আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তি দখল
ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তি দখল – মুসলিমবিশ্বে খিলাফাহ ও ইমারাহ থাকাকালে “ওয়াকফ” ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রচলন। ধনী মুসলমানরা অথবা সুলতান মসজিদের জন্য এবং পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন মাদরাসায় ও মুসাফিরদের জন্য বসবাসের জায়গা দান করতেন। এর ফলে বহু ওয়াক্ফকৃত জমি থাকত মসজিদ, মাদরাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় কাঠামোর অধীনে। এখান থেকেই উক্ত
অ্যান্টি সেমিটিজম কী
অ্যান্টি সেমিটিজম কী বা এন্টি-সেমেটিক কি?- পৃথিবীর একটা মস্তবড় অপরাধ আছে। পৃথিবী কখনো কখনো মানুষের আসল রুপ প্রকাশ করে দেয়। তখন আঁতে-ঘাঁ লাগে অনেকেরই। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকা। প্রবাদটির অর্থ হলো, নিন্দনীয় কাজ গোপনের ব্যর্থ চেষ্টা। একটা জিনিষ খেয়াল করবেন, যখন আপনি কারো ভুল ধরে ফেলেন
মুসলমানদের বড় শত্রু কারা
মুসলমানদের বড় শত্রু কারা – পৃথিবীতে দুইটি জাতি মুহাম্মাদ ﷺ এর সময় থেকেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে একত্রে ষড়যন্ত্র করে আসছে। মুশরিক এবং ইহুদিরা। সাধারণত ইহুদি-খ্রিষ্টানরা যদিও পরস্পর কাছাকাছি মুসলমানদের বিরুদ্ধে। কিন্তু মুশরিকরা খ্রিষ্টানদের চেয়েও এক ধাপ অগ্রসর। তাইতো যখন মক্কার মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামল তখন তাদের পরামর্শদাতা ছিল মদীনার ইহুদিরা।
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা
ফিলিস্তিনের আসল অধিবাসী কারা ? – কারা দ্যার্থহীনভাবে বলতে পারে, “ফিলিস্তিন আমাদের। অন্যরা দখলদার। এই ভূমি তাদের নয়”। যেহেতু প্রধান তিনটি ধর্মের নিকটই ফিলিস্তিনভূমি মর্যাদাপূর্ণ, তাই আজকে আমরা নিরপেক্ষভাবে এই বিষয়টা আলোকপাত করবো ইনশাল্লাহ। ইহুদিদের নিকট ফিলিস্তিন ভূমি পবিত্র হওয়ার কারণ হলো, তাদের মতে ফিলিস্তিন ছিল রাজা ডেভিডের তথা নবী
বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া একত্রিকরণের ষড়যন্ত্র
সম্প্রতি জাগোনিউজ ডট কমের ওয়েবসাইটে ড. মতিউর রহমান সাহেবের একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যেটিতে খুবই সুকৌশলে বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠীতে একত্র করে জগাখিচুঁড়ি বানিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে পাঠকের সামনে। এখন পর্যন্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রকাশিত মতামত অনুযায়ী, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ আলাদা দুটি জিনিষ। ট্রান্সজেন্ডার বলা হয় একশ্রেণীর মানসিক
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
সুফিবাদী ইসলাম ও সুবিধাবাদী ইসলাম
সুফিবাদী ইসলাম ও সুবিধাবাদী ইসলাম – ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই এর বিধি-বিধান সমৃদ্ধ, সমাদিত। নবীজি ﷺ বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছিলেন, আমি তোমাদের নিকট দুইটা জিনিস রেখে যাচ্ছি। এক কুরআন, দুই সুন্নাহ।[1] কুরআন হলো, সরাসরি ওয়াহী। এর মধ্যে কোনো ভুলে নেই, কোনো সন্দেহ নেই। একজন মুসলমানের আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ প্রায়োগিক দিক হলো, নিজের জীবনকে কুরআনের রঙে রাঙানো। কুরআনের আদেশ-নিষেধ, বিধি-বিধান মান্য করা। এই কুরআনের ব্যাখ্যাস্বরূপ হিসেবে হাদীসের আবির্ভাব। রাসূলুল্লাহ ﷺ বিভিন্ন
বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া একত্রিকরণের ষড়যন্ত্র
সম্প্রতি জাগোনিউজ ডট কমের ওয়েবসাইটে ড. মতিউর রহমান সাহেবের একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়। যেটিতে খুবই সুকৌশলে বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠীতে একত্র করে জগাখিচুঁড়ি বানিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে পাঠকের সামনে। এখন পর্যন্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রকাশিত মতামত অনুযায়ী, ট্রান্সজেন্ডার আর হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ আলাদা দুটি জিনিষ। ট্রান্সজেন্ডার বলা হয় একশ্রেণীর মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের। যারা সমকামিতার মতো বিকৃতি কুরুচিপূর্ণ যৌনব্যবস্থাকে সমর্থন করে। এছাড়াও ট্রান্সজেন্ডাররা নিজেদের নিকৃষ্ট কামনা-বাসনা পূরণার্থে নিজেকে ছেলে থেকে মেয়ে
সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি: দায় কার?
সমকামী সন্ত্রাসীদের হুমকি – জুলাই আন্দোলন শুরু থেকেই ছিল স্বার্থের উপর প্রতিষ্ঠিত। গণমানুষের চাওয়া-পাওয়াকে শুরু থেকেই থোড়াই কেয়ার করা হয়েছে। কখনো মতাদর্শের নামে, কখনো ফান্ডিং এর নামে, কখনো ধর্মের নামে আমজনতাকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনের সময় যারা কুরআনের আয়াত পড়ে মানুষকে আন্দোলনে নামতে উজ্জীবিত করেছে, তারাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে এনজিও নির্ভর সরকার গঠনে সাহায্য করেছে। যাদেরকে বিপদে পড়তে দেখে দেশের আপামর জনতা নিজেদেরকে কুরবান করেছে, তারাই দেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্বহীন
সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প থাকছে
এনসিটিবি কর্তৃক জানানো হয়, নতুন কারিক্যুলামে সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে শরীফার গল্প নামক সমকামিতা প্রচারকারী গল্পটি থাকছে। গত বছর থেকেই এই গল্পটি ও আরো কিছু লেখা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শিক্ষিত মানুষেরা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাবিদ ও আলেমরা। বাদ যাচ্ছে শরীফার গল্প। এই বিষয়ে নিউজ প্রকাশিত হয় ১৭ মে ২০২৪ তারিখে। দেখুন নিচের বাটনগুলোতে। আমাদের মূল লেখাটিও রাখা হলো তাদের কর্মকাণ্ড বুঝার সুবিধার্থে কিন্তু তারা কারো কথা না শুনে একগুঁয়েমি করে
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান
আহলে হাদীস থেকে খৃষ্টান – শৈশব থেকেই একটি হাদীস শুনে বড় হয়েছি। তা হলো, মুসলমান মুসলমানের ভাই। একজন মুসলিম ভাই-বোন যখন বিপদে পড়ে তখন সকল মুসলমানই ব্যাথিত হয়। তেমনি একজন মুসলমান যখন ভুল পথে পরিচালিত হয় তখন সমস্ত মুসলমানরাই যেন পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারণ, একজন মুসলমান ভুল পথে চলা মানে সে একা একাই ভুল পথে চলছে না। বরং আরো দশজন তার কাজ থেকে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। নবীজি সা. আমাদের উপর আল্লাহর
ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে
ইসলামী গণতন্ত্রের স্বরূপ সন্ধানে – উপনিবেশ শাসনামলের পরবর্তী সময়ে যখন দখলদাররা মুসলিম ভূমি থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করল তখন একটি সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দিলো। ইউরোপিয়ানরা চাচ্ছিল, তাদেরই অনুগত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে দেশত্যাগ করতে। তারা সর্বদাই কিছু ব্যক্তিদের স্কলারশিপ দিয়ে ইউরোপ থেকে লেখাপড়া করিয়েছিল। এই ‘জাতে দেশি, চিন্তায় বিদেশি’ ব্যক্তিদের হাত ধরেই মুসলিমবিশ্বে সেক্যুলারিজমের উত্থান ছড়িয়ে পড়ে। পশ্চিমারা তখন ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের আদলে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিল।
শাম সম্পর্কে হাদিস
শাম সম্পর্কে হাদিস সমূহ – শাম অঞ্চল। হাদীসের ভাষায় বিলাদুশ শাম। বর্তমান সিরিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন, লেবানন, সাইপ্রাস ও তুরষ্কের কিছু অঞ্চল (হাতাই প্রদেশ ও আরো কিছু এলাকা) নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল। শামের ফজিলত এবং গঠন-প্রকৃতি নিয়ে নবীজি হাদীসে অসংখ্যবার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আখিরুজ্জামানের সাথে ওৎপ্রতভাবে জড়িত এই ভূমি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয় শাম আল্লাহর ভূমির মধ্যে উত্তম ভূমি (সুনানে আবু দাউদ। হাদীস নং ২৪৮৩) হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর
প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে
প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে – পৃথিবীতে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কত রকম প্রাণীকে আল্লাহ পাঠিয়েছেন, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির বয়স ৩০ লাখ বছর। আল্লাহ শুরুতে আদম আ. কে পাঠিয়েছিলেন। এরপর একে একে আরো কত মানুষ পাঠিয়েছেন। মানুষ পাঠানোর এই ধারাবাহিকতা কখনোই শেষ হয় নি। মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতা করেছে। হঠকারিতায় লিপ্ত হয়েছে। তারপরও আল্লাহ মানুষ পাঠানো বন্ধ করেন নি। ফেরআউনের মতো মানুষ, নমরূতের
কুরআন জীবন্ত মুজিজা
কুরআন জীবন্ত মুজিজা ও কিতাব । আল্লাহর কালাম । প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্যই আমাদের জন্য শিক্ষা। আমি শিক্ষা গ্রহণ করতে প্রস্তুত কি না, সেটা হলো বিষয়। কুরআন কারীম আমার জন্য হেদায়াতের পসরা সাজিয়ে রেখেছে। আমরা সাজিতে করে হেদায়াতের কিছু ফুল কুড়িয়ে নিতে পারি কি না দেখা যাক । (এক) আমি মানুষ । আমার চিন্তা ও ক্ষমতা সীমাবদ্ধ । কিন্তু আমি যার বান্দা তার ক্ষমতা অসীম । কল্পনাতীত। আমার দায়িত্ব যখন
ইসলাম কি ও কেন
ইসলাম কি এমন প্রশ্ন মনে আসলে প্রথমেই এর উত্তর হবে, ইসলাম হলো একটি ধর্ম। যাতে রয়েছে একজন ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। পৃথিবীর শুরু থেকেই আল্লাহ তা’আলা বিভিন্ন নবীদের উপর বিভিন্ন ধর্ম ও শরিয়ত দিয়েছেন। যেমন: হযরত মুসা আ. কে তাওরাত দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয়, ইহুদি। হযরত ঈসা আ. কে ইনজিল কিতাব দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয় খৃস্টান। তেমনি হযরত মুহাম্মাদ সা. কে আল্লাহ তা’আলা সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআন দিয়েছেন। আর
জিজিয়া
জিজিয়া – মুসলিমরা পুরো বিশ্বে ইসলাম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভূখণ্ড জয় করেন। এই সময়ে উক্ত ভূখণ্ডগুলোকে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। জিযিয়া সাধারণত দুই প্রকার। এক, পারস্পরিক সম্মতি ও সমঝোতার ভিত্তিতে ধার্যকৃত পরিমাণ। দুই, কাফিরদের উপর বিজয়লাভ করার পর উক্ত ভূখণ্ডের কাফিরদের সহায়-সম্পত্তির উপর বহাল রেখে শাসক নিজেই এই করের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। এদেরকে আহলুয জিম্মা বলা হয়। জিজিয়া নেওয়া হয় হয় কাফিরদের নিরাপত্তার জন্য। মুসলিমদের অধীনস্থ থেকে তারা স্বাধীনভাবে
তাওবাতুন নাসুহা
তাওবাতুন নাসুহা – মানুষ হিসেবে আমরা কেউই ভুলের উর্ধ্বে নয়। আমরা সকলেই পাপ করে থাকি। ভুল করে থাকি। আমরা সর্বদা শয়তানের প্ররোচনায় প্ররচিত হই। আমাদেরকে শয়তান পথভ্রষ্ট করে ফেলে। আমরা কখনো কখনো গুনাহ করতে করতে এতটাই নৈরাশ হয়ে যাই যে, আমরা মনে করি আল্লাহ হয়তো আমাকে আর ক্ষমা করবেন না। আমরা তখন তওবা করতে ভয় পাই। আল্লাহর কাছে চাইতে ভয় পাই। আল্লাহকে বলতে ভয় পাই। আমরা মনে করি, এত পাপ

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই