আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
সরকারে কেন আলেম প্রতিনিধি প্রয়োজন
সরকারে কেন আলেম প্রতিনিধি প্রয়োজন – হাসিনা সরকারের পতনের পরই দেশে নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ নিচ্ছে। যতটুকু জানতে পেরেছি, এতে অনেকটা দাবীর প্রেক্ষিতে একজন আলেম প্রতিনিধি হয়তো রাখা হচ্ছে। সাধারণত অন্তবর্তীকালীন সরকার সবক্ষেত্রে ৩-৬ মাস হয়। কিন্তু দেশে সম্ভবত এখন ৩ -৬ বছরের হবে। ধরতে গেলে এটাও আরেকটা সংসদে নির্বাচিত
লাউড স্পিকারে আযান
লাউড স্পিকারে আযান – এককালের ভারতবর্ষ আর বর্তমান ইন্ডিয়া, দুটোই সীমানা ও নামকরণের দিক থেকে প্রায় কাছাকাছি হলেও এর মধ্যে যুগ হিসেবে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। এককালের ভারতবর্ষে শুরুতে শাসন করতো সনাতন ধর্মের ব্যক্তিরা। তারা তাদের ধর্মে জাত-বর্ণ হিসেব করে পুরো জাতিকে করে ফেলেছিল কয়েকভাগে বিভক্ত। কেউ ছিল শূদ্র, কেউ ছিল
মত প্রকাশের স্বাধীনতা কোথায়
অনেকেই বলে থাকেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা তো এই যুগে অবশ্যই থাকতে হবে। কথাটা ফেলে দেওয়ার মতো নয়। একজন নিজের মত প্রকাশ করতে পারবে না, এমনটা ভাবলেই তো গা গুলিয়ে উঠে। যেন সে জেলখানায় আবদ্ধ কোনো ব্যক্তি। পৃথিবীর প্রতিটি সিস্টেম একটি নির্ধারিত লাইনে চলে। এই লাইনের বাহিরে কোনো কাজ করা মানে
রোড এক্সিডেন্ট
পত্রিকার পাতা খুললেই প্রথমে চোখে পড়ে, অমুক জায়গায় রোড এক্সিডেন্ট ঘটেছে। ঝরে গেছে দুই তিনটি প্রাণ। মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে। স্ত্রী বিধবা হয়ে গেছে।সন্তানরা এতিম হয়ে গেছে। পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কেউ বা বুক ফেঁটে চিৎকার করে কাঁদছে। কেউ বা নিরবে অশ্রু ফেলছে। কিন্তু বাস্তবে একটি বাইক এসব
আবেগি পোস্ট দিয়ে ক্ষতি করছি কেন
আবেগি পোস্ট দিয়ে ক্ষতি করছি কেন – বাংলাদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষদের বড় একটি অংশ সর্বদা আবেগে ভেসে বেড়ায়। তারা সাময়িক বিজয় দেখে আনন্দে ফেঁটে পড়ে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। গণতন্ত্রের নামে যারাই দেশে ইসলামী রাজনীতি করছে, তাদের অধিকাংশই আবেগী। তারা ভাবে, মিছিল, লোক জমায়েত, স্লোগান ও আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যেই হয়তো বিজয় আছে। সামাজিক
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা
বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম। কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়। কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায়
সর্বশেষ প্রকাশিত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি?
ভূমিকম্প শুধুই কি বৈজ্ঞানিক থিওরি? – সকাল ১০টা বেজে ৩৬ মিনিট। ২১ নভেম্বর ২০২৫ বিল্ডিংগুলো হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে কেঁপে উঠল। বড়ো বড়ো সুপারি গাছগুলো যেভাবে বাসাতে দোল খায়, ঠিক সেভাবেই বিল্ডিংগুলো নড়তে শুরু করল। শুরু হয়ে গেল আশেপাশের মানুষদের চিৎকার। মানুষ দৌড়ে নামছে বাসাবাড়ি থেকে। ঘরে বসে কাজ করছিলাম। ঠিক এমন সময়েই অনুভব করি, আমি নড়ছি। জানালার কাচগুলো ঝনঝন করে উঠছে। এত জোরে কাপুনী এই প্রথম অনুভব করলাম। ভেবেছিলাম, আজই
খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস ও বাড়াবাড়ি
খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস – মুসলিম ইতিহাসের নিকৃষ্ট জাতির মধ্যে অন্যতম হলো খারেজী সম্প্রদায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ও মহামান্য ব্যক্তিদের অবজ্ঞা দ্বারাই তাদের সূচনা হয়। তাদের প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমরা নিচে মূলকথা ও ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করছি। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি খারেজীদের ব্যাপারে একটা কথা চিরসত্য যে, তারা খুবই ইবাদাত বন্দেগী করে। সর্বক্ষণ খোদার স্বরণে মত্ত থাকে। কিন্তু তারা ইসলাম বা ধর্মকে বুঝেছে নিজেদের মন ও মত অনুযায়ী। তারা নিষিদ্ধ বিষয় থেকে খুবই
মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব
মুসলিমবিশ্বে জাতীয়তাবাদের প্রভাব – ১৫০ বছর আগে মুসলিমবিশ্বের অবস্থার দিকে অবলোকন করতে আমরা দেখতে পাই, এক নিভুনিভু খিলাফতের ছায়ায় এই উম্মাহ একত্রিত হয়ে বসবাস করছে। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া নেই, পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা নেই। পরবর্তীতে এমন কী হলো যে, খিলাফত পতনের পর এর থেকে প্রায় অর্ধশত রাষ্ট্রের জন্ম হলো? মুসলিমবিশ্বের শৌর্যবীর্য থাকাকালীন কুফফার বিশ্ব তাদের বাদ-মতবাদ মুসলমানদের উপর বর্তমানের মতো নগ্নভাবে চাপিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস করেনি। সর্বপ্রথম আব্বাসি খিলাফতের সময় মুসলমানরা পশ্চিমা
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ
নাহরাওয়ানের যুদ্ধ – আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা. খারেজিদের কিছু শর্তে কুফায় থাকতে দিয়েছিলেন। যেগুলো হলো, ১. অন্যায়ভাবে কারো রক্ত ঝরাবে না। ২. সাধারণ জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করবে না। ৩. কোনো মুসাফিরের পথ আটকাবে না। পড়ুন: খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা আর যদি খারেজিরা এসব শর্ত মান্য না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধই হবে এর সমাধান। কিন্তু খারেজিরা তাদের প্রতিপক্ষকে কাফের আখ্যা দিয়ে তাদের সম্পদকে নিজেদের জন্য হালাল ভাবতে
নারী নেতৃত্ব
অন্যান্য ধর্মের ও নারীবাদীদের খুবই পছন্দের একটি প্রসঙ্গ হলো নারী নেতৃত্ব । এজন্য কখনো কখনো মুসলমানরা যখন উক্ত ধর্মের ও চিন্তাধারার লোকদের সাথে মিলিত হয় তখন কথার জালে কিংবা আরো বিভিন্ন কার্যক্রমে তারা আস্তে আস্তে এই নারী নেতৃত্বকে পছন্দ করা শুরু করে। ইসলাম মানে যদিও আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ, কিন্তু এই মুসলিমরা একটা সময় মানসিক দাসত্ব ও শয়তানের দাসে পরিণত হয়। ইসলামের প্রথম দিকের সাহাবী, তাবেয়ী ও অন্যান্য ঈমামরা সুষ্পষ্টভাবে নারী
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
শাতিম ইস্যু
বছরে কয়েকবার যে-ই ইস্যুটি সামনে আসে, সেটি হলো শাতিম ইস্যু । নবীজি ﷺ কে গালি দেওয়া, তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা, উম্মাহাতুল মুমিনিনদের নিয়ে কটূক্তি করা, আল্লাহকে গালি দেওয়াসহ অনেকগুলো বিষয় এই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। তবে এর সূচনাটা হয় ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করেই। দেশে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করার ব্যক্তিদের অভাব নেই। এর বড়ো একটি অংশ বাঙ্গালি মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এই অংশটি সবচেয়ে বেশি হিন্দুদের আদর্শের কাছাকাছি। উপমহাদেশের হিন্দুদের আধিপত্য সাহিত্য এবং
আহনাফ বিন কায়েস – আমার কথাও কুরআনে আছে!
আহনাফ বিন কায়েস নামক একজন আরব সর্দারের কথা বলছি। তিনি ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা। তার সাহস ও শৌর্য ছিলো অপরিসীম। তার তলোয়ারে ছিলো লক্ষ যোদ্ধার জোর। ইসলাম গ্রহণ করার পর আল্লাহর নবী (সাঃ)-কে দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি, তবে নবীর বহু সাথীকেই তিনি দেখেছেন। এদের মধ্যে হযরত আলীর (রাঃ) প্রতি তার শ্রদ্ধা ছিলো অপরিসীম। একদিন তার সামনে এক ব্যক্তি কোরআনের এই আয়াতটি পড়লেন, لَقَدۡ اَنۡزَلۡنَاۤ اِلَیۡکُمۡ کِتٰبًا فِیۡهِ ذِکۡرُکُمۡ ؕ اَفَلَا
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক হবে মুহাব্বাতের। মুহাব্বাত বা ভালোবাসা শুধু একতরফা নয়। এটি পরষ্পরের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা যারিয়াতের ৫৬ নং আয়াতে বলেন, وَ مَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَ الۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ আমি জ্বীনজাতি ও মানবজাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছি। আল্লাহ তো আপনাকে ইবাদাত করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি ইবাদাত কিভাবে করবেন? নিজের মনমতো? না। তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আল্লাহ তা’আলা সূরা ইমরানের ৩১ নং
ইসলাম কি ও কেন
ইসলাম কি এমন প্রশ্ন মনে আসলে প্রথমেই এর উত্তর হবে, ইসলাম হলো একটি ধর্ম। যাতে রয়েছে একজন ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। পৃথিবীর শুরু থেকেই আল্লাহ তা’আলা বিভিন্ন নবীদের উপর বিভিন্ন ধর্ম ও শরিয়ত দিয়েছেন। যেমন: হযরত মুসা আ. কে তাওরাত দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয়, ইহুদি। হযরত ঈসা আ. কে ইনজিল কিতাব দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয় খৃস্টান। তেমনি হযরত মুহাম্মাদ সা. কে আল্লাহ তা’আলা সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআন দিয়েছেন। আর
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত
কেয়ামত সম্পর্কে কোরআনের আয়াত – পৃথিবী হঠাৎ একদিন চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে যাবে। আকাশ, ভূমন্ডল, গ্যালাক্সি, সৌরজগত, অতিনবতারা, গ্রহানু সব ধুলিৎসাৎ হয়ে যাবে। হযরত ইস্রাফিল আ. এর শিঙ্গা ফুৎকারের মাধ্যমে দুনিয়ার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। মহাবিস্ফোরণের আগে দুনিয়া যেমন ছিল, হয়তো আবার তেমন হয়ে যাবে। এরপর ইস্রাফিল আ. দ্বিতীয়বার সিঙ্গায় ফুঁৎকার দিবেন। মানুষ তখন যার যার কবর হতে উঠতে থাকবে। যেখানে তার লাশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে তার পুনরুত্থান ঘটবে।
নামাজ কি অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে?
নামাজ কি অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে? ইসলামের ফরজ বিধানগুলোর অন্যতম একটি হলো সালাত তথা নামাজ। যাকে বলা হয়, ঈমান আনয়নের পর দ্বিতীয় ফরজ। হাদীস শরীফে রয়েছে, عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু উমর রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
কুরআন নিয়ে চিন্তা ভাবনা
কুরআন নিয়ে চিন্তা ভাবনা – মানব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিপূর্ণ গ্রন্থ হলো আল কুরআনুল কারীম। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ১৪০০ বছর পূর্বে এই কিতাব নবীজি সা. এর উপর নাজিল করেছেন। রুক্ষ আবহাওয়ায়, বৈরি পরিবেশে, পাষাণ হৃদয়ের মানুষদের উপর এই কুরআন নাজিল হয়েছিল। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই অশান্ত পরিবেশকে শান্ত করেছে এই কুরআন। পাষাণ হৃদয়ের মানুষগুলো অন্তরে ভালোবাসা দিয়ে পূর্ণ করলো এই কুরআন। সর্বদা তরবারি নিয়ে যুদ্ধে অভ্যস্ত জাতিকে সভ্যতা শেখালো

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই