আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
হীনমন্যতা থেকে মুক্তি
হীনমন্যতা থেকে মুক্তি – সকালবেলা বইটা নিয়ে আবার বসলাম। প্রতিদিনই কয়েক পৃষ্ঠা করে পড়ার চেষ্টা করি। প্রতিদিন পড়ি। থমকে যাই। আবার শুরু করি। আবার থমকে যাই। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করি, এত যে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ করছো, আদৌ কি আমল করেছ একটাও? তারপরও পড়ি। অনেকটা পড়ার জন্য পড়া আরকি। যদি
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো
বিখ্যাত ভারতীয় ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও যুগের অন্যতম মুজাদ্দিদ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এর মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো বইটি আরববিশ্বসহ এশিয়া, ইউরোপের বহু দেশে বেস্টসেলার বইয়ের মধ্যে অন্যতম। বইটি আলী নদভী রহ. লিখেছিলেন আরবী ভাষায়। যদিও তিনি ছিলেন ভারতীয়। স্থান, কাল-পাত্র অনুযায়ী উচিৎ ছিল, তা উর্দূতে লেখা। কিন্তু
বাংলাদেশে জাতিসংঘের অফিস এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা
বাংলাদেশে জাতিসংঘের অফিস এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা – দেশে মানবাধিকার বিষয়ক অফিস খুলতে ইচ্ছুক জাতিসংঘ। দৃষ্টি আকর্ষণ: অবশেষে বাংলাদেশে জাতিসংঘের অফিস খোলা হলো ১৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে। নিচে বিস্তারিত সংযুক্ত করছি এমনকি এটার জন্য বাংলাদেশের উপর জেনেভা বড় ধরণের চাপপ্রয়োগ করছে। শুরুতে যদিও সরকারপক্ষ বলেছিল, তারা এর অনুমতি দিবে না। কিন্তু
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা ? – কারা দ্যার্থহীনভাবে বলতে পারে, “ফিলিস্তিন আমাদের। অন্যরা দখলদার। এই ভূমি তাদের নয়”। যেহেতু প্রধান তিনটি ধর্মের নিকটই ফিলিস্তিনভূমি মর্যাদাপূর্ণ, তাই আজকে আমরা নিরপেক্ষভাবে এই বিষয়টা আলোকপাত করবো ইনশাল্লাহ। ইহুদিদের নিকট ফিলিস্তিন ভূমি পবিত্র হওয়ার কারণ হলো, তাদের মতে ফিলিস্তিন ছিল রাজা ডেভিডের তথা নবী
মত প্রকাশের স্বাধীনতা কোথায়
অনেকেই বলে থাকেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা তো এই যুগে অবশ্যই থাকতে হবে। কথাটা ফেলে দেওয়ার মতো নয়। একজন নিজের মত প্রকাশ করতে পারবে না, এমনটা ভাবলেই তো গা গুলিয়ে উঠে। যেন সে জেলখানায় আবদ্ধ কোনো ব্যক্তি। পৃথিবীর প্রতিটি সিস্টেম একটি নির্ধারিত লাইনে চলে। এই লাইনের বাহিরে কোনো কাজ করা মানে
হায়দ্রাবাদের নিজাম
হায়দ্রাবাদের নিজাম শাসন – ডেকান মালভূমিতে অবস্থিত ৮২,৬৯৮ বর্গমাইল এলাকা বিস্তৃত হায়দ্রাবাদের নিজাম কর্তৃক শাসিত স্বাধীন দেশীয় রাজ্য হলো হায়দ্রাবাদ। এর চারপাশেই হলো ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। উত্তরে মধ্যপ্রদেশ, দক্ষিণে কৃষ্ণা তুঙ্গভদ্রা নদী, পশ্চিমে আহমদ নগরসহ বম্বের জেলাসমূহ, পূর্বে মাদ্রাজের কৃষ্ণা জেলা। অতীতকালে হায়দ্রাবাদ এমন জীর্ণ-শীর্ণ ও পরনির্ভর ছিল না। দাক্ষিণাত্যের
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া একত্রিকরণের ষড়যন্ত্র
সম্প্রতি জাগোনিউজ ডট কমের ওয়েবসাইটে ড. মতিউর রহমান সাহেবের একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যেটিতে খুবই সুকৌশলে বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠীতে একত্র করে জগাখিচুঁড়ি বানিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে পাঠকের সামনে। এখন পর্যন্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রকাশিত মতামত অনুযায়ী, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ আলাদা দুটি জিনিষ। ট্রান্সজেন্ডার বলা হয় একশ্রেণীর মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের। যারা সমকামিতার মতো বিকৃতি কুরুচিপূর্ণ যৌনব্যবস্থাকে সমর্থন করে। এছাড়াও ট্রান্সজেন্ডাররা নিজেদের নিকৃষ্ট কামনা-বাসনা পূরণার্থে নিজেকে ছেলে থেকে মেয়ে
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ – আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা. খারেজিদের কিছু শর্তে কুফায় থাকতে দিয়েছিলেন। যেগুলো হলো, ১. অন্যায়ভাবে কারো রক্ত ঝরাবে না। ২. সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করবে না। ৩. কোনো মুসাফিরের পথ আটকাবে না। পড়ুন: খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা আর যদি খারেজিরা এসব শর্ত মান্য না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধই হবে এর সমাধান। কিন্তু খারেজিরা তাদের প্রতিপক্ষকে কাফের আখ্যা দিয়ে তাদের সম্পদকে নিজেদের জন্য হালাল ভাবতে
খারেজী ও তাদের আকীদা বিশ্বাস
খারেজী কারা এবং তাদের সংজ্ঞা দিতে দিয়ে অনেক আলেম অনেক রকমভাবে তাদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। তন্মধ্যে, আবুল হাসান আশআরী রহ.বলেন, যারা চতুর্থ খলিফা আমিরুল মুনিনীন আলী রাঃ এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে এবং তার দল ত্যাগ করেছে, তারাই হলো খারেজি। ঈমাম ইবনে হাজাম আন্দালূসী রহ. বলেন, খারেজী বলতে প্রত্যেক এমন সম্প্রদায়কে বুঝায়, যারা চতুর্থ খলিফা আলী রা. এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে কিংবা তাদের রায় বা মত গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন,
ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে
ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে – উপনিবেশ শাসনামলের পরবর্তী সময়ে যখন দখলদাররা মুসলিম ভূমি থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করল তখন একটি সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দিলো। ইউরোপিয়ানরা চাচ্ছিল, তাদেরই অনুগত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে দেশত্যাগ করতে। তারা সর্বদাই কিছু ব্যক্তিদের স্কলারশিপ দিয়ে ইউরোপ থেকে লেখাপড়া করিয়েছিল। এই ‘জাতে দেশি, চিন্তায় বিদেশি’ ব্যক্তিদের হাত ধরেই মুসলিমবিশ্বে সেক্যুলারিজমের উত্থান ছড়িয়ে পড়ে। পশ্চিমারা তখন ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের আদলে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিল।
খারেজিদের সাথে বিতর্ক
খারেজিদের সাথে বিতর্ক – হযরত আলী রা. যখন তার বাহিনী নিয়ে সিফফিন যুদ্ধ হতে কুফা নগরীতে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন খারেজিরা এক বড় দল নিয়ে আলী রা. হতে পৃথক হয়ে যায়। তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার। তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থে বিভিন্নরকম বর্ণনা রয়েছে। আল বিদায়া ওয়ান নিহায় গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক গ্রন্থে বলা হয়েছে, তাদের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার। তারিখুল
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা কে ছিল?
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা – মুসলিম উম্মাহর মাঝে সর্বপ্রথম ভুল আকিদা ও বিতর্কিত মতাদর্শের বীজ রোপণ করে একজন ইহুদী। যাকে ইতিহাসের পাতায় আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ছিল ইহুদী বংশের একজন ব্যক্তি। নিজের সুবিধার জন্য সে মুসলিম বলে পরিচয় দিত জনগণের সামনে। তার উঠাবসা ছিল সে সময়ের পাপিষ্ঠ ও মুনাফিক ব্যক্তিদের সাথে। আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা সর্বদা ইসলাম ও মুসলামাদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করায় লিপ্ত থাকতো। সময়টি
বাইয়াত কত প্রকার
বাইয়াত কত প্রকার – বাইয়াতের গুরুত্ব ইসলামে অনেক বেশি। কালিমায়ে তাইয়্যেবা পড়ার মাধ্যমেই আল্লাহর আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নেই। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে খালদুন রহ. (১৩৩২-১৪০৬ খ্রি./৭৩২-৮০৮ হি.) বলেন, বাইয়াত বা বাইআত মানে হলো আনুগত্যের উপর চুক্তি করা। বাইয়াত বা বাইআত গ্রহণকারী তার আমীরের নিকট নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ক্ষমতা সোপর্দ করবে। উক্ত বিষয়গুলোতে সে আমীরের বিরোধিতা করবে না। কোনো বিষয়ে বাইয়াত করার পর আমির তাকে যা আদেশ করবে, তা বাইয়াতকারীর পালন
আল ওয়ালা ওয়াল বারা কাকে বলে
কুরআনী নির্দেশনা অনুযায়ী আল্লাহ তা’আলা যাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে বলেছেন, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করা আর যাদের সাথে শত্রুতা রাখতে বলেছেন, তাদের সাথে শত্রুতা রাখা। এটাকেই ইসলামী শরীয়াহর পরিভাষায় আল ওয়ালা ওয়াল বারা (الولاء والبراء) বলা হয়। ইসলামে শত্রুতা রাখতে বলা হয়েছে কাফেরদের সাথে, মুরতাদদের সাথে, মূর্তিপূজকদের সাথে, ইহুদি-খৃস্টানদের সাথে। আর বন্ধুত্ব রাখতে বলা হয়েছে মুমিনদের সাথে, মুজাহিদদের সাথে। ইসলামে নবীজি সা. এর ইন্তিকালের পর থেকেই অনেকেই অনেকভাবে বিকৃত করতে চেয়েছে।
নামাজ শিক্ষা
নামাজ শিক্ষা – একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই জানি, ইসলামের ফরজ বিধান ৫ টি। এই পাঁচটি হলো, মুসলিম হওয়ার পর প্রথম কর্তব্য। কেউ যদি মুসলমান হওয়ার পর উক্ত পাঁচটি বিধানকে ফরজ হিসেবে না মানে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আর কেউ যদি উক্ত বিধানগুলোকে অস্বীকার করে, তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কালিমা নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত নামাজ কেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি কালিমায়ে তায়্যিবা পড়ে মুসলমান হওয়ার
জিজিয়া
জিজিয়া – মুসলিমরা পুরো বিশ্বে ইসলাম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভূখণ্ড জয় করেন। এই সময়ে উক্ত ভূখণ্ডগুলোকে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। জিযিয়া সাধারণত দুই প্রকার। এক, পারস্পরিক সম্মতি ও সমঝোতার ভিত্তিতে ধার্যকৃত পরিমাণ। দুই, কাফিরদের উপর বিজয়লাভ করার পর উক্ত ভূখণ্ডের কাফিরদের সহায়-সম্পত্তির উপর বহাল রেখে শাসক নিজেই এই করের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। এদেরকে আহলুয জিম্মা বলা হয়। জিজিয়া নেওয়া হয় হয় কাফিরদের নিরাপত্তার জন্য। মুসলিমদের অধীনস্থ থেকে তারা স্বাধীনভাবে
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব
ধৈর্যধারণের গুরুত্ব – লিখেছেন রাসিখ আওয়াব আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আজকে আমি আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা পেশ করবো তা হলো, সবর তথা ধৈর্যধারণের গুরুত্ব, কারণ মানুষের জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য এবং সকল প্রকার সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য যে সকল গুণ আবশ্যক ধৈর্য তথা সবর তাদের মধ্যে অন্যতম৷ সবর তথা ধৈর্যের যে পয়েন্টগুলো নিয়ে আমি আজকে আলোচনা করবো সেগুলো হলো – ১. ধৈর্য কাকে বলে? ২. ধৈর্য
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত – পৃথিবী হঠাৎ একদিন চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে যাবে। আকাশ, ভূমন্ডল, গ্যালাক্সি, সৌরজগত, অতিনবতারা, গ্রহানু সব ধুলিৎসাৎ হয়ে যাবে। হযরত ইস্রাফিল আ. এর শিঙ্গা ফুৎকারের মাধ্যমে দুনিয়ার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। মহাবিস্ফোরণের আগে দুনিয়া যেমন ছিল, হয়তো আবার তেমন হয়ে যাবে। এরপর ইস্রাফিল আ. দ্বিতীয়বার সিঙ্গায় ফুঁৎকার দিবেন। মানুষ তখন যার যার কবর হতে উঠতে থাকবে। যেখানে তার লাশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে তার পুনরুত্থান ঘটবে।

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই