আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
বাংলাদেশে দ্রোহের ব্যর্থতা
বাংলাদেশে দ্রোহের ব্যর্থতা – দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট এই ভূমিটা যতটা সহজ মনে হয়, এর ভৌগলিক ও রাজনৈতিক সিস্টেম ততটাই কঠিন। মুসলিম ভূখন্ড থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এই ভূমি এককালে পাকিস্তানের অধীনে থাকলেও রাজনৈতিক কারণে আলাদা হয়ে যায়। স্বাধীন এই ভূখন্ডে স্বাধীনতার শুরু থেকেই এক এক করে সমস্যা জর্জরিত ছিল। ভারতের ক্রমাগত
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায়
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে
রোড এক্সিডেন্ট
পত্রিকার পাতা খুললেই প্রথমে চোখে পড়ে, অমুক জায়গায় রোড এক্সিডেন্ট ঘটেছে। ঝরে গেছে দুই তিনটি প্রাণ। মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে। স্ত্রী বিধবা হয়ে গেছে।সন্তানরা এতিম হয়ে গেছে। পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কেউ বা বুক ফেঁটে চিৎকার করে কাঁদছে। কেউ বা নিরবে অশ্রু ফেলছে। কিন্তু বাস্তবে একটি বাইক এসব
ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত
ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত – ট্রান্সজেন্ডারের আরেক নাম হলো সমকামিতা। LGBT মতাদর্শের মাধ্যমে বহু আগেই কিছু বিকৃত চিন্তার মানুষেরা সমকামিতাকে সামাজিকরণের চেষ্টা করছে। যত যাই কিছুই হোক, এই কর্ম কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। রক্ষণশীল পরিবারগুলো বা বুঝমান ফ্যামিলিগুলো কখনোই এই ঘৃণিত কাজে সাড়া দেয় নি। পৃথিবীতে এই তো কিছুদিন আগেই
ইহুদিদের তথ্য বাণিজ্য
শুধুমাত্র তথ্য বাণিজ্য করে যে অনেক মুনাফা হাতানো সম্ভব, তা শুধুমাত্র ইহুদিদের মাথাতেই প্রথম এসেছিল। তাদের পূর্বে কোনো জাতি এমনটা করার কল্পনাও করে নি। ইহুদিরা তথ্য বাণিজ্য করে বিভিন্ন জায়গার খবর আগাম পেয়ে যেত। আর তারা সেটি সম্পূর্ণ কাজে লাগাতো মুনাফা লাভের জন্য। ইহুদিদের নিজস্ব একটি পার্লামেন্ট ছিল। যাকে সেনহার্ড্রিন
সর্বশেষ প্রকাশিত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই
বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক?
বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক? নারীদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা নিজেদের শরীর গায়রে মাহরামের নিকট হতে ঢেকে রাখ। এছাড়াও নারীদের পুরো শরীর সতরের অন্তর্ভূক্ত। তাই এখন তাদের শরীরের কতটুকু ঢাকা ওয়াজিব, এটি নিয়ে ফুকাহায়ে কেরামের মধ্যে মূলগত তেমন কোনো ইখতিলাফ নেই। কাজের সুবিধার্থে হাতের কব্জি পর্যন্ত ও চোখ খোলা রাখাকে জায়েজ বলেছেন আলেমরা। ইসলামী ইতিহাস থেকে জানা যায়, নারী সাহাবীরা ও তাবেয়ীরা এত বড় কাপড় পরিধান করতেন যে, তাদের
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে
উবায়দুল্লাহ মাহদী
সে উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো ইরাকী বংশদ্ভূত একজন ব্যক্তি। ২৬০ হিজরীতে কুফায় জন্মগ্রহন করে সে। জন্মের পর থেকেই সে উত্তর শামে অবস্থান করে। সেখানে তার নাম ছিল, সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মায়মূন আল কাদ্দাহ। ১ সালামিয়া শহর সালামিয়া শহরে মৃত্যুবরণ করে আলি বিন হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন জাফর সাদেক। ইসমাঈলিরা তার নামে অনেকগুলো মাজার প্রতিষ্ঠা করে। উবায়দুল্লাহ মাহদী সিদ্ধান্ত নেয়, আধ্যাতিক বিবাহের মাধ্যমে ইসমাইল
শাতিম ইস্যু
বছরে কয়েকবার যে-ই ইস্যুটি সামনে আসে, সেটি হলো শাতিম ইস্যু । নবীজি ﷺ কে গালি দেওয়া, তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা, উম্মাহাতুল মুমিনিনদের নিয়ে কটূক্তি করা, আল্লাহকে গালি দেওয়াসহ অনেকগুলো বিষয় এই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। তবে এর সূচনাটা হয় ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করেই। দেশে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করার ব্যক্তিদের অভাব নেই। এর বড়ো একটি অংশ বাঙ্গালি মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এই অংশটি সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের আদর্শের কাছাকাছি। উপমহাদেশের হিন্দুদের আধিপত্য সাহিত্য এবং
শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি
শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি – মুসলিম উম্মাহর মধ্যে সর্বপ্রথম ফিতনা ছিল উসমান রা. এর শাহাদাতের ঘটনা। যা নিকৃষ্ট ইহুদি আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বার প্ররোচনায় ঘটে। পরবর্তীতে আলী রা. এর শাসনামলে আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা তার স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নতুন একটি চিন্তাধারা মুসলিমবিশ্বে আমদানি করে। এটিকেই ইতিহাসে “শিয়া মতবাদ” বলা হয়। শিয়াদের মধ্যে পরবর্তীতে অনেক দল-উপদল তৈরি হয়। এর মধ্যে কিছু দল সরাসরি আল্লাহর সাথে শিরকে লিপ্ত। এখানে শিয়াদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে
খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস ও বাড়াবাড়ি
খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস – মুসলিম ইতিহাসের নিকৃষ্ট জাতির মধ্যে অন্যতম হলো খারেজী সম্প্রদায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ও মহামান্য ব্যক্তিদের অবজ্ঞা দ্বারাই তাদের সূচনা হয়। তাদের প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমরা নিচে মূলকথা ও ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করছি। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি খারেজীদের ব্যাপারে একটা কথা চিরসত্য যে, তারা খুবই ইবাদাত বন্দেগী করে। সর্বক্ষণ খোদার স্বরণে মত্ত থাকে। কিন্তু তারা ইসলাম বা ধর্মকে বুঝেছে নিজেদের মন ও মত অনুযায়ী। তারা নিষিদ্ধ বিষয় থেকে খুবই
ওমর রাঃ এর অমূল্য কিছু বাণী
হযরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব রহ. বলেন, হযরত ওমর রাঃ এর অমূল্য ১৮টি বাণী রয়েছে। যেগুলো প্রতিটি নিয়ে আলাদা আলাদা গবেষণা করা যায়। বাণীগুলো যথাক্রমে, ০১। যে তোমার কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে আল্লাহর অবাধ্যতা করে, তোমার দেওয়া তার সবচেয়ে উত্তম শাস্তি হলো, ওই জিনিসের ক্ষেত্রে তার অবাধ্যতার সমপরিমাণ তুমি আল্লাহর আনুগত্য করবে। ০২। তুমি তোমার অপর ভাইয়ের যেকোনো বিষয় উত্তমভাবে সাজিয়ে রাখো, যদি না সে তোমাকে নিষেধ করে। ০৩। কোনো মুসলিম ভাই
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস – জিহাদ হলো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি মহান আল্লাহর ফরজ বিধান এবং পৃথিবীতে সত্যের বাণী পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম একটি মাধ্যম। জিহাদের বিষয়ে কুরআন-হাদীস ও ফিকহের কিতাবে যা বর্ণিত আছে, সেগুলোকে আমরা এক মলাটে তথা এক পেজে আনার চেষ্টা করেছি বাংলাভাষী মানুষদের জন্য। বর্তমানে জিহাদ নিয়ে অনেকে অনেক প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। কেউ কেউ আছে, আলেমদেরকে না জিজ্ঞাসা করেই কুরআনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা বুঝে বসে থাকে। তাই আপনি
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব – লিখেছেন রাসিখ আওয়াব আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আজকে আমি আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা পেশ করবো তা হলো, সবর তথা ধৈর্যধারণের গুরুত্ব, কারণ মানুষের জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য এবং সকল প্রকার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য যে সকল গুণ আবশ্যক ধৈর্য তথা সবর তাদের মধ্যে অন্যতম৷ সবর তথা ধৈর্যের যে পয়েন্টগুলো নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করবো সেগুলো হলো – ১. ধৈর্য কাকে বলে? ২. ধৈর্য
শাম সম্পর্কে হাদিস
শাম সম্পর্কে হাদিস সমূহ – শাম অঞ্চল। হাদীসের ভাষায় বিলাদুশ শাম। বর্তমান সিরিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন, লেবানন, সাইপ্রাস ও তুরষ্কের কিছু অঞ্চল (হাতাই প্রদেশ ও আরো কিছু এলাকা) নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল। শামের ফজিলত এবং গঠন-প্রকৃতি নিয়ে নবীজি হাদীসে অসংখ্যবার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আখিরুজ্জামানের সাথে ওৎপ্রতভাবে জড়িত এই ভূমি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় শাম আল্লাহর ভূমির মধ্যে উত্তম ভূমি (সুনানে আবু দাউদ। হাদীস নং ২৪৮৩) হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর
বাইয়াত কত প্রকার
বাইয়াত কত প্রকার – বাইয়াতের গুরুত্ব ইসলামে অনেক বেশি। কালিমায়ে তাইয়্যেবা পড়ার মাধ্যমেই আল্লাহর আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নেই। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে খালদুন রহ. (১৩৩২-১৪০৬ খ্রি./৭৩২-৮০৮ হি.) বলেন, বাইয়াত বা বাইআত মানে হলো আনুগত্যের উপর চুক্তি করা। বাইয়াত বা বাইআত গ্রহণকারী তার আমীরের নিকট নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ক্ষমতা সোপর্দ করবে। উক্ত বিষয়গুলোতে সে আমীরের বিরোধিতা করবে না। কোনো বিষয়ে বাইয়াত করার পর আমির তাকে যা আদেশ করবে, তা বাইয়াতকারীর পালন
জীবন বীমা কি ?
জীবন বীমা কি – কোনো ব্যক্তির যদি এই আশংকা হয়, আমার সন্তানরা ছোট। আর আমারও জীবন হারানোর ভয় আছে, সেই ব্যক্তি বর্তমানে জীবন বীমা করে থাকে। জীবন বীমা করার জন্য উক্ত ব্যক্তি বীমা কোম্পানীর নিকট প্রথমত আবেদন করে। তারপর কোম্পানী একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে বীমাকারী ব্যক্তির বডি চেক আপ করায়। এরপর ডাক্তার একটা রিপোর্ট লিখে, ‘আনুমানিক এই ব্যক্তি xyz বছর বাঁচবে’। এরপর উক্ত ব্যক্তি কিস্তিতে বীমা কোম্পানীকে টাকা প্রদান করে

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই