আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
মুসলমানদের বড় শত্রু কারা
মুসলমানদের বড় শত্রু কারা – পৃথিবীতে দুইটি জাতি মুহাম্মাদ ﷺ এর সময় থেকেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে একত্রে ষড়যন্ত্র করে আসছে। মুশরিক এবং ইহুদিরা। সাধারণত ইহুদি-খ্রিষ্টানরা যদিও পরস্পর কাছাকাছি মুসলমানদের বিরুদ্ধে। কিন্তু মুশরিকরা খ্রিষ্টানদের চেয়েও এক ধাপ অগ্রসর। তাইতো যখন মক্কার মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামল তখন তাদের পরামর্শদাতা ছিল মদীনার ইহুদিরা।
সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার
সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার – সম্প্রতি বাংলাদেশে কিছু আলেম ও দ্বীনী ভাইদের উদ্যোগে হিজড়া সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা মসজিদ তৈরি করা হয়। যাতে তারা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারে। সাধারণত হিজড়ারা বিভিন্ন রকম পোশাক পরিধান করার কারণে আমাদের মসজিদগুলোতে যেতে পারে না। আমাদের কালচার তাদেরকে মেনে নিতে পারে না।
জামায়াত নিষিদ্ধ থেকে জঙ্গী কার্ড
জামায়াত নিষিদ্ধ থেকে জঙ্গী নিষিদ্ধ – বাংলাদেশের মানুষকে আওয়ামী সরকার দমন করতে কয়েকটি রোল প্লে করে। যদি দেখতে সেক্যুলার হয় তাহলে সে বিএনপি। আর যদি সে ইসলামপ্রিয় হয় তাহলে জামায়াত শিবির। আর যদি হুজুর হয় তাহলে জঙ্গী। এগুলো বাংলাদেশের কমন ট্যাগ। দেশ যেহেতু চলে গণতান্ত্রিকভাবে, তাই এখানে বেশ কিছু গণতান্ত্রিক
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো
সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা
সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা – ২০২৪ সালের নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে জানুয়ারীর প্রথম দিকেই। বর্তমানে বইটির ক্লাসও ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত করছে। বিগত বছরের কিছু সমস্যার কারণে এবার ভেবেছিলাম, হয়তো এই বছর বইটি কলঙ্কমুক্ত থাকবে। নৈতিকতা বিবর্জিত পাঠ্য বইটিতে থাকবে না। আমরা এই বইটি শুরু
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায়
সর্বশেষ প্রকাশিত
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই
আত্মমর্যাদার নিঃশব্দ কান্না
আত্মমর্যাদার নিঃশব্দ কান্না – বাংলাদেশের ঘটনা। ৭ নভেম্বর ২০২৫ এ আমার চোখে পড়ে। ঘটনাটি এই দিনেই ঘটেছে বা তার আগের দিন। ঘটনাটি দিনাজপুরের। একটি ক্লিনিকে সন্তান জন্মদানের পর মা সন্তানকে রেখে পালিয়ে যায়। সাথে একটি চিরকুট লিখে যায়। তাতে লেখা ছিল, “আমি মুসলিম। আমি একজন হতভাগী। পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চাটিকে রেখে গেলাম। দয়া করে কেউ নিয়ে যাবেন। বাচ্চার জন্ম তারিখ ০৪-১১-২৫। আমি মুসলিম জাতির মেয়ে।” ঘটনাটা একদিকে আতঙ্কের, আরেক দিকে
বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক?
বোরকা কি ফ্যাশন নাকি শরীয়াহ নির্দেশিত পোশাক? নারীদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা নিজেদের শরীর গায়রে মাহরামের নিকট হতে ঢেকে রাখ। এছাড়াও নারীদের পুরো শরীর সতরের অন্তর্ভূক্ত। তাই এখন তাদের শরীরের কতটুকু ঢাকা ওয়াজিব, এটি নিয়ে ফুকাহায়ে কেরামের মধ্যে মূলগত তেমন কোনো ইখতিলাফ নেই। কাজের সুবিধার্থে হাতের কব্জি পর্যন্ত ও চোখ খোলা রাখাকে জায়েজ বলেছেন আলেমরা। ইসলামী ইতিহাস থেকে জানা যায়, নারী সাহাবীরা ও তাবেয়ীরা এত বড় কাপড় পরিধান করতেন যে, তাদের
শাতিম ইস্যু
বছরে কয়েকবার যে-ই ইস্যুটি সামনে আসে, সেটি হলো শাতিম ইস্যু । নবীজি ﷺ কে গালি দেওয়া, তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা, উম্মাহাতুল মুমিনিনদের নিয়ে কটূক্তি করা, আল্লাহকে গালি দেওয়াসহ অনেকগুলো বিষয় এই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। তবে এর সূচনাটা হয় ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করেই। দেশে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করার ব্যক্তিদের অভাব নেই। এর বড়ো একটি অংশ বাঙ্গালি মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এই অংশটি সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের আদর্শের কাছাকাছি। উপমহাদেশের হিন্দুদের আধিপত্য সাহিত্য এবং
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি
ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা , এটা এক কথায় দেখিয়ে দেওয়ার উপায় নেই। এককালে যারা এর বিরোধিতা করতো আজ দেখা যাচ্ছে, তারা এর পক্ষে সাফাই গাইছে। বাংলাদেশে যত রাজনৈতিক দল আছে, হোক বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী, উভয়েরই মূল লক্ষ্য সেক্যুলারিজম। আর সেক্যুলার হতে গিয়েই তারা পশ্চিমাদের মিত্রে পরিণত হয়। পশ্চিমা দুনিয়া হলো, বর্তমান পৃথিবীর সবেচেয়ে পাপিষ্ঠ ভূমি। এমন কোনো পাপ নেই যে, তারা করছে না। আল্লাহ তা’আলা হাজার হাজার বছর আগে লূত
সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা
সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা – ২০২৪ সালের নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে জানুয়ারীর প্রথম দিকেই। বর্তমানে বইটির ক্লাসও ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত করছে। বিগত বছরের কিছু সমস্যার কারণে এবার ভেবেছিলাম, হয়তো এই বছর বইটি কলঙ্কমুক্ত থাকবে। নৈতিকতা বিবর্জিত পাঠ্য বইটিতে থাকবে না। আমরা এই বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ি। এরপর দেখলাম, অনেক রকম ভুল তথ্য ও বিকৃত তথ্য এই বইটি জুড়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই
ভয়াবহ ফিতনা এবং মুসলমানদের করণীয়
ফিতনা হলো পরীক্ষা। চলাচলের রাস্তায় উৎ পেতে থাকা ফাঁদ। পৃথিবীতে রয়েছে ভয়াবহ ফিতনা এবং বিপদের ছড়াছড়ি। সম্পদের ফিতনা, অভাবের ফিতনা, নাম না জানা কত ফিতনা আছে, তার কোনো হিসাব নেই। ফেতনার এই মূহুর্তে মুসলমানদের করণীয় কি, সেটি একজন মুসলমানের জানা উচিৎ। নবীজি সা. পৃথিবীর এত লাখো লাখো ফিতনার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফিতনা বলে আখ্যা দিয়েছেন নারীঘটিত ফিতনাকে। সহীহ বুখারীর ৫০৯৬ নং হাদীসে নবীজি সা. ইরশাদ করেন, হাদীসটি হযরত উসামা ইবনে
আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন
আল্লাহ কত দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন – পৃথিবী সৃষ্টির শুরুর সময়টা কেমন ছিল, তা জানতে ইচ্ছে হয় আমাদের। বিজ্ঞান আমাদের এই জানতে চাওয়ার কামনা পূরণ করতে বিভিন্ন থিউরি উল্লেখ করে থাকে। একটা কথা চিরসত্য যে, বিজ্ঞান সদা পরিবর্তনশীল। তাই বিজ্ঞানের কোনো কথা কুরআনের বিপরীত হলে একজন মুসলিম কিংবা জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে কুরআনের কথাকেই মূল হিসেবে বিবেচনা করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদীসের বিভিন্ন বর্ণনার দ্বারা আমরা আল্লাহর
যেই দশটি আমল করলে ফেরেশতারা দোয়া করে
যেই দশটি আমল করলে ফেরেশতারা দোয়া করে – প্রতিনিয়্যত আমরা বিভিন্ন আমল করি। আমাদের আমলের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। ইবাদাতের ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’আলা আমাদের বেশ কিছু গিফট দিয়েছেন। এসব গিফটগুলোর মধ্যে একটি হলো অন্যের মাধ্যমে দোয়া করানো। এর মানে অপর কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে দোয়া করানো নয়। স্বয়ং ফেরেশতাদের দিয়ে দোয়া করানো। ফেরেশতারা হলো নিষ্পাপ। ইবনে বাত্তাল রহ. বলেন, ফেরেশতাদের দোয়া কবুল হয়। সুতরাং আমরা যদি এমন কিছু
নামাজ শিক্ষা
নামাজ শিক্ষা – একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই জানি, ইসলামের ফরজ বিধান ৫ টি। এই পাঁচটি হলো, মুসলিম হওয়ার পর প্রথম কর্তব্য। কেউ যদি মুসলমান হওয়ার পর উক্ত পাঁচটি বিধানকে ফরজ হিসেবে না মানে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আর কেউ যদি উক্ত বিধানগুলোকে অস্বীকার করে, তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কালিমা নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত নামাজ কেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি কালিমায়ে তায়্যিবা পড়ে মুসলমান হওয়ার
প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে
প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে – পৃথিবীতে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কত রকম প্রাণীকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির বয়স ৩০ লাখ বছর। আল্লাহ শুরুতে আদম আ. কে পাঠিয়েছিলেন। এরপর একে একে আরো কত মানুষ পাঠিয়েছেন। মানুষ পাঠানোর এই ধারাবাহিকতা কখনোই শেষ হয় নি। মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে। হঠকারিতায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও আল্লাহ মানুষ পাঠানো বন্ধ করেন নি। ফেরআউনের মতো মানুষ, নমরূতের
রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত
রিযিক সম্পর্কে কোরআনের আয়াত : জানেন ভাবি! আমাদের এই কুরবানীর ঈদে গরু কিনেছে এক লাখ ত্রিশ হাজার দিয়ে। : ওয়াও। এটা কি আপনারা একাই দিচ্ছেন? : হ্যাঁ। একাই। : তো এত গোশত রাখবেন কিভাবে? : আজকে আমরা ওয়ালটন শো রুম থেকে একটা ফ্রিজ কিনে আনবো। : বলছিলাম কি ভাবি, গোশতগুলো জমিয়ে না রেখে গরীব-অসহায়দের দান করলে ভাল হয় না? : আরে দূর ভাবি, কি যে বলেন। এত কষ্টের টাকা দিয়ে
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত – পৃথিবী হঠাৎ একদিন চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে যাবে। আকাশ, ভূমন্ডল, গ্যালাক্সি, সৌরজগত, অতিনবতারা, গ্রহানু সব ধুলিৎসাৎ হয়ে যাবে। হযরত ইস্রাফিল আ. এর শিঙ্গা ফুৎকারের মাধ্যমে দুনিয়ার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। মহাবিস্ফোরণের আগে দুনিয়া যেমন ছিল, হয়তো আবার তেমন হয়ে যাবে। এরপর ইস্রাফিল আ. দ্বিতীয়বার সিঙ্গায় ফুঁৎকার দিবেন। মানুষ তখন যার যার কবর হতে উঠতে থাকবে। যেখানে তার লাশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে তার পুনরুত্থান ঘটবে।

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই