Category: মুসলিম ইতিহাস

সুলতান আব্দুল হামিদ ও ইহুদিরা

সুলতান আব্দুল হামিদ ও ইহুদিরা – সুলতান আব্দুল হামিদ দ্বিতীয় ১৮৮৭ থেকে ১৯০৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকেন। এই সময়ে উসমানী সাম্রাজ্য আর্থিক অসুবিধা এবং বিপর্যয়ের মধ্যে ভুগছিল। কিন্তু এটি তাদের ফিলিস্তিনে ইহুদিদের অভিবাসনের মুখোমুখি হতে বাধা দেয়নি। রাশিয়ার ইহুদিদের বিরুদ্ধে প্রথম সিদ্ধান্ত ১৮৮১ সালে ইহুদিরা রাশিয়ান জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডারের হত্যার সাথে জড়িত ছিল। তাই রাশিয়ান সরকার

পড়ুন বিস্তারিত»

হযরত আলী রাঃ এর মৃত্যু

ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী রাঃ এর মৃত্যু ছিল শাহাদাতের মৃত্যু। ৬৩ বছর বয়সে যখন হযরত আলী রাঃ উপনীত হলেন তখন ছিলেন আল্লাহর পক্ষ হতে বড় বড় পরীক্ষার মধ্যে ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ এর শাহাদাতের পর ফিতনার যেই বীজ অঙ্কুরিত হয়েছে, তা তখনো নির্মূল হয় নি। হযরত আলী রাঃ বুঝতে পারছিলেন, অভ্যন্তরীণ শত্রুরা এখনো সুযোগের

পড়ুন বিস্তারিত»

Ghoul Rifle জায়নবাদীদের দুঃস্বপ্ন

Ghoul Rifle – শহীদ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেড, যা ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা। তাদের ত্যাগ ও অবদান গত দশ বছর যাবৎ ফিলিস্তিনের সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। দখলদার ইহুদীবাদীদের সাথে সংঘাতের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক এবং এই দলটি ফিলিস্তিনে জিহাদকে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিশ্বের সমস্ত পাপিষ্ঠ লোকদের সমর্থিত এই ইহুদিবাদী দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ

পড়ুন বিস্তারিত»

আল ইয়াসিন ১০৫ মর্টার শেলের পেছনের গল্প

আল ইয়াসিন ১০৫ – দখলদার জায়োনিস্ট এবং ফিলিস্তিনি মুজাহিদ ও প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যকার সংঘাতের সময় ইহুদিরা এবং তাদের সমর্থকরা বিশ্বে তাদের শ্রেষ্ঠত্বের বুলি ছড়ানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করে। জায়নবাদী ইহুদি ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে পার্থক্য হলো, জায়োনিস্টরা সামরিক শক্তিতে অত্যন্ত শক্তিশালী। তাদের নিকট আছে উন্নত অস্ত্র, আর্থিক সহায়তা এবং মোড়ল রাষ্ট্রগুলোর প্রতক্ষ সমর্থন। ফিলিস্তিনিদের

পড়ুন বিস্তারিত»

আলী রা. এর খেলাফতের পরবর্তী অবস্থা

আলী রা. এর খেলাফতের পরবর্তী অবস্থা – ৩৬ হিজরী সনে মদীনার সকল মানুষ হযরত আলী রা. এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে হযরত উসমানের হত্যাকারী ও বিদ্রোহীরাও ছিল। এটি ছিল হযরত আলী রা. এর খেলাফতের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি। হযরত আলীর খেলাফতকালে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। শুরাভিত্তিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হযরত আলীর

পড়ুন বিস্তারিত»

তুফানুল আকসা যুদ্ধের ১২২ তম দিনের অভিযান

তুফানুল আকসা যুদ্ধের ১২২ তম দিন – ফিলিস্তিনের গাজ্জায় জায়োনিস্ট ইসলাইলিদের বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ অব্যাহত করেছে ফিলিস্তিনি স্বশস্ত্র দলগুলো। এর মধ্যে আল কাসসাম বিগ্রেড ও কুদস ব্রিগেড অন্যতম। গত ৭ অক্টোবরে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের ১২২ তম দিন (৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪) চলমান। আল কাসসাম ব্রিগেড তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে বলেছে, ফিলিস্তিনের দক্ষিণ গাজ্জার বিভিন্ন মসজিদের

পড়ুন বিস্তারিত»

আলী রা. এর খেলাফত

আলী রা. এর খেলাফত – ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী রা. ছিলেন নবীজি সা. এর সম্মানিত জামাই এবং চাচাতো ভাই। তিনি নবীজির সা. এর সাথে সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। নবীজি সা. এর ইন্তিকালের সময় হযরত আলী রা. এর বয়স ছিল ৩৩ বছর। তিনি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে আবু বকর রা. এর মজলিসে, উমর রা. এর

পড়ুন বিস্তারিত»

কুরআন সংকলনের ইতিহাস

পবিত্র কুরআন সংকলনের ইতিহাস শুরু হয় ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রা. এর সময়কাল থেকে। আবু বকর রা. এর শাসনামলে যখন বিভিন্ন যুদ্ধে কুরআনের হাফেজরা শহীদ হচ্ছিলেন এবং বিশেষ করে ইয়ামামার যুদ্ধে সাহাবীরা শহীদ হন তখন তিনি নবীজির ওহী লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত রা. কে তলব করেন। এই ঘটনা জায়েদ ইবনে সাবিত রা. নিজের

পড়ুন বিস্তারিত»

সেতুর যুদ্ধ

সেতুর যুদ্ধ বা জিসিরের যুদ্ধ – হযরত উমর রা. এর খেলাফতকালের শুরুর দিকে ইরাকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে পারসিকদের যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধের সেনাপতি ছিলেন হযরত আবু উবায়েদ সাকাফি ও মুসান্না বিন হারেসা রা.। হযরত মুসান্না বিন হারেসা রা. খলিফা আবু বকর রা. এর যামানা থেকেই ইরাকে মুসলমানদের সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। পরবর্তীতে মুসান্না রা. খলিফার নিকট

পড়ুন বিস্তারিত»

শিরকুহ এর মিশর অভিযান

শিরকুহ এর মিশর অভিযান – সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. এর চাচা আসাদুদ্দীন শিরকুহ ছিলেন সুলতান নূরুদ্দিন জিনকি রহ. এর একজন বিশ্বস্ত সেনাপতি। ৫৫৯ হিজরী মোতাবেক ১১৬৪ খৃস্টাব্দে মিসরে একটি সমস্যা দেখা দেয়। তৎকালীন সময়ে মিসরের প্রধানমন্ত্রী ছিল সাওর নামক একজন ব্যক্তি। মিসর সেসময়ে ছিল ফাতেমী সাম্রাজ্য বা উবায়দি সাম্রাজ্যের এলাকা। রাষ্ট্রীয়ভাবে যদিও মিসরের প্রধান ছিল

পড়ুন বিস্তারিত»

প্রথম ইন্তিফাদা

প্রথম ইন্তিফাদা ছিল ফিলিস্তিনে জায়োনিস্ট দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের পথিকৃৎ। এই প্রথম ইন্তিফাদা চালু থাকে ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দের ৮ই ডিসেম্বর ইসরায়েলে কাজ শেষে প্রত্যাবর্তনকারী একটি গাড়িকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের কাছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ট্যাংক দিয়ে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন শ্রমিক মারা যান। নিহত শ্রমিকদের জানাযা শীঘ্রই একটি ব্যাপক বিক্ষোভে

পড়ুন বিস্তারিত»

ইয়াকুব ইবনু লাইস

ইয়াকুব ইবনু লাইস আস সাফার – তৃতীয় হিজরী শতাব্দীতে দক্ষিণ-আফগানিস্তানে সালিহ ইবনু নাসর কিনানি নামের একজন মুজাহিদের নেতৃত্বে দরবেশ জামাআতের সদস্যরা একত্রিত হয়েছিল। তখন এ অঞ্চলে খারিজিরা ইরাক থেকে এসে জড়ো হয়ে সামরিকভাবে শক্তিশালী হতে থাকে। একপর্যায়ে তারা রাজনৈতিকভাবেও প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে। তারা জনগণের উপর অত্যাচার করে তাদের সম্পদ আত্মসাৎ করতো। এদের জ্বালায় অতিষ্ঠ

পড়ুন বিস্তারিত»

ভবিষ্যতে কি বিষয়ে লেখা চান, এখানে বলতে পারেন

Scroll to Top