আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
তীব্র গরমে অস্থিরতা
তীব্র গরমে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। একটু পর পর ঠান্ডা পানি পান করেও যেন রক্ষা নেই। কিছুক্ষণ স্বস্তির পর আবার গরম! পূর্বে থেকেও ক্ষেত্রবিশেষে গরম বেড়ে যায়। অন্যান্য সময়ে গরম পড়লেও বাতাস থাকতো। এখন বাতাসও নাই। তীব্র গরমে অস্থিরতা আরো বাড়ছে। আবার যদি একটু বাতাস পাওয়া যায়, তা যেন লু হাওয়ার
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা কে ছিল?
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা – মুসলিম উম্মাহর মাঝে সর্বপ্রথম ভুল আকিদা ও বিতর্কিত মতাদর্শের বীজ রোপণ করে একজন ইহুদী। যাকে ইতিহাসের পাতায় আব্দুল্লাহ ইবনে সা’বা নামে উল্লেখ করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ছিল ইহুদী বংশের একজন ব্যক্তি। নিজের সুবিধার জন্য সে মুসলিম বলে পরিচয় দিত জনগণের সামনে। তার উঠাবসা ছিল সে
এই ভূখন্ডে আমাদের ভবিষ্যত কি?
এই ভূখন্ডে আমাদের ভবিষ্যত কি – দলে দলে গ্রেপ্তার হচ্ছে। রাস্তায় মোবাইল চেক হচ্ছে। ঘরের দরজায় হঠাৎ টোকা দিয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে, “এখানে কি ছাত্র আছে?” কেউ দরজা না খুললে দরজায় মার্কার দিয়ে suspended শব্দ লিখে রাখা হচ্ছে। আপনাকে আমি গাজ্জার ঘটনা শোনাচ্ছি না। কাশ্মীরের ঘটনাও নয়। আরাকানের ঘটনাও নয়।
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো
বিখ্যাত ভারতীয় ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও যুগের অন্যতম মুজাদ্দিদ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এর মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো বইটি আরববিশ্বসহ এশিয়া, ইউরোপের বহু দেশে বেস্টসেলার বইয়ের মধ্যে অন্যতম। বইটি আলী নদভী রহ. লিখেছিলেন আরবী ভাষায়। যদিও তিনি ছিলেন ভারতীয়। স্থান, কাল-পাত্র অনুযায়ী উচিৎ ছিল, তা উর্দূতে লেখা। কিন্তু
আত্মমর্যাদার নিঃশব্দ কান্না
আত্মমর্যাদার নিঃশব্দ কান্না – বাংলাদেশের ঘটনা। ৭ নভেম্বর ২০২৫ এ আমার চোখে পড়ে। ঘটনাটি এই দিনেই ঘটেছে বা তার আগের দিন। ঘটনাটি দিনাজপুরের। একটি ক্লিনিকে সন্তান জন্মদানের পর মা সন্তানকে রেখে পালিয়ে যায়। সাথে একটি চিরকুট লিখে যায়। তাতে লেখা ছিল, “আমি মুসলিম। আমি একজন হতভাগী। পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাচ্চাটিকে
কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে
কেন এত গুম হয় বাংলাদেশে – গুম হওয়া বাংলাদেশে এখন একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। যে কেউ যে কোনো মুহুর্তে গুম হয়ে যেতে পারে। নাগরিক ইস্যু যেমন সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি গুম করাটাও সরকারের কাছে এখন গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস খুবই পিচ্ছিল। এখানে কখনো কেউ ভালো থাকতে পারে না বা দেশকে
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা
ভালোবাসা দিবস নিয়ে কিছু কথা – ইংরেজ ও পশ্চিমাদের একটা বিখ্যাত থিউরি আছে, ডিভাইড এন্ড রুলস। তথা ভাগ করো এবং শাসন করো। এখানে শাসন করা মানে অনেক কিছুই হতে পারে। রাজ্য শাসন করা, দেশ শাসন করা, মন-মস্তিষ্ক শাসন করা, অনুভূতি শাসন করা ইত্যাদি। প্রথম দুইটি উদাহরণ যতটা সহজে বুঝা যায়, শেষ দুইটি উদাহরণ বুঝতে ততটাই বেগ পেতে হবে। একটু অন্যদিক থেকে আসি। ইংরেজদের শাসনামলে বাংলায় অনেক জমিদার ছিল। তাদের বেশিরভাগ
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় রবিবার পর্যন্ত আদালত স্থগিত করা হয়। যথারীতি রবিবারে আদালত বসে। এদিকে পূর্বেই চট্টগ্রাম আদালতে উগ্র হিন্দুদের আগমণের খবর পেয়ে অনেক
শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার
শাহবাগী বনাম শাহবাগ বিরোধী সেক্যুলার – ২০১৩ সালে যখন শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চে আন্দোলন শুরু হলো, এরপর থেকেই সেক্যুলার সমাজের কেউ কেউ এটির বিরোধিতা শুরু করল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার কর্মী, দৈনিক পত্রিকা ও সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকও এই আন্দোলনের বিরোধিতা শুরু করে। কিন্তু কেন? শাহবাগী বামপন্থিদের মূল টার্গেট ছিল সংস্কৃতির উপর। তাই প্রথমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করে। ক্রমে ক্রমেই এটি ইসলামবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এই সময়টাতে
ট্রান্সজেন্ডার কি
ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়, রুপান্তরকামীকে। অর্থাৎ মানুষের জন্মগত জেন্ডার (পুরুষ বা মহিলা) পরিচয়কে বাদ দিয়ে নিজের মতো জেন্ডার নির্ধারণ করা। একজন ব্যক্তি জন্মগতভাবে হয় পুরুষ হবে অথবা মহিলা হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম তথা হিজড়াও দেখা যায়। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া কখনোই এক জিনিষ নয়। একজন পুরুষ যদি নিজেকে মহিলা দাবী করে, তাহলে সে ট্রান্সজেন্ডার (মহিলা) হিসেবে পরিচিত। একজন মেয়ে নিজেকে পুরুষ দাবী করলে, সেও ট্রান্সজেন্ডার (পুরুষ) হিসেবে পরিচিত হবে। এমন
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার
নাটকের নামে সমকামিতা প্রচার – ওয়ালটন দেশের নামকড়া একটি কোম্পানী। Walton এর ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ দেশজুড়ে বিখ্যাত। বছরখানেক আগে একটি ভিডিওতে ওয়ালটনের মালিককে দেখেছিলাম। পাঞ্জাবি, টুপি পরিহিত পাক্কা একজন হুজুর। বহু আগ থেকেই বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডারের আড়ালে সমকামিতা প্রচার করছে ব্র্যাক, বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার ও আরো কিছু প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গ। ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফান্ড পেয়ে এই বিকৃত রুচির যৌনাচার এই দেশে প্রতিষ্ঠার পেছনে কাজ করছে তারা। প্রতি ঈদে দেশের তরুণ সমাজকে
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা , এটা এক কথায় দেখিয়ে দেওয়ার উপায় নেই। এককালে যারা এর বিরোধিতা করতো আজ দেখা যাচ্ছে, তারা এর পক্ষে সাফাই গাইছে। বাংলাদেশে যত রাজনৈতিক দল আছে, হোক বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী, উভয়েরই মূল লক্ষ্য সেক্যুলারিজম। আর সেক্যুলার হতে গিয়েই তারা পশ্চিমাদের মিত্রে পরিণত হয়। পশ্চিমা দুনিয়া হলো, বর্তমান পৃথিবীর সবেচেয়ে পাপিষ্ঠ ভূমি। এমন কোনো পাপ নেই যে, তারা করছে না। আল্লাহ তা’আলা হাজার হাজার বছর আগে লূত
রিজিক কি নির্ধারিত
রিজিক কি নির্ধারিত – মানুষের জীবনে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে যতটা না পেরেশান থাকতে হয়, অন্য কোনো কাজে বোধহয় এতটা পেরেশান কেউ হয় না। প্রতিদিন তিনবেলা বা দুবেলা কিংবা অন্তত একবেলা খাবার যেন আমাদের লাগেই। এছাড়া আমরা শরীরের শক্তিমত্তা হারাতে পারি। দুর্বলতা আমাদের গ্রাস করে নিবে। রিযিক নিয়ে এত পেরেশানী কখনো কখনো আমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তাওয়াক্কুল করা থেকে আমাদের বাধা দেয়। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, যে আল্লাহর উপর
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস
জিহাদ সম্পর্কিত আয়াত ও হাদিস – জিহাদ হলো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি মহান আল্লাহর ফরজ বিধান এবং পৃথিবীতে সত্যের বাণী পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম একটি মাধ্যম। জিহাদের বিষয়ে কুরআন-হাদীস ও ফিকহের কিতাবে যা বর্ণিত আছে, সেগুলোকে আমরা এক মলাটে তথা এক পেজে আনার চেষ্টা করেছি বাংলাভাষী মানুষদের জন্য। বর্তমানে জিহাদ নিয়ে অনেকে অনেক প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। কেউ কেউ আছে, আলেমদেরকে না জিজ্ঞাসা করেই কুরআনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা বুঝে বসে থাকে। তাই আপনি
মাহরাম কারা
সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ মাহরাম কারা এ সম্পর্কে বলেন, حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ
আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী
আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا
নামাজ শিক্ষা
নামাজ শিক্ষা – একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই জানি, ইসলামের ফরজ বিধান ৫ টি। এই পাঁচটি হলো, মুসলিম হওয়ার পর প্রথম কর্তব্য। কেউ যদি মুসলমান হওয়ার পর উক্ত পাঁচটি বিধানকে ফরজ হিসেবে না মানে তাহলে সে গুনাহগার হবে। আর কেউ যদি উক্ত বিধানগুলোকে অস্বীকার করে, তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে সাব্যস্ত করা যাবে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ কালিমা নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত নামাজ কেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি কালিমায়ে তায়্যিবা পড়ে মুসলমান হওয়ার
রমজানের গুরুত্ব ও ফজিলত
রমজানের গুরুত্ব – আরবি বারো মাসের মধ্যে এক মাস আমাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রোজাকে ফরজ করেছেন। রোজা হলো ইসলামের মৌলিক ফরজ বিধানগুলোর মধ্যে অন্যতম। রোজা এর আরবি শব্দ হলো সওম। আর শরীয়তের পরিভাষায় সওম বলা হয়, প্রত্যেক সজ্ঞান, বালেগ মুসলমান নর-নারীর সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও রোযাভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকা। রমজান মাসে মানুষের উপর পূর্ণ মাস রোজা রাখা ফরজ হয়। প্রত্যেক

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই