আসসালামু আলাইকুম

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়

Abdur Rahman Al Hasan

আব্দুর রহমান আল হাসান

মুসলিম, তালিবুল ইলম

যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়।  তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।

Ghoul Rifle জায়নবাদীদের দুঃস্বপ্ন

Ghoul Rifle – শহীদ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেড, যা ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা। তাদের ত্যাগ ও অবদান গত দশ বছর যাবৎ ফিলিস্তিনের সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। দখলদার ইহুদীবাদীদের সাথে সংঘাতের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক এবং এই দলটি ফিলিস্তিনে জিহাদকে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিশ্বের সমস্ত পাপিষ্ঠ লোকদের সমর্থিত

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

হামাসের নিকট হতে বন্দীদের মুক্তি; এক অকল্পনীয় দৃষ্টান্ত

হামাসের নিকট হতে বন্দীদের মুক্তি – গাজ্জা উপত্যকায় মিসর আর কাতারের মধ্যস্থতায় ৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে বন্দী বিনিময় করা হয় অনেক। বর্তমানে আরো ২ দিন বাড়ানো হয়েছে যুদ্ধবিরতি। এই চুক্তিতে ছিল, হামাস ৫০ জন ইসরাইলি বন্দীকে ছেড়ে দিবে। বিনিময়ে ইসরাইল ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্ত করে দিবে। পরবর্তীতে হামাস চুক্তির বাহিরেও বেশ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

শিরকুহ এর মিশর অভিযান

শিরকুহ এর মিশর অভিযান – সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. এর চাচা আসাদুদ্দীন শিরকুহ ছিলেন সুলতান নূরুদ্দিন জিনকি রহ. এর একজন বিশ্বস্ত সেনাপতি। ৫৫৯ হিজরী মোতাবেক ১১৬৪ খৃস্টাব্দে মিসরে একটি সমস্যা দেখা দেয়। তৎকালীন সময়ে মিসরের প্রধানমন্ত্রী ছিল সাওর নামক একজন ব্যক্তি। মিসর সেসময়ে ছিল ফাতেমী সাম্রাজ্য বা উবায়দি সাম্রাজ্যের এলাকা।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা

ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা – গতকাল থেকে ইসরাইলে হামাসের হামলার পর থেকে হামাস এখন পর্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। আজ রবিবার (৮ অক্টোবর ২০২৩) তারিখের সর্বশেষ পাওয়া ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধের বর্তমান সংবাদগুলো একত্রিত করার চেষ্টা করছি। ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রঈস হামাসের এই প্রতিরক্ষাকে সমর্থন করেছেন। এছাড়াও তিনি বলেছেন, ইহুদিবাদী শাসকই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সাহাবীদের খোরাসান বিজয়

সাহাবীদের খোরাসান বিজয় – হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমের রা. সারখাস এলাকাকে শক্তিমক্তার মাধ্যমে এবং তুস শহরকে সন্ধির মাধ্যমে জয় করেন। এরপর হেরাত ও বাগদিস এলাকাও নত হতে বাধ্য হয়। মার্ভের অগ্নিপূজক শাসক বার্ষিক ২২ লক্ষ দিরহাম (৯৭ কোটি ২ লক্ষ টাকা প্রায়) জিযিয়া প্রদানের শর্তে সন্ধি করে। এরপর হযরত আব্দুল্লাহ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

উসামার বাহিনী প্রেরণ

উসামার বাহিনী প্রেরণ – রাসূল সা. জীবনের শেষদিনগুলোতে রোমানদের টুটি টেপে ধরার জন্য একটা বাহিনী তৈরী করেন। যারা জিহাদে যেতে কার্পণ্য করে না। এই বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন মুতার যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং শহীদ যায়েদ বিন হারিসা রা. এর সন্তান উসামা বিন যায়েদ রা.। এই রোমানরা মুসলমানদের জন্য অনেক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সর্বশেষ প্রকাশিত

আই লাভ কুরআন

আই লাভ কুরআন একটি অনবদ্য সংকলন। একটি হৃদয়ঘটিত আবেগ-অনুভূতি। একঝাঁক চিন্তার আঁধার ও শীতলতার উপকরণ। বইটা হঠাৎ করেই হাতে পাই। তার আগে বইটা সম্পর্কে কিছু না বলা কথা বলা উচিৎ। যদিও এই ক্ষুদ্র লিখনি কারো উপকারে আসবে নাকি, জানি না। তারপরও লেখা। যদি কেউ ফিরে আসে…. প্রতিদিনকার মতোই রকমারি ও ওয়াফিলাইফ এর হোম পেজে ক্রল করছি নতুন বইয়ের খোঁজে। কোন বই সংগ্রহ করবো, এমন একটা নেশা সর্বদাই থাকে। একদিন ওয়াফিলাইফ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুলতান আব্দুল হামিদ ও ইহুদিরা

সুলতান আব্দুল হামিদ ও ইহুদিরা – সুলতান আব্দুল হামিদ দ্বিতীয় ১৮৮৭ থেকে ১৯০৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকেন। এই সময়ে উসমানী সাম্রাজ্য আর্থিক অসুবিধা এবং বিপর্যয়ের মধ্যে ভুগছিল। কিন্তু এটি তাদের ফিলিস্তিনে ইহুদিদের অভিবাসনের মুখোমুখি হতে বাধা দেয়নি। রাশিয়ার ইহুদিদের বিরুদ্ধে প্রথম সিদ্ধান্ত ১৮৮১ সালে ইহুদিরা রাশিয়ান জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডারের হত্যার সাথে জড়িত ছিল। তাই রাশিয়ান সরকার ইহুদি বণিক ও সুদখোরদের অবৈধ পদ্ধতির কারণে অর্থনীতির পতন রোধ করার জন্য ব্যবস্থা আরোপ করে।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প থাকছে

এনসিটিবি কর্তৃক জানানো হয়, নতুন কারিক্যুলামে সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প নামক সমকামিতা প্রচারকারী গল্পটি থাকছে। গত বছর থেকেই এই গল্পটি ও আরো কিছু লেখা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষিত মানুষেরা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ ও আলেমরা। বাদ যাচ্ছে শরীফার গল্প। এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হয় ১৭ মে ২০২৪ তারিখে। দেখুন নিচের বাটনগুলোতে। আমাদের মূল লেখাটিও রাখা হলো তাদের কর্মকাণ্ড বুঝার সুবিধার্থে কিন্তু তারা কারো কথা না শুনে একগুঁয়েমি করে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ক্রমবর্ধমান মুসলিম বিদ্বেষ এবং আড়ালে কারা?

ক্রমবর্ধমান মুসলিম বিদ্বেষ এবং আড়ালে কারা ? দৈনিক কালবেলা পত্রিকা “ধর্মান্তরকরণে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর নতুন মিশন!” শিরোনামে ৪ মে ২০২৪ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশন করে। যেটি লিখেছে রাজন ভট্টাচার্য। লেখাটির শিরোনাম দেখে যদিও মনে হয়, বড় কোনো শিল্পকর্ম। কিন্তু এতে রয়েছে মিথ্যাচারে ভরপুর। কালবেলার ব্যাপারে পূর্ব থেকেই অভিযোগ আছে, তাদের ভুল দেখিয়ে দেওয়ার পরও তারা তা স্বীকার করে না। কালবেলা এখানে মোটাদাগে কয়েকটি অভিযোগ উত্থাপন করে। ১. হিন্দুদের ফাঁদে ফেলে মুসলিম

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রকৃত সুখ কী

“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ  اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুরা নিসার আলোকে এতিমের অধিকার

এতিমের অধিকার – হঠাৎ করেই টেবিলের উপরে থাকা মোবাইলটি বেজে উঠলো। স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখলাম, আবিরের ফোন নম্বর এটি। রিসিপ করতেই ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে উঠলো। “ভাইজান, আমার এহন কি হইবো? আমার পিচ্চি পোলাডার কি হইবো” বলে আবিরের স্ত্রী কাঁদতে লাগলো। আমি খানিকটা সান্তনা দিয়ে বললাম, কি হয়েছে? আবিরের কি শরীর খারাপ? আবিরের স্ত্রী আয়েশা বললো, না ভাইজান। আবির আজকে সকালে মারা গেছে। বলেই তিনি ফুঁফিয়ে কেঁদে উঠলেন। খানিকটা শক

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো

বিখ্যাত ভারতীয় ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও যুগের অন্যতম মুজাদ্দিদ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এর মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো বইটি আরববিশ্বসহ এশিয়া, ইউরোপের বহু দেশে বেস্টসেলার বইয়ের মধ্যে অন্যতম। বইটি আলী নদভী রহ. লিখেছিলেন আরবী ভাষায়। যদিও তিনি ছিলেন ভারতীয়। স্থান, কাল-পাত্র অনুযায়ী উচিৎ ছিল, তা উর্দূতে লেখা। কিন্তু আরবিতে তিনি এজন্যই লিখেছেন, বইটির বিষয়বস্তু আরবদের সাথে অধিক সম্পৃক্ত। ১৯২৩ সালে মুসলিম খেলাফত ধ্বংস হওয়ার পর মুসলমানরা অভিবাবকহারা হয়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আবেগি পোস্ট দিয়ে ক্ষতি করছি কেন

আবেগি পোস্ট দিয়ে ক্ষতি করছি কেন – বাংলাদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষদের বড় একটি অংশ সর্বদা আবেগে ভেসে বেড়ায়। তারা সাময়িক বিজয় দেখে আনন্দে ফেঁটে পড়ে। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। গণতন্ত্রের নামে যারাই দেশে ইসলামী রাজনীতি করছে, তাদের অধিকাংশই আবেগী। তারা ভাবে, মিছিল, লোক জমায়েত, স্লোগান ও আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যেই হয়তো বিজয় আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করলেও এটি কখনো কখনো আমাদের জীবনকে মারাত্মক কঠিন করে দেয়। ফেসবুকে আবেগি পোস্ট দিয়ে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নিজের আত্মপরিচয়

নিজের আত্মপরিচয় – ঈমান হলো মানব জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ঈমান ছাড়া মানুষ কখনো খাঁটি ব্যক্তি হতে পারে না। স্রষ্টার আনুগত্য ঈমান ব্যতিত কবুল করা সম্ভব নয়। একজন ব্যক্তি একত্ববাদের প্রতি ঈমান আনার দ্বারা আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে গৃহিত হয়। আল্লাহ তখন তার নাম কাফেরের নাম থেকে কেঁটে মুসলিমদের নামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে দেন। এই দুইটি খাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কেউ আজীবন কাফের অবস্থায় থাকে, তাহলে সে যতই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা

খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর মুনাজারার পরে খারেজিদের মধ্য হতে প্রায় ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মতো খারেজি তাদের দলত্যাগ করে আলী রা. এর নিকট চলে আসে। এরপর হযরত আলী রা. নিজেই খারেজিদের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। ফলে তারা কুফা শহরে ফিরে আসে। কিন্তু গোঁড়ামির কারণে তারা বেশি সময় সেখানে থাকতে পারে নি। কারণ, তারা ভেবে নিয়েছিল, আলী রা. সালিশের ঘটনা থেকে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত

ট্রান্সজেন্ডার ধর্মীয়ভাবে কতটুকু সমর্থিত – ট্রান্সজেন্ডারের আরেক নাম হলো সমকামিতা। LGBT মতাদর্শের মাধ্যমে বহু আগেই কিছু বিকৃত চিন্তার মানুষেরা সমকামিতাকে সামাজিকরণের চেষ্টা করছে। যত যাই কিছুই হোক, এই কর্ম কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। রক্ষণশীল পরিবারগুলো বা বুঝমান ফ্যামিলিগুলো কখনোই এই ঘৃণিত কাজে সাড়া দেয় নি। পৃথিবীতে এই তো কিছুদিন আগেই নারী অধিকার নিয়ে কত আন্দোলন হলো। দেশে দেশে বিল পাশ হলো। নারীদের ঘর থেকে বের করে চাকুরিতে যুক্ত করে চাকর

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার

সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার – সম্প্রতি বাংলাদেশে কিছু আলেম ও দ্বীনী ভাইদের উদ্যোগে হিজড়া সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা মসজিদ তৈরি করা হয়। যাতে তারা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারে। সাধারণত হিজড়ারা বিভিন্ন রকম পোশাক পরিধান করার কারণে আমাদের মসজিদগুলোতে যেতে পারে না। আমাদের কালচার তাদেরকে মেনে নিতে পারে না। তাদেরকে সহ্য করতে পারে না। তাই তাদের জন্য আলাদা ইবাদতগৃহ নির্মাণ নিঃসন্দেহে অতি উত্তম একটি কাজ। দেশে হিজড়াদের নিয়ে আলাদাভাবে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস ও বাড়াবাড়ি

খারেজীদের আকিদা বিশ্বাস – মুসলিম ইতিহাসের নিকৃষ্ট জাতির মধ্যে অন্যতম হলো খারেজী সম্প্রদায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ও মহামান্য ব্যক্তিদের অবজ্ঞা দ্বারাই তাদের সূচনা হয়। তাদের প্রতিটা বিষয় নিয়ে আমরা নিচে মূলকথা ও ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করছি। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি খারেজীদের ব্যাপারে একটা কথা চিরসত্য যে, তারা খুবই ইবাদাত বন্দেগী করে। সর্বক্ষণ খোদার স্বরণে মত্ত থাকে। কিন্তু তারা ইসলাম বা ধর্মকে বুঝেছে নিজেদের মন ও মত অনুযায়ী। তারা নিষিদ্ধ বিষয় থেকে খুবই

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

উবায়দুল্লাহ মাহদী

সে উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো ইরাকী বংশদ্ভূত একজন ব্যক্তি। ২৬০ হিজরীতে কুফায় জন্মগ্রহন করে সে।  জন্মের পর থেকেই সে উত্তর শামে অবস্থান করে।  সেখানে তার নাম ছিল, সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মায়মূন আল কাদ্দাহ। ১ সালামিয়া শহর সালামিয়া শহরে মৃত্যুবরণ করে আলি বিন হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন জাফর সাদেক। ইসমাঈলিরা তার নামে অনেকগুলো মাজার প্রতিষ্ঠা করে। উবায়দুল্লাহ মাহদী সিদ্ধান্ত নেয়, আধ্যাতিক বিবাহের মাধ্যমে ইসমাইল

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর

নারীর ফাঁদ কতটা ভয়ঙ্কর – সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহ নারীদের দুর্বল প্রকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তাই কখনো কখনো ইচ্ছায় আবার কখনো অনিচ্ছায় তারা পুরুষদেরকে ফিতনার মধ্যে ফেলে দেন। নারীর ফাঁদ ও শয়তানের ফাঁদের মধ্যে নারীঘটিত ফাঁদকেই কুরআন বড় হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাধারণত নারীরা বাহ্যিকভাবে কোমল, নাজুক ও অবলা হয়ে থাকে। এর ফলে তাদের কথা ও অঙ্গভঙ্গিমায় দ্রুত পুরুষরা তাদের বিশ্বাস করে ফেলে। কিন্তু অভ্যাসের কারণে সেটি তাদের ছলনা হিসেবেই ধরা যায়।

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল – ইসলামিক চন্দ্র বছর অনযায়ী জিলহজ মাস হলো সর্বশেষ মাস। এই মাসকে হজের মাস বলেও অবহিত করা হয়। তাই অন্যান্য মাসের তুলনায় এই মাসের আলাদা গুরুত্ব ও ফজিলতও রয়েছে। তাছাড়া এই মাসকে যুদ্ধ-বিদ্রোহ বন্ধ রাখার মাসও বলা হয়। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এই মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের কসম করেছেন। তাই বুঝা যায়, এই মাসের গুরুত্ব কত বেশি! পবিত্র কুরআনের সূরা ফাজরের ২ নং আয়াতে

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক

আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক হবে মুহাব্বাতের। মুহাব্বাত বা ভালোবাসা শুধু একতরফা নয়। এটি পরষ্পরের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা যারিয়াতের ৫৬ নং আয়াতে বলেন, وَ مَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَ الۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ আমি জ্বীনজাতি ও মানবজাতিকে একমাত্র আমার ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছি।  আল্লাহ তো আপনাকে ইবাদাত করতে বলেছেন। কিন্তু আপনি ইবাদাত কিভাবে করবেন? নিজের মনমতো? না। তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আল্লাহ তা’আলা সূরা ইমরানের ৩১ নং

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রকৃত সুখ কী

“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ  اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে – পৃথিবীতে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কত রকম প্রাণীকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির বয়স ৩০ লাখ বছর। আল্লাহ শুরুতে আদম আ. কে পাঠিয়েছিলেন। এরপর একে একে আরো কত মানুষ পাঠিয়েছেন। মানুষ পাঠানোর এই ধারাবাহিকতা কখনোই শেষ হয় নি। মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে। হঠকারিতায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও আল্লাহ মানুষ পাঠানো বন্ধ করেন নি। ফেরআউনের মতো মানুষ, নমরূতের

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আল্লাহকে ভয় করা – ঈমানের আরেক সঙ্গী

আল্লাহকে ভয় করা একজন ঈমানদার মুমিন-মুসলমানের জন্য অবশ্য কর্তব্য। যেই আল্লাহ আমাদের লালন-পালন করছেন, আমরা তার আনুগত্য করবো, তার বড়ত্ব বর্ণনা করবো, এটাই ঈমানের দাবী। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে না, সে যা ইচ্ছা করতে পারে। দুনিয়াতে সে কোনো বিধি-নিষেধের আওতাভুক্ত হয় না। যেমনটা আমরা কাফের-মুশরিকদের ক্ষেত্রে দেখতে পাই। যেই ব্যক্তি আল্লাহকে মানে না, আল্লাহর বিধানকে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আল্লাহকে ভয় করবে? আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলছেন, یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা

দ্বীনের দাওয়াত ও প্রয়োজনীয়তা অনেক। আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীকে বলেছেন, মানুষকে একত্ববাদের দিকে ডাক। এরপর নওমুসলিম সাহাবারাও এই কাজ করেছেন। সূরা আলে ইমরানের ১১০ নং আয়াত کُنۡتُمۡ خَیۡرَ اُمَّۃٍ اُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ تَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡکَرِ وَ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اٰمَنَ اَهۡلُ الۡکِتٰبِ لَکَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ مِنۡهُمُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ وَ اَکۡثَرُهُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ

পুরো লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন ➥

আরো বিষয়ভিত্তিক লেখা

একটি সওয়াব অর্জন করতে চান?

আপনার আশেপাশে থাকা অসহায় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সহজেই আপনি আল্লাহর নিকট প্রিয় হতে পারেন। তাদের রিযিকের ব্যবস্থা আল্লাহ আপনার রিযিক থেকেই দিয়ে রেখেছেন। আপনি কি তাদেরকে তাদের ভাগ দিয়েছেন?

Scroll to Top