আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

আব্দুর রহমান আল হাসান

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ফিলিস্তিন আসলে কার

ফিলিস্তিন আসলে কার লেখাটির মূল শিরোনাম হলো, “ফিলিস্তিনের ভূমিপুত্র কারা?” লিখেছেন: জাবের আহমাদ ফিলিস্তিন প্রাচীনকাল থেকেই একটি সমৃদ্ধ ও কেন্দ্রীয় অঞ্চল। বিশেষ করে কুদস, আরিহা এবং তার পাশ্ববর্তী অঞ্চলে সুদূর প্রাচীনকালেই জনবসতী গড়ে উঠেছে। তাছাড়া এই দু’টি অঞ্চলকে প্রাচীন শহরগুলোর মধ্যে গণ্য করা হয়। এই ভূমি ইহুদী ও খৃষ্টান এবং

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বাংলাদেশে সমকামিতা মতাদর্শ বিস্তার

বাংলাদেশে সমকামিতা মতাদর্শ বিস্তার – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সময় থেকেই পৃথিবীতে আস্তে আস্তে নতুন নতুন কিছু ফিতনা আমদানি করা শুরু হয়। যেসব ফিতনা প্রাচীনকালে পৃথিবীতে থাকাবস্থায় স্রষ্টার পক্ষ হতে ধ্বংস নেমে এসেছিল। তারপরও এসব ফিতনা ছড়ানো শুরু হলে এর সাথে সাথে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু, ভাইরাসও পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গত

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে

কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে – গুম হওয়া বাংলাদেশে এখন একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। যে কেউ যে কোনো মুহুর্তে গুম হয়ে যেতে পারে। নাগরিক ইস্যু যেমন সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি গুম করাটাও সরকারের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস খুবই পিচ্ছিল। এখানে কখনো কেউ ভালো থাকতে পারে না বা দেশকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শিক্ষক হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয়

শিক্ষক হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয় – শৈশবে যখন শিক্ষকরা রাস্তার পাশ দিয়ে যেতেন আমরা তখন অন্যপাশে চলে যেতাম। শিক্ষক যদি কখনো কোনো কারণে রাগারাগি করতেন তাহলে আমরা নিজেদের সংশোধনের উপায় খোঁজতাম। শৈশবে পড়ুয়া শিক্ষকদের অনেকর খোঁজ খবর আজ আমার কাছে নেই। কিন্তু আমি তাদের শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করি আজও। আমি

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ধর্মের ইতিহাস

ধর্মের ইতিহাস – বিশ্বে এখন সেক্যুলারিজমের জয়জয়কার। এই সেক্যুলারিজমের হাত ধরেই বিশ্বে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, লিবারিলিজম, হিউম্যানিজম সহ আরও বিভিন্ন তন্ত্র-মন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাফিররা এসব তন্ত্র-মন্ত্রকে নিজেদের করে নিয়েছে এবং চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী তারা অন্য জাতির উপরও এসব জিনিস চাপিয়ে দিয়েছে। সেক্যুলারিজমের মূল ভিত্তি হলো ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্ম ও রাষ্ট্র আলাদা হওয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জান্নাতি মানুষ এর বিদায়

জান্নাতি মানুষ এর বিদায় – গত মঙ্গলবার তথা সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে আমার হারুন চাচা অসুস্থ হয়ে বাসায় আসেন। তার অসুস্থতা অনেক বেশি। বেশ কিছুদিন ধরেই তার পেট ব্যাথা ও আরো কিছু রোগ ধরেছে তার। আমরা ভেবেছি, তিনি অচিরেই সুস্থ হয়ে যাবেন। আমাদের বাসায় হারুন চাচা শনিবার পর্যন্ত অর্থাৎ ১ সেপ্টেম্বর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

বইসমূহ

সর্বশেষ প্রকাশিত

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য

মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত

ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!

লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আমরা ভালো মুসলিম

আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আধুনিক কুফর-শিরক

আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয়

ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয় – আমাদের সমাজের চারপাশে যখন আইয়ামে জাহেলিয়াতের ন্যায় নিকৃষ্ট পাপাচার ছড়িয়ে পড়ছে, তখন আমাদের নিভুনিভু ইমানের কথা মনে করিয়ে দেয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মুয়াজ্জিনের আজান। আমরা সালাতের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাই। ইমামের পেছনে সালাত আদায় করি। মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন জুমুআর সময়ে ইমাম সাহেবের আলোচনা শুনি। যা তিনি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক উপস্থাপন করেন সাধারণ মানুষদের সামনে। ইমামরা হলেন সমাজের ধর্মীয় নেতা, আধ্যাত্মিক রাহবার। মানবজীবন

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজিদের সাথে বিতর্ক

খারেজিদের সাথে বিতর্ক – হযরত আলী রা. যখন তার বাহিনী নিয়ে সিফফিন যুদ্ধ হতে কুফা নগরীতে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন খারেজিরা এক বড় দল নিয়ে আলী রা. হতে পৃথক হয়ে যায়। তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার। তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থে বিভিন্নরকম বর্ণনা রয়েছে। আল বিদায়া ওয়ান নিহায় গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার। তারিখুল

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী কে ছিলেন

আবু আব্দুল্লাহ কে ছিল? – ইয়ামান অঞ্চলকে ইসমাঈলী শিয়া মতবাদের প্রচারকেন্দ্র হিসেবে প্রথম স্থানে ধরা হতো। কারণ, সে সময় ইয়ামান আব্বাসীয় খেলাফতের দৃষ্টি থেকে দূরে ছিল। এখান থেকেই তারা গোপনে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করে। রুস্তম ইবনে হাওশার নামে এক লোক ইয়ামানে উক্ত সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহন করে। সে তার দলে পারসিকদের টানতে সক্ষম হয়। যে পারসিকরা ছিল মুসলমানদের চরম শত্রু। তার কাছে পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশসমূহকে শিয়া মতবাদ প্রচারের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি

শিয়া মতবাদ ও আকীদাগত বিচ্যুতি – মুসলিম উম্মাহর মধ্যে সর্বপ্রথম ফিতনা ছিল উসমান রা. এর শাহাদাতের ঘটনা। যা নিকৃষ্ট ইহুদি আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বার প্ররোচনায় ঘটে। পরবর্তীতে আলী রা. এর শাসনামলে আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা তার স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নতুন একটি চিন্তাধারা মুসলিমবিশ্বে আমদানি করে। এটিকেই ইতিহাসে “শিয়া মতবাদ” বলা হয়। শিয়াদের মধ্যে পরবর্তীতে অনেক দল-উপদল তৈরি হয়। এর মধ্যে কিছু দল সরাসরি আল্লাহর সাথে শিরকে লিপ্ত। এখানে শিয়াদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সাবায়ী ফেতনা ও বিরুদ্ধাচরণ

 হযরত উসমান রা. এর খেলাফতের শেষ ছয় বছরের দিকে সাবায়ী ফেতনা তথা আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার ফেতনা ভালোভাবেই শেকড় গেড়েছিল। ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে টুকরো টুকরো করা এবং গৃহযুদ্ধ উসকে দেয়াই ছিল তাদের টার্গেট। হযরত উসমান রা. এর গুরুত্বপূর্ণ গভর্নরদের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের ব্যাপারে মিথ্যা অভিযোগ তুলতে লাগলো। তারা প্রথমে এই কথা উঠালো যে, হযরত উসমান রা. স্বজনপ্রীতি করেন। আর অন্যদের বঞ্চিত করেন। আরো বলা হয় যে, উসমান রা. প্রবীণদের বাদ দিয়ে যুবকদের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি

ধর্মনিরপেক্ষতার মুখস্ত বুলি – এনলাইটেনমেন্টের পর থেকেই পাশ্চাত্য সমাজে জীবনকে দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছে। একটি হলো, ব্যক্তিগত জীবন। আরেকটি হলো, সমষ্টিগত জীবন। ব্যক্তিগত জীবনে আপনি ধর্ম মানবেন কি মানবেন না, এটা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ একাকী ধর্মীয় ইবাদত করতে করতে ‘শহীদ’ হয়ে যাক, তাতে রাষ্ট্রের কিছু যায়-আসে না। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে ধর্মকে টেনে আনা বারণ। এখানে প্রয়োগ হবে হিউম্যান রাইটস মতাদর্শ। এখানে প্রত্যেক কাজে ধর্মকে টেনে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ধৈর্যধারণের গুরুত্ব

ধৈর্যধারণের গুরুত্ব – লিখেছেন রাসিখ আওয়াব আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আজকে আমি আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা পেশ করবো তা হলো, সবর তথা ধৈর্যধারণের গুরুত্ব, কারণ মানুষের জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য এবং সকল প্রকার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য যে সকল গুণ আবশ্যক ধৈর্য তথা সবর তাদের মধ্যে অন্যতম৷  সবর তথা ধৈর্যের যে পয়েন্টগুলো নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করবো সেগুলো হলো –    ১. ধৈর্য কাকে বলে?   ২. ধৈর্য

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়

যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মাহরাম কারা

সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ মাহরাম কারা এ সম্পর্কে বলেন, حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

লাখ লাখ অনুসারী দিয়ে কি হবে

আপনার লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে। লাখ লাখ ফলোয়ার রয়েছে। আপনার ফেইসবুক, ইনস্ট্রাগ্রাম, ইউটিউব বা অন্য সোস্যাল অ্যাকাউন্টের রিচ অনেক বেশি। আপনার ব্লু ব্যাজও রয়েছে অ্যাকাউন্টে। আপনার একটা কথার দাম অনেক। বহু মানুষ আপনাকে অনুসরণ করে। বহু মানুষ আপনার সাজেশন ফলো করে। আপনি কি আপনার এই জোশ-খ্যাতিকে ইসলামের জন্য ব্যয় করছেন? আপনি কি আপনার লাখ লাখ অনুসারী বা ফলোয়ারদের নিকট ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন? বর্তমান সময়ের এই যুগে মানুষ সহজেই অন্যের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

রিজিক কি নির্ধারিত

রিজিক কি নির্ধারিত – মানুষের জীবনে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে যতটা না পেরেশান থাকতে হয়, অন্য কোনো কাজে বোধহয় এতটা পেরেশান কেউ হয় না। প্রতিদিন তিনবেলা বা দুবেলা কিংবা অন্তত একবেলা খাবার যেন আমাদের লাগেই। এছাড়া আমরা শরীরের শক্তিমত্তা হারাতে পারি। দুর্বলতা আমাদের গ্রাস করে নিবে। রিযিক নিয়ে এত পেরেশানী কখনো কখনো আমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তাওয়াক্কুল করা থেকে আমাদের বাধা দেয়। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, যে আল্লাহর উপর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

কথার আঘাত

কথার আঘাত – বেঁচে থাকার জন্য যেমন আমাদের অক্সিজেন প্রয়োজন তেমনি মনের ভাব পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য আমাদের কথা বলা প্রয়োজন। মনের ভাব প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো কথা বলা। কথার মাধ্যমে একটি বিষয় যত সহজে বুঝানো যায়, লিখেও ততটা সহজে বুঝানো যায় না। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে যবান দিয়েছেন কথা বলার জন্য। যবানের মাধ্যমে আমরা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি। পবিত্র কুরআনের সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৫৩ এ বলেন, وَ قُلۡ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
মীর মাসজিদি খান

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর

আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইয়াহইয়া সিনওয়ার
ফিলিস্তিন

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী

ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
নেই আর ইসমাইল হানিয়া
ফিলিস্তিন

নেই আর ইসমাইল হানিয়া

নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
শায়খ আহমেদ ইয়াসিন
ফিলিস্তিন

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম
ফিলিস্তিন

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী

শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন ‍মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
হযরত উসমান রাঃ
উসমান রা.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥
Scroll to Top