আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ইউরোপের নবজাগরণ

ইউরোপের নবজাগরণ – ১৪শ শতাব্দীর পরবর্তী সময়টাকে আলোকিত যুগ, রেনেসাঁ, এনলাইটেনমেন্ট আরও বহু নামে ডাকা হয়। ইউরোপীয় চিন্তার প্যাটার্ন পরিবর্তনের মূল অবদান ছিল মুসলমানদের। খ্রিষ্টান চার্চ যখন মানুষকে জ্ঞান অর্জন করতে নিরুৎসাহিত করছিল এবং জ্ঞান অর্জনের অপরাধে কাউকে পুড়িয়ে হত্যা করছিল আবার কাউকে কারাগারে নিক্ষেপ করছিল, সেই একই সময়ে মুসলমানরা

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জীবনের হিসাব নিকাশ

জীবনের হিসাব নিকাশ – মানুষের একটা সময় কোনো অস্তিত্ব থাকে না। সে জন্ম নেয় মায়ের গর্ভ থেকে। দুনিয়ার আলো দেখতে পায়। দেখতে পায় ফোটন কণার বিচ্ছুরণ। সে বুঝতে শিখে, পৃথিবী কোনো আরাম আয়েশের জায়গা নয়। এখানে প্রতিটা মূহুর্ত লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। হয় নিজের সাথে, অন্যথায় নিজের নফসের সাথে। নবী সাল্লাল্লাহু

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

গণতন্ত্রের চোর পুলিশ খেলা

গণতন্ত্রের চোর পুলিশ খেলা – ১৮শ শতকের শেষের দিকে বিপর্যস্ত পৃথিবীতে শান্তির আলো দেখতে মানুষ সমাজ পরিবর্তনের চেষ্টা করে। সমাজের সাথে তো রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থা জড়িত। তাই তখন শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দিকেই ফোকাস দেয়া হয় বেশি। রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র মানুষকে শোষণের শেষ প্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। রাজার ছেলে রাজা হবে, বাধা দেয়ার কে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

তীব্র গরমে অস্থিরতা

তীব্র গরমে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। একটু পর পর ঠান্ডা পানি পান করেও যেন রক্ষা নেই। কিছুক্ষণ স্বস্তির পর আবার গরম! পূর্বে থেকেও ক্ষেত্রবিশেষে গরম বেড়ে যায়। অন্যান্য সময়ে গরম পড়লেও বাতাস থাকতো। এখন বাতাসও নাই। তীব্র গরমে অস্থিরতা আরো বাড়ছে। আবার যদি একটু বাতাস পাওয়া যায়, তা যেন লু হাওয়ার

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বিশ্ব মানবতা আজ কোথায়?

বিশ্ব মানবতা আজ কোথায়? – সারা বিশ্বে মানবতার ফেরি করে চলা আমেরিকার উল্টো পিঠ দেখতে পাচ্ছে সকলেই। যেই আমেরিকা ইরাকে মানবতা প্রতিষ্ঠার নামে অভিযান চালিয়েছিল, সেই আমেরিকাই ইরাকের লাখো শিশুকে হত্যা করেছে। আফগানিস্তানে বর্বরতা চালানো আমেরিকা বাংলাদেশে যখন শান্তি রক্ষার নামে কাজ করে তখন তা নিতান্তই হাস্যকর দেখায়। আমেরিকানদের অন্যতম

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

হায়দ্রাবাদের নিজাম

হায়দ্রাবাদের নিজাম শাসন – ডেকান মালভূমিতে অবস্থিত ৮২,৬৯৮ বর্গমাইল এলাকা বিস্তৃত হায়দ্রাবাদের নিজাম কর্তৃক শাসিত স্বাধীন দেশীয় রাজ্য হলো হায়দ্রাবাদ। এর চারপাশেই হলো ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। উত্তরে মধ্যপ্রদেশ, দক্ষিণে কৃষ্ণা তুঙ্গভদ্রা নদী, পশ্চিমে আহমদ নগরসহ বম্বের জেলাসমূহ, পূর্বে মাদ্রাজের কৃষ্ণা জেলা। অতীতকালে হায়দ্রাবাদ এমন জীর্ণ-শীর্ণ ও পরনির্ভর ছিল না। দাক্ষিণাত্যের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?

ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা

সপ্তম শ্রেণীর ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই পর্যালোচনা – ২০২৪ সালের নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে জানুয়ারীর প্রথম দিকেই। বর্তমানে বইটির ক্লাসও ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত করছে। বিগত বছরের কিছু সমস্যার কারণে এবার ভেবেছিলাম, হয়তো এই বছর বইটি কলঙ্কমুক্ত থাকবে। নৈতিকতা বিবর্জিত পাঠ্য বইটিতে থাকবে না। আমরা এই বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ি। এরপর দেখলাম, অনেক রকম ভুল তথ্য ও বিকৃত তথ্য এই বইটি জুড়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি: দায় কার?

সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি – জুলাই আন্দোলন শুরু থেকেই ছিল স্বার্থের উপর প্রতিষ্ঠিত। গণমানুষের চাওয়া-পাওয়াকে শুরু থেকেই থোড়াই কেয়ার করা হয়েছে। কখনো মতাদর্শের নামে, কখনো ফান্ডিং এর নামে, কখনো ধর্মের নামে আমজনতাকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনের সময় যারা কুরআনের আয়াত পড়ে মানুষকে আন্দোলনে নামতে উজ্জীবিত করেছে, তারাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে এনজিও নির্ভর সরকার গঠনে সাহায্য করেছে। যাদেরকে বিপদে পড়তে দেখে দেশের আপামর জনতা নিজেদেরকে কুরবান করেছে, তারাই দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্বহীন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া একত্রিকরণের ষড়যন্ত্র

সম্প্রতি জাগোনিউজ ডট কমের ওয়েবসাইটে ড. মতিউর রহমান সাহেবের একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যেটিতে খুবই সুকৌশলে বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠীতে একত্র করে জগাখিচুঁড়ি বানিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে পাঠকের সামনে। এখন পর্যন্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রকাশিত মতামত অনুযায়ী, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ আলাদা দুটি জিনিষ। ট্রান্সজেন্ডার বলা হয় একশ্রেণীর মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের। যারা সমকামিতার মতো বিকৃতি কুরুচিপূর্ণ যৌনব্যবস্থাকে সমর্থন করে। এছাড়াও ট্রান্সজেন্ডাররা নিজেদের নিকৃষ্ট কামনা-বাসনা পূরণার্থে নিজেকে ছেলে থেকে মেয়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

উবায়দুল্লাহ মাহদী

সে উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো ইরাকী বংশদ্ভূত একজন ব্যক্তি। ২৬০ হিজরীতে কুফায় জন্মগ্রহন করে সে।  জন্মের পর থেকেই সে উত্তর শামে অবস্থান করে।  সেখানে তার নাম ছিল, সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মায়মূন আল কাদ্দাহ। ১ সালামিয়া শহর সালামিয়া শহরে মৃত্যুবরণ করে আলি বিন হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন জাফর সাদেক। ইসমাঈলিরা তার নামে অনেকগুলো মাজার প্রতিষ্ঠা করে। উবায়দুল্লাহ মাহদী সিদ্ধান্ত নেয়, আধ্যাতিক বিবাহের মাধ্যমে ইসমাইল

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি

শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি – মুসলিম উম্মাহর মধ্যে সর্বপ্রথম ফিতনা ছিল উসমান রা. এর শাহাদাতের ঘটনা। যা নিকৃষ্ট ইহুদি আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বার প্ররোচনায় ঘটে। পরবর্তীতে আলী রা. এর শাসনামলে আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা তার স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নতুন একটি চিন্তাধারা মুসলিমবিশ্বে আমদানি করে। এটিকেই ইতিহাসে “শিয়া মতবাদ” বলা হয়। শিয়াদের মধ্যে পরবর্তীতে অনেক দল-উপদল তৈরি হয়। এর মধ্যে কিছু দল সরাসরি আল্লাহর সাথে শিরকে লিপ্ত। এখানে শিয়াদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আহনাফ বিন কায়েস – আমার কথাও কুরআনে আছে!

আহনাফ বিন কায়েস নামক একজন আরব সর্দারের কথা বলছি। তিনি ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা। তার সাহস ও শৌর্য ছিলো অপরিসীম। তার তলোয়ারে ছিলো লক্ষ যোদ্ধার জোর। ইসলাম গ্রহণ করার পর আল্লাহর নবী (সাঃ)-কে দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি, তবে নবীর বহু সাথীকেই তিনি দেখেছেন। এদের মধ্যে হযরত আলীর (রাঃ) প্রতি তার শ্রদ্ধা ছিলো অপরিসীম। একদিন তার সামনে এক ব্যক্তি কোরআনের এই আয়াতটি পড়লেন, لَقَدۡ اَنۡزَلۡنَاۤ اِلَیۡکُمۡ کِتٰبًا فِیۡهِ ذِکۡرُکُمۡ ؕ اَفَلَا

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম

পূর্ববর্তীদের অনুসরণ ও ইসলাম – মানুষ অনুকরণ ও অনুসরণ করতে পছন্দ করে। প্রাচীনকাল থেকেই এটি ঘটে আসছে। বনী ইসরাইলের বাছূর পূজার কথা নিশ্চয় মনে আছে। মুসা আ. যখন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কোন জিনিষ তোমাদের বাছুরের পূজা করতে উদ্বুদ্ধ করেলো? তখন তারা বললো, আমরা তো আমাদেরকে দেয়া সম্পদগুলো আগুনে নিক্ষেপ করি। তারপর পুড়ে যাওয়া সম্পদ দিয়ে সামেরি একটি বাছুর নির্মাণ করে। আর সেটা ডেকে উঠে। তাই ভাবলাম, সেটাই হয়তো আমাদের ইলাহ্।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বোরকার ফাঁদ

হিজাব বা বোরকা হলো নারীদের অবয়ব ঢেকে রাখার মাধ্যম। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেকে পর-পুরুষ থেকে হেফাজতে রাখবে। নিজেরা নিরাপদ থাকবে। কিন্তু পর্দার এই উপায়টিকেই যখন সৌন্দর্য প্রকাশের মাধ্যম হয়ে যায় তখন তাকে বলা হয় বোরকার ফাঁদ বা হিজাব ট্র্যাপ। বর্তমানে হাতেগোনা খুব অল্প নারীরাই আছেন, যারা একমাত্র শরীয়াহর নিয়ম পালনার্থে বোরকা পরিধান করেন। অধিকাংশ নারী বোরকা পরিধান করেও সেখানে নানান স্টাইল ধারণ করে দ্বীনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখান। আবার কেউ কেউ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মিথ্যা বলার শাস্তি

মিথ্যা বলার শাস্তি – দরসে কুরআনে আজ আমাদের শায়েখ সূরা তূর নিয়ে আলোচনা করছিলেন। কুরআনী তাদাব্বুর তথা বুঝ না থাকার কারণে সারা জীবন এই সূরা কতবার পড়েছি, কিন্তু একবারও অর্থ বুঝি নি। আজ বারবার দরসে বসে মনে হচ্ছিল, আল্লাহ এমন কথা বলেছেন অথচ আমি এই সম্পর্কে অজ্ঞ! এটা চিরসত্য যে, কুরআনী তাদাব্বুর একদিনে তৈরি হয় না। আবার শুধুমাত্র বঙ্গানুবাদ দেখে তেলওয়াত করলেও তাদাব্বুর এতটা অর্জিত হয় না। মূল আরবি থেকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা

দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীকে বলেছেন, মানুষকে একত্ববাদের দিকে ডাক। এরপর নওমুসলিম সাহাবারাও এই কাজ করেছেন। সূরা আলে ইমরানের ১১০ নং আয়াত کُنۡتُمۡ خَیۡرَ اُمَّۃٍ اُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ تَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اٰمَنَ اَهۡلُ الۡکِتٰبِ لَکَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ مِنۡهُمُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ وَ اَکۡثَرُهُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top