আসসালামু আলাইকুম
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়
আব্দুর রহমান আল হাসান
মুসলিম, তালিবুল ইলম
যে ব্যক্তি নিজের আমলের উদ্দেশ্যে ইলম অর্জন করে, ইলম তার হৃদয়কে কোমল করে দেয়। আর যে ব্যক্তি মুদাররিস বা টাইটেল ব্যবহারের জন্য কিংবা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও অন্যকে হেয় করার জন্য ইলম অর্জন করে, সে নিজেই নিজেকে ধোঁকা দেয়। তার এই অহমিকা তাকে ধ্বংস করে দেয়।
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার – সমাজের অন্যতম একটি মারাত্মক ব্যাধি হলো, নিজেকে নিয়ে নিজে সন্দেহে পতিত হওয়া। বিশ্বে সমকামিতার আড়ালে যেই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেটির নামে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। একজন পুরুষ কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র অগোছালো কিছু চিন্তার কারণে নিজেকে মেয়ে বলে দাবী করছে। আবার একজন নারী কোনো
নিরপরাধ জনগণ
নিরপরাধ জনগণ – বেসামরিক/নিরপরাধ জনগণের মৌলিক সংজ্ঞা কি? এটা নির্ণয়ে ভাষাবিদরাও বোধ হয় অপারগ। রাষ্ট্রের জনগণ যখন সরকারকে পুরোপুরি সাপোর্ট করে সরকারি কর্মযজ্ঞে, দেশি-বিদেশি নীতিনির্ধারণে তখন কি জনগণ রাষ্ট্রের বিরোধী শক্তি? মনে হয় না। জনগণ সরকারপক্ষের পক্ষপাতিত্ব করে। এই সময় সরকারের সাথে কারও যদি সংঘাত হয় আর উক্ত সংঘাতের হাওয়া
খারেজিদের সাথে বিতর্ক
খারেজিদের সাথে বিতর্ক – হযরত আলী রা. যখন তার বাহিনী নিয়ে সিফফিন যুদ্ধ হতে কুফা নগরীতে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন খারেজিরা এক বড় দল নিয়ে আলী রা. হতে পৃথক হয়ে যায়। তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার। তবে এটি নিয়ে বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থে বিভিন্নরকম বর্ণনা রয়েছে। আল বিদায়া ওয়ান নিহায়
জান্নাতি মানুষ এর বিদায়
জান্নাতি মানুষ এর বিদায় – গত মঙ্গলবার তথা সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে আমার হারুন চাচা অসুস্থ হয়ে বাসায় আসেন। তার অসুস্থতা অনেক বেশি। বেশ কিছুদিন ধরেই তার পেট ব্যাথা ও আরো কিছু রোগ ধরেছে তার। আমরা ভেবেছি, তিনি অচিরেই সুস্থ হয়ে যাবেন। আমাদের বাসায় হারুন চাচা শনিবার পর্যন্ত অর্থাৎ ১ সেপ্টেম্বর
নদী থেকে সাগর পর্যন্ত ফিলিস্তিন মুক্ত হবে ইনশাল্লাহ
গত দুইদিন আগে একটা সংবাদ থেকে খারাপ লেগেছিল। টুইটারে From the river to the sea palestine will be free ( নদী থেকে সাগর পর্যন্ত ফিলিস্তিন মুক্ত হবে ইনশাল্লাহ ) বাক্যটি নিষিদ্ধ করা হয়। এর পেছনে তাদের যুক্তি হলো, এটি দ্বারা জায়োনিস্ট ইসরাইলের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হয়। এছাড়াও টুইটার যেহেতু একটি
মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী
মডারেট চিন্তা ও নোমান আলী খান – মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত থেকেও অনেক আগে মাঝেমধ্যে নোমান আলী খান এর লেকচার শুনতাম। শুরুর দিকে উনার দাঈ হিসেবে আলোচনাগুলো তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। পরিচিত অনেকের পছন্দের ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। তিনিও মডারেট চিন্তাধারা থেকে মুক্ত নন। একটা আয়াত আমার খুব বেশি মনে পড়ছে। সূরা তওবার ৩
সর্বশেষ প্রকাশিত
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য
মানুষ বাঁচে অন্যের জন্য, অন্যের ভরসায়। দুনিয়াতে মায়া মানুষকে আবদ্ধ করে রাখে সম্পর্কে, বন্ধনে, পরিবারে। একজন স্বামী কেন তার স্ত্রীর আজীবনের সুখ দুঃখের সাথী হয়? কিসের লোভে? মায়া, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ। সন্তানকে কেন পিতা-মাতা নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন? এখানেও একই কথা। মায়ার জন্য। দুনিয়ার এই সম্পর্ক সৃষ্টির শুরু থেকেই আল্লাহর তৈরি করে দেওয়া নেযাম। আল্লাহ মানুষকে এমনি এমনি সৃষ্টি করেন নি। মানব সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর অনেক বড় উদ্দেশ্য আছে। কুরআনে আল্লাহ
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত
ডলারময় বিশ্বব্যবস্থার অশনি সংকেত – ২০০১ এর হঠাৎ করেই যখন টুইন টাওয়ারে হামলা হলো তখন এই হামলার পরিকল্পনাকারী উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, “এটা আমেরিকার পতনের সূচনাকাল। আমেরিকান পতন অনিবার্য।” কয়েক দশক আগে এই সমর বিশারদের এই উক্তিটি বোঝে না আসলেও এখন এটি পানির মতো পরিষ্কার। ১৯৭১ সালে আমেরিকার নিক্সন সরকারের হাত ধরে স্বর্ণমুদ্রার পতন হয়। এরপর থেকে শুরু হয় ডলারের রাজত্ব। ডলারকে টিকিয়ে রাখার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর অবদান (!)
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী!
লাশের চেয়েও মেট্রোরেল দামী : লাশের চেয়েও ভবন দামী! – ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দেশের আকাশে ছিল কালো মেঘের ঘনাঘটা। পরবর্তী ভবিষ্যদ্বানী দুইটার যেকোনো একটা হওয়ার কথা ছিল। এক, এই মেঘ কেঁটে যাবে এবং নতুন প্রভাত আলো ছড়াবে। দুই, কালবৈশাখী নেমে তছনছ করে দিবে সব। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রথমটাই ঘটলো। এর জন্য নিজের জান কুরবানী দিতে হয়েছে শত শত ব্যক্তিকে। পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে হাজারো ব্যক্তিকে। স্বাধীনতার নতুন
আমরা ভালো মুসলিম
আমরা ভালো মুসলিম – ব্যস্ততম শহরের পরতে পরতে মিশে আছে রক্ত ঝরানো ঘাম, পাখিদের কিচির-মিচির এবং মানুষের কোলাহল। সকলেই আশেপাশে থাকলেও মনে হয় যেন কোথাও কেউ নেই। নিস্তব্ধ, নীরব শহর। শহুরে পরিবারের ছোট্ট মেয়ে তাসফিয়া। সবেমাত্র ক্লাস ফাইভ পেরিয়েছে। পেটের দায়ে বাবা-মা দুইজনই কর্মক্ষেত্রে থাকেন সারাদিন। ছোট্ট তাসফিয়া বড়ো হচ্ছে দাদির কাছে। একাকী, নিঃসঙ্গভাবে। সারাদিন কাজ করে এসে সন্ধ্যার পর আর মেয়েকে সাথে নিয়ে গল্প করা হয় না তাশফিয়ার বাবা-মায়ের।
আধুনিক কুফর-শিরক
আধুনিক কুফর-শিরক – যুগ যত আধুনিক হচ্ছে, মানুষ বাহ্যিকভাবে ততই অগ্রসর হচ্ছে। তারা দুনিয়াবী শিক্ষার ক্ষেত্রে, সামাজিক প্রভাব-প্রতিপত্তির ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রসর। কিন্তু স্বেচ্ছায় পিছিয়ে পড়ছে একটি স্থান থেকে। ঈমান। মানুষের নিকট এখন দ্বীন হলো, ইচ্ছাধিকার। মন চাইলে দ্বীন মানবে, মন না চাইলে দ্বীন মানবে না। কোনো পেরেশানি নেই, কোনো আগ্রহ নেই। যারা খানিকটা প্রাকটিসিং মুসলিম, তারাও কখনো কখনো দ্বীনী বিধানাবলীর সামনে এসে হোঁচট খায়। “অমুক বিধানটি এত কঠিন কেন?”
সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার
সুক্ষ্ম পরিকল্পনা করে হিজড়াকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে প্রচার – সম্প্রতি বাংলাদেশে কিছু আলেম ও দ্বীনী ভাইদের উদ্যোগে হিজড়া সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা মসজিদ তৈরি করা হয়। যাতে তারা নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারে। সাধারণত হিজড়ারা বিভিন্ন রকম পোশাক পরিধান করার কারণে আমাদের মসজিদগুলোতে যেতে পারে না। আমাদের কালচার তাদেরকে মেনে নিতে পারে না। তাদেরকে সহ্য করতে পারে না। তাই তাদের জন্য আলাদা ইবাদতগৃহ নির্মাণ নিঃসন্দেহে অতি উত্তম একটি কাজ। দেশে হিজড়াদের নিয়ে আলাদাভাবে
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা
ট্রান্সজেন্ডার আন্দোলনে দুর্বল কারা , এটা এক কথায় দেখিয়ে দেওয়ার উপায় নেই। এককালে যারা এর বিরোধিতা করতো আজ দেখা যাচ্ছে, তারা এর পক্ষে সাফাই গাইছে। বাংলাদেশে যত রাজনৈতিক দল আছে, হোক বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী, উভয়েরই মূল লক্ষ্য সেক্যুলারিজম। আর সেক্যুলার হতে গিয়েই তারা পশ্চিমাদের মিত্রে পরিণত হয়। পশ্চিমা দুনিয়া হলো, বর্তমান পৃথিবীর সবেচেয়ে পাপিষ্ঠ ভূমি। এমন কোনো পাপ নেই যে, তারা করছে না। আল্লাহ তা’আলা হাজার হাজার বছর আগে লূত
ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয়
ইমাম হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয় – আমাদের সমাজের চারপাশে যখন আইয়ামে জাহেলিয়াতের ন্যায় নিকৃষ্ট পাপাচার ছড়িয়ে পড়ছে, তখন আমাদের নিভুনিভু ইমানের কথা মনে করিয়ে দেয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মুয়াজ্জিনের আজান। আমরা সালাতের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাই। ইমামের পেছনে সালাত আদায় করি। মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন জুমুআর সময়ে ইমাম সাহেবের আলোচনা শুনি। যা তিনি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক উপস্থাপন করেন সাধারণ মানুষদের সামনে। ইমামরা হলেন সমাজের ধর্মীয় নেতা, আধ্যাত্মিক রাহবার। মানবজীবন
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার
ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে শিক্ষক বহিষ্কার – সমাজের অন্যতম একটি মারাত্মক ব্যাধি হলো, নিজেকে নিয়ে নিজে সন্দেহে পতিত হওয়া। বিশ্বে সমকামিতার আড়ালে যেই ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে, সেটির নামে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ। একজন পুরুষ কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র অগোছালো কিছু চিন্তার কারণে নিজেকে মেয়ে বলে দাবী করছে। আবার একজন নারী কোনো প্রমাণ ছাড়াই নিজেকে পুরুষ বলে দাবী করছে। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ দুইভাগে বিভক্ত। ১. পুরুষ ২. নারী। পুরুষ সন্তান জন্ম
নারী নেতৃত্ব
অন্যান্য ধর্মের ও নারীবাদীদের খুবই পছন্দের একটি প্রসঙ্গ হলো নারী নেতৃত্ব । এজন্য কখনো কখনো মুসলমানরা যখন উক্ত ধর্মের ও চিন্তাধারার লোকদের সাথে মিলিত হয় তখন কথার জালে কিংবা আরো বিভিন্ন কার্যক্রমে তারা আস্তে আস্তে এই নারী নেতৃত্বকে পছন্দ করা শুরু করে। ইসলাম মানে যদিও আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ, কিন্তু এই মুসলিমরা একটা সময় মানসিক দাসত্ব ও শয়তানের দাসে পরিণত হয়। ইসলামের প্রথম দিকের সাহাবী, তাবেয়ী ও অন্যান্য ঈমামরা সুষ্পষ্টভাবে নারী
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা
খারেজিদের কুফায় ফিরে আসা – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এর মুনাজারার পরে খারেজিদের মধ্য হতে প্রায় ২ হাজার থেকে ২০ হাজারের মতো খারেজি তাদের দলত্যাগ করে আলী রা. এর নিকট চলে আসে। এরপর হযরত আলী রা. নিজেই খারেজিদের কাছে যান এবং তাদের সাথে কথা বলেন। ফলে তারা কুফা শহরে ফিরে আসে। কিন্তু গোঁড়ামির কারণে তারা বেশি সময় সেখানে থাকতে পারে নি। কারণ, তারা ভেবে নিয়েছিল, আলী রা. সালিশের ঘটনা থেকে
মিথ্যা বলার শাস্তি
মিথ্যা বলার শাস্তি – দরসে কুরআনে আজ আমাদের শায়েখ সূরা তূর নিয়ে আলোচনা করছিলেন। কুরআনী তাদাব্বুর তথা বুঝ না থাকার কারণে সারা জীবন এই সূরা কতবার পড়েছি, কিন্তু একবারও অর্থ বুঝি নি। আজ বারবার দরসে বসে মনে হচ্ছিল, আল্লাহ এমন কথা বলেছেন অথচ আমি এই সম্পর্কে অজ্ঞ! এটা চিরসত্য যে, কুরআনী তাদাব্বুর একদিনে তৈরি হয় না। আবার শুধুমাত্র বঙ্গানুবাদ দেখে তেলওয়াত করলেও তাদাব্বুর এতটা অর্জিত হয় না। মূল আরবি থেকে
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়
গুনাহ থেকে বাঁচার উপায় – সেদিনও সিগারেট ধরিয়ে গ্রামে নদীর কোণে বসে আনমনে ভাবছি। আর মাত্র কিছুদিন পরেই তাহলে বিয়েটা হয়ে যাচ্ছে। ভাবতেই কেমন যেন একটা খুশি খুশি ভাব চলে আসলো। মাথায় তেমন কোনো আইডিয়া নেই। তাই কিভাবে কি করবো, তাও জানি না। কবে এবং কোথা থেকে আমার জীবনে নতুন স্বপ্ন বোনা শুরু করেছিলাম, তা ঠিক ঠাওর করতে পারছি না। হঠাৎ একদিন বরাবরের মতো সেদিন ও আমাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা
ইসলাম কি ও কেন
ইসলাম কি এমন প্রশ্ন মনে আসলে প্রথমেই এর উত্তর হবে, ইসলাম হলো একটি ধর্ম। যাতে রয়েছে একজন ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। পৃথিবীর শুরু থেকেই আল্লাহ তা’আলা বিভিন্ন নবীদের উপর বিভিন্ন ধর্ম ও শরিয়ত দিয়েছেন। যেমন: হযরত মুসা আ. কে তাওরাত দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয়, ইহুদি। হযরত ঈসা আ. কে ইনজিল কিতাব দিয়েছেন। উনার অনুসারীদেরকে বলা হয় খৃস্টান। তেমনি হযরত মুহাম্মাদ সা. কে আল্লাহ তা’আলা সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআন দিয়েছেন। আর
মাহরাম কারা
সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ মাহরাম কারা এ সম্পর্কে বলেন, حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّهٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ وَ عَمّٰتُکُمۡ وَ خٰلٰتُکُمۡ وَ بَنٰتُ الۡاَخِ وَ بَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَ اُمَّهٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَ اَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَ رَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَ حَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَ اَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ
প্রকৃত সুখ কী
“সাম্যতা বা সমতা। এটি থাকার মধ্যেই প্রকৃত সুখ রয়েছে” এমনটাই বলে থাকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ভাইয়েরা। সকলেই কেন একরকম নয়, এটা ভেবে অনেকেই আক্ষেপ করেন। কেউ কেউ স্রষ্টার প্রতি অভিযোগও তোলেন যে, কেন আল্লাহ কাউকে গরিব বা কাউকে ধনী বানায়? কেন সকলকে একরকম সম্পদ দেয় না? আল্লাহ তা’আলা সূরা আসরের ১-৩ নং আয়াতে বলেন, وَ الۡعَصۡرِ ۙ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَفِیۡ خُسۡرٍ ۙ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ تَوَاصَوۡا بِالۡحَقِّ
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয়
যুগসন্ধির সময়কালে আমাদের করণীয় – “সত্য সমাদৃত, মিথ্যা ধুলিৎসাত হবে। মিথ্যা তো ধ্বংসের জন্যই”, সূরা বনী ইসরাইলের এই আয়াতটা একজন চক্ষ্মুষ্মান ঈমানদারের চোখ খুলে দেয়। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়াতের পথ দেখিয়ে কত বড় উপকার করেছেন! আল্লাহর জন্য বান্দার হেদায়েতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, বান্দারই জরুরি আল্লাহর হেদায়েত। আল্লাহ চান, আমরা ভুল করি, আবার ক্ষমা চাই। আমরা আবার ফিরে আসি রবের নিকট। যদি মানুষ এমন হতো যে, কোনো ভুল করে না,

মীর মাসজিদি খান: ভুলে যাওয়া এক আফগান বীর
আফগান ইতিহাসে মীর মাসজিদি খান ছিলেন একজন কিংবদন্তি, একজন বীর-বাহাদুর। মৃত্যুর দেড়শত বছরের অধিক সময় পার হলেও এখনও মানুষ তাকে স্মরণ করে। আফগান এবং পাকিস্তান সীমান্ত এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখনও তার বীরত্বগাথা গল্পগুলো শোনা যায়। আফগানের আমেরিকাপন্থী শাসক আশরাপ গণী সরকারের শাসনামলে ‘মীর মাসজিদি খান পুরস্কার’ নামে একটি পুরস্কার সে চালু করেছিল। যেগুলো সে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, খেলোয়াড় এবং উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের প্রদান করেছে। তবে আমরা মনে করি, আফগান জনগণ

ইয়াহইয়া সিনওয়ার রহ. এর জীবনী
ইয়াহইয়া সিনওয়ার ১৯ অক্টোবর, ১৯৬২ সালে দক্ষিণ গাযা উপত্যকার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার শৈশব পার করেছেন শরণার্থী ক্যাম্পের কষ্ট এবং দখলদার ইসরাইলের বারবার আক্রমণের মধ্যে। সময়টা ছিল খুবই কঠিন। তিনি গাযার ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে আরবি স্টাডিজ বিভাগে বিএ পাস করেন। ২১ নভেম্বর, ২০১১ এ ইয়াহইয়া সিনওয়ার বিয়ে করেন এবং ইব্রাহিম নামে তার একজন ছেলে রয়েছে। পাকা রাজনীতিবিদ ইয়াহইয়া সিনওয়ার ইসলামিক দলের সক্রিয়

নেই আর ইসমাইল হানিয়া
নেই আর ইসমাইল হানিয়া – সকালে আজকে একটি সংবাদ দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়ি। কল্পনাও করতে পারি নি। প্রথমে ভেবেছিলাম বানোয়াট। পরে নির্ভরযোগ্য সোর্সগুলো ঘেঁটে দেখলাম, আসলেই ঘটেছে। মহান মুজাহিদ নেতা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ভাই ইসমাইল হানিয়া শহীদ হয়েছেন । তিনি শহীদ হয়েছেন গাজ্জার বাহিরে। ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে ১২০ মিটার দূরত্বে থাকা একটি বাড়িতে তিনি অবস্থান করছিলেন। এখানে সম্ভবত ড্রোন অথবা মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়। হানিয়া

শায়খ আহমেদ ইয়াসিন জীবনী
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমেদ ইয়াসিন রহ. ছিলেন একজন বীর মুজাহিদ এবং স্বাধীনকামী ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ব্যক্তিত্ব। তিনি মানুষকে জিহাদের দিকে উদ্ভুদ্ধ করতেন। প্রাথমিক জীবনে ওয়ায়েজ হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মানুষকে ওয়াজ-নসীহত করতেন। যুবকদেরকে সৎপথে আহবান করতেন। সাধারণ মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার দিকে ব্যাপক গুরুত্ব প্রদান করতেন। তিনি গাযা ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এই মহান মুজাহিদ ফিলিস্তিন জিহাদের একটি রূপরেখা তুলে ধরে বলেছিলেন, ইনশাল্লাহ অচিরেই ইসরাইল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ,

ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম জীবনী
শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম কিংবা ইজ্জতউদ্দিন আল-কাসসাম রহ. ছিলেন বিংশ শতাব্দির একজন মুজাহিদ ও সমাজ সংস্করক। তিনি একাধারে ফরাসি এবং ইংরেজদের উপনিবেশিকতা ও জায়নিস্ট ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন এবং মানুষকে জিহাদে উজ্জীবিত করেছিলেন। জিহাদের ময়দানে তার অবিচলতা, উম্মাহর প্রতি দরদ থেকে কুফরি শক্তির নিকট একটা সময় আতঙ্কে পরিণত হন। তিনি লিবিয়া, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র জিহাদের জন্য আর্থিক অনুদান, জনসমর্থন ও সুযোগে ময়দানে শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। শায়েখ ইজ্জতউদ্দিন আল কাসসাম রহ.

হযরত উসমান রাঃ এর জীবনী
নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রাঃ এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে এভাবে যে, উসমান বিন আফফান বিন আবুল আস বিন আবদুশ শামস বিন আবদুল মানাফ বিন কুসাই