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত করছে। বিগত বছরের কিছু সমস্যার কারণে এবার ভেবেছিলাম, হয়তো এই বছর বইটি কলঙ্কমুক্ত থাকবে। নৈতিকতা বিবর্জিত পাঠ্য বইটিতে থাকবে না। আমরা এই বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ি। এরপর দেখলাম, অনেক রকম ভুল তথ্য ও বিকৃত তথ্য এই বইটি জুড়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত

ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত – ট্রান্সজেন্ডারের আরেক নাম হলো সমকামিতা। LGBT মতাদর্শের মাধ্যমে বহু আগেই কিছু বিকৃত চিন্তার মানুষেরা সমকামিতাকে সামাজিকরণের চেষ্টা করছে। যত যাই কিছুই হোক, এই কর্ম কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। রক্ষণশীল পরিবারগুলো বা বুঝমান ফ্যামিলিগুলো কখনোই এই ঘৃণিত কাজে সাড়া দেয় নি। পৃথিবীতে এই তো কিছুদিন আগেই নারী অধিকার নিয়ে কত আন্দোলন হলো। দেশে দেশে বিল পাশ হলো। নারীদের ঘর থেকে বের করে চাকুরিতে যুক্ত করে চাকর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান

আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে সে একা একাই ভুল পথে চলছে না। বরং আরো দশজন তার কাজ থেকে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। নবীজি সা. আমাদের উপর আল্লাহর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া পার্থক্য

বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে এই ইস্যুতে সবাই সুক্ষ্মভাবে একটি ধোঁকা দিচ্ছে। সেটি হলো, ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জিনিষ দুটি একত্র করে ফেলা। দেশের অনেক সংবাদমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই সংক্রান্ত নিউজ প্রচার করে মানুষের মাঝে ব্যাপক বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। হিজড়া হলো একটি জন্মগত জেনেটিক সমস্যা। হিজড়া কিভাবে হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, জন্মের সময় অ্যান্ড্রোজেন রিসিপ্টর নামক একটি জিনে পরিবর্তনের কারণে পুরুষদের হরমোন তৈরিতে বাধাগ্রস্ত হয়। যে কারণে তারা জেনেটিক্যালি তথা জন্মগতভাবে পুরুষ হয়েও বাহ্যিকভাবে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয়

ঈদের দিন করনীয় ও বর্জনীয় – কয়েক মাস ঘুরতে না ঘুরতেই হাজির হলো আবার ঈদ। ঈদ হলো, মুসলিমদের জন্য স্রষ্টা প্রদত্ত আনন্দের দিন। মাসখানেক আগেই আমাদের সামনে দিয়ে অতিবাহিত হয়েছিল ঈদুল ফিতর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই রমজানের পর আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছিলেন ঈদ। এখন আমাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ দিনটি হলো কুরবানীর ঈদ। কুরবানী কেন ফরজ করা হয়েছে? মানুষ স্রষ্টা কর্তৃক প্রেরিত। স্রষ্টা আমাদের যেই আদেশ করেছেন, সেটা পালন করা আমরা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত

প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী পবিত্র কুরআনে জিহাদ সম্পর্কে কুরআনের আয়াত প্রায় ৫০০ এর অধিক। তবে এই সব আয়াতে ‘জিহাদ’ শব্দ দ্বারা কিংবা জিহাদের ব্যাপারে আলোচনা আসে নি। কোথাও ‘কিতাল’ শব্দ দ্বারাও আলোচনা করা হয়েছে। কোথাও জিহাদের মাসআলা-মাসায়েল নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সরাসরি ‘জিহাদ’ শব্দটি কুরআনে এসেছে প্রায় ২৭ বার। এখানে জিহাদ সম্পর্কে বেশ কিছু আয়াত একত্রিত করা হলো ফজিলত হিসেবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে জিহাদের ফজিলত বুঝে নিজেদেরকে প্রস্তুত করার তাওফিক দান

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মোটিভেশন স্পিকারদের স্বরূপ সন্ধানে

মোটিভেশন স্পিকারদের স্বরূপ সন্ধানে – কিছু মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই সুন্দরভাবে কথা বলতে পারে। বাচনভঙ্গী খুবই দক্ষ। অন্যকে কথার জালে সহজেই আঁটকে রাখতে পারে। তার কথা মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা শুনলেও বিরক্তবোধ করবে না। কিন্তু সে তার এই প্রতিভা কোন কাজ ব্যয় করছে? বর্তমান সময়ে বাজারে মোটিভেশন স্পিকার, মোটিভেশন বইয়ের ছড়াছড়ি। কেউ জীবন নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশাগ্রস্থ? একটা মোটিভেশন স্পিকিং শুনে তার বুকটা ফুলে উঠে। “আমিও পারবো। আমার দ্বারাও সম্ভব” এমন একটা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহনাফ বিন কায়েস – আমার কথাও কুরআনে আছে!

আহনাফ বিন কায়েস নামক একজন আরব সর্দারের কথা বলছি। তিনি ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা। তার সাহস ও শৌর্য ছিলো অপরিসীম। তার তলোয়ারে ছিলো লক্ষ যোদ্ধার জোর। ইসলাম গ্রহণ করার পর আল্লাহর নবী (সাঃ)-কে দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি, তবে নবীর বহু সাথীকেই তিনি দেখেছেন। এদের মধ্যে হযরত আলীর (রাঃ) প্রতি তার শ্রদ্ধা ছিলো অপরিসীম। একদিন তার সামনে এক ব্যক্তি কোরআনের এই আয়াতটি পড়লেন, لَقَدۡ اَنۡزَلۡنَاۤ اِلَیۡکُمۡ کِتٰبًا فِیۡهِ ذِکۡرُکُمۡ ؕ اَفَلَا

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে – পৃথিবীতে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কত রকম প্রাণীকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির বয়স ৩০ লাখ বছর। আল্লাহ শুরুতে আদম আ. কে পাঠিয়েছিলেন। এরপর একে একে আরো কত মানুষ পাঠিয়েছেন। মানুষ পাঠানোর এই ধারাবাহিকতা কখনোই শেষ হয় নি। মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে। হঠকারিতায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও আল্লাহ মানুষ পাঠানো বন্ধ করেন নি। ফেরআউনের মতো মানুষ, নমরূতের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জিজিয়া

জিজিয়া – মুসলিমরা পুরো বিশ্বে ইসলাম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভূখণ্ড জয় করেন। এই সময়ে উক্ত ভূখণ্ডগুলোকে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। জিযিয়া সাধারণত দুই প্রকার। এক, পারস্পরিক সম্মতি ও সমঝোতার ভিত্তিতে ধার্যকৃত পরিমাণ। দুই, কাফিরদের উপর বিজয়লাভ করার পর উক্ত ভূখণ্ডের কাফিরদের সহায়-সম্পত্তির উপর বহাল রেখে শাসক নিজেই এই করের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। এদেরকে আহলুয জিম্মা বলা হয়। জিজিয়া নেওয়া হয় হয় কাফিরদের নিরাপত্তার জন্য। মুসলিমদের অধীনস্থ থেকে তারা স্বাধীনভাবে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top