খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস – পৃথিবীতে দীর্ঘ ২০০০ বছরের কাছাকাছি যেই ধর্ম ইউরোপ-আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ায় রাজত্ব গিয়েছে, তাদের সম্পর্কেই আজকের আলোকপাত।
প্রথমেই আমরা জরুরি কিছু আলাপ সেরে নেই। তারপর আমরা খ্রিষ্টধর্মের মূল আলোচনায় যাব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে দুই ধরনের নবী পাঠিয়েছেন।
- বিশ্বের সকলের জন্য নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন।
- নির্দিষ্ট অঞ্চল অথবা নির্দিষ্ট গোত্রের জন্য নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন।
যেমন, হজরত আদম, নুহ, ইবরাহিম ও মুহাম্মাদ সা. কে পাঠানো হয়েছে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য।
আর লুত, হুদ, সামুদ, ইউনুস, ইসহাক, ইয়াকুব, ইউসুফ, মুসা, জাকারিয়া, দাউদ, সুলায়মান ও ঈসা আ. কে পাঠানো হয়েছে নির্দিষ্ট জাতি ও ভূখণ্ডের জন্য।
সহজে বিষয়টা বোঝার জন্য কিছু উদাহরণ আনি। আদম আ. ছিলেন প্রথম মানব ও প্রথম নবী।
নবী আদম আ. তার প্রত্যেক সন্তানের নিকট আল্লাহ বিধান ও আদেশ পৌঁছে দিয়েছেন।
নুহ আ. ৯৫০ বছর পৃথিবীতে দাওয়াতি কাজ করেছেন। মানুষকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেছেন।
তিনি দুনিয়ার সকল মানুষের নিকট একত্ববাদের দাওয়াত দিয়েছেন। যখন সকলেই অস্বীকার করল তখন মহাপ্লাবন দিয়ে সকল কাফিরকে ধ্বংস করে দেওয়া হলো।
ইবরাহিম আ. প্রথমে নমরুত পরে মিসর, আরব ভূখণ্ডে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছেন।
আর হজরত মুহাম্মাদ সা. এর দাওয়াহ তার উম্মতের মাধ্যমে বিশ্বের প্রতিটা কোনায় পৌঁছে দিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা।
অন্যদিকে লুত আ. কে পাঠানো হয়েছে শুধুমাত্র কওমে লুতের নিকট।
আদ জাতির নিকট পাঠানো হয়েছে হুদ আ. কে।
সামুদ জাতির নিকট সালেহ আ. কে পাঠানো হয়েছে।
বনি ইসরাইল জাতির নিকট পাঠানো হয়েছে ইউসুফ, মুসা, হারুন, শামুয়েল, দাউদ, সুলায়মান, জাকারিয়া, ইয়াহইয়া ও ঈসা আ. কে।
বনি ইসরাইলের বাহিরে ঈসা আ. এর আনীত দাওয়াহ কীভাবে ছড়াল?
হজরত ঈসা আ. এর দাওয়াহ বা খ্রিষ্টধর্ম শুধুমাত্র বনি ইসরাইলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে-এমনটাই কথা ছিল।
কিন্তু হজরত ঈসা আ.কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়ার পর একজন ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। তার নাম পল।
ঈসা আ. এর জীবদ্দশায় সে ছিল খ্রিষ্টধর্মের বিরোধী। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সে হাওয়ারী তথা ঈসা আ. এর সাহাবিদের নিয়ে এসে জানাল,
তার সাথে ঈসা আ. এর মরণোত্তর সাক্ষাৎ হয়েছে এবং নবী তাকে সমগ্র বিশ্বে এই সত্য ধর্মের দাওয়াহ ছড়িয়ে দিতে বলেছেন।
অথচ হজরত ঈসা আ. জীবদ্দশায় বারবার বলেছেন,
“অ-ইহুদিদের রাস্তায় যেও না কিংবা সামারিটানদের [1] কোনো শহরে প্রবেশ করে না। বরং ইসরাইলের হারানো ভেড়াদের (নবী ইসহাকের পথভ্রষ্ট সন্তানদের) কাছে যাও।” [2]
অন্যত্র আছে, যখন ঈসা আ. এর নিকট একজন অ-ইহুদি নারী সাহায্যের জন্য আসলেন “তখন যিশু নারীটিকে বললেন, আমি কেবল ঈশ্বরের হারানো ভেড়াদের সাহায্য করার জন্য প্রেরিত হয়েছি ইসরাইলের বংশধরদের প্রতি”। [3]
মোটকথা, হজরত ঈসা আ. ছিলেন বনি ইসরাইলের নবী। সমগ্র বিশ্বের নবী নন। এজন্যই হাওয়ারিদের নিকট ঈসা আ. দাওয়াতি মিশন স্পষ্টভাবে বলেছিলেন,
শুধুমাত্র ইহুদি বস্তিগুলোতে দাওয়াত নিয়ে যাবে। অন্যদের থেকে দূরে থাকবে। ওদের রাস্তায় যাবে না।
কিন্তু ঈসা আ. এর পরবর্তী সময়ে তার সাবেক শত্রু পল নিজে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করে এবং ঈসা আ. কে বিশ্বনবি হিসেবে ঘোষণা দেয়।
পল পরবর্তী সময়ে অইহুদিদেরকে দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে তাওরাতের আইনকে শিথিল হিসেবে উপস্থাপন করত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সে তাওরাতকে পুরোপুরি বাদ দিত।
যেমন, খতনা করার প্রয়োজন নেই। মদপান নিষেধ নয়। শনিবারে কাজ করা যাবে। শুকর খাওয়া যাবে ইত্যাদি।
বৈশ্বিক খ্রিষ্টধর্মের সূচনা
সেন্ট পলের সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে খ্রিষ্টধর্ম দুইভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগ ইহুদিদের থেকে খ্রিষ্টান হওয়া মূল অনুসারী।
অপর ভাগ অ-ইহুদি খ্রিষ্টান, যারা সেন্ট পলের অনুসারী। এদের কেই বর্তমানে খ্রিষ্টান হিসেবে নামকরণ ও পরিচিত করা হয়।
১৩৫ খ্রিষ্টাব্দের পর অ-ইহুদি খ্রিষ্টানরাই মূলধারা হয়ে গেল। আর ঈসা আ. এর অনুসারীরা হয়ে গেল একটি বাতিল ফেরকা। তাদেরকে নির্যাতন করে বিলুপ্ত করা হয়।
যদিও ‘নাযারিন’ নামক একটি দল ইহুদিদের মাঝে এখনও বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে আছে। যারা মূলত ঈসা আ. এর অনুসারী ছিল।
তাদের আকিদা মুসলমানদের মতোই। তারা ঈসা আ. কে শুধুমাত্র একজন নবী ও হিসেবেই বিশ্বাস করে। এ ছাড়াও তারা সেন্ট পলকে মুরতাদ মনে করে।
বর্তমান খ্রিষ্টানধর্ম – খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস
এখন যেই খ্রিষ্টধর্ম প্রচলিত, এটি সেন্ট পল ও পোপদের মনগড়াভাবে তৈরিকৃত ধর্ম। এ ছাড়াও এটি হলো বহু ধর্মের মিশ্রণ।
তাদের মধ্যে বিভিন্ন এলাকার লোকাল সংস্কৃতি ও স্থানীয় ধর্মগুলোর অনেক কিছু যুক্ত হয়।
যেমন, ২৫ ডিসেম্বর পালন বা ক্রিসমাস ডে। তারা ঈসা আ. কে প্রভু হিসেবে মানে। তাকে আল্লাহর পুত্র মনে করে। মূর্তি তৈরি করে। শনিবারের বদলে রবিবারকে বিশ্রাম দিবস হিসেবে গ্রহণ করে।
তাই বর্তমানে ইউরোপ ও আমেরিকা যেটাকে ধর্ম হিসেবে চিনে, এটা আল্লাহ প্রদত্ত কোনো ঐশী ধর্ম নয়। তাদের বাইবেল কোনো ঐশী গ্রন্থও নয়।
বরং এটা হলো, সেন্ট পলের বানানো ধর্ম। তাই মানুষের বানানো ধর্মের আগা গোঁড়া ভুল হবেই, এটাই তো যুক্তিযুক্ত।
স্রষ্টা কর্তৃক দেওয়া ধর্মীয় বিশ্বাসে কোনো ভুল নেই। কোনো সন্দেহ নেই।
খ্রিষ্টধর্মের কালচার – খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস
প্রাচীন গ্রিক সভ্যতায় বৈরাগ্যবাদ চর্চা হতো পুরোদমে। এই বৈরাগ্যবাদ আস্তে আস্তে নব্য বানানো সেন্ট পলের খ্রিষ্টধর্মেও অনুপ্রবেশ করে।
গির্জা মানুষকে বৈরাগ্যবাদের জন্য আগ্রহী করতো। ফলে সমাজের একটা অংশ ভোগবাদে লিপ্ত হতো।
পাপের সয়লাবে ভেসে যেত তারা। অপর অংশ সমাজ কর্ম ছেড়ে বৈরাগ্যবাদের আশ্রয় নিত।
যাজকেরা হয়ে উঠেছিল সকল অপরাধের রক্ষাকর্তা। কুমারী নারীদের তারা গির্জার সেবার জন্য উদ্বুদ্ধ করতো। মঠগুলো তখন হয়ে উঠল যৌনতার গোপন আখড়া।
চার্চ তখন এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠল যে, তারা হয়ে উঠল দেশের ডিপ স্টেটের অন্তর্ভুক্ত। দেশের শাসনকার্যে তারা আরেকটি প্যারালাল ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।
ধর্মের নামে তারা বিভিন্ন রকম কর আদায় করত রাজা-প্রজাদের নিকট হতে।
অবস্থা এমন হয়ে গিয়েছিল যে, ফ্রান্সের এক-পঞ্চমাংশ ও জার্মানির এক-তৃতীয়াংশ এবং ইতালির এক-তৃতীয়াংশ সম্পদের মালিক ছিল চার্চ।
একদিকে পোপরা মানুষকে দুনিয়ার আরাম আয়েশ ত্যাগ করে বৈরাগ্যবাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করতো। অন্যদিকে চার্চ নিজেই সম্পদ আত্মসাৎ করে নিজেরা দুনিয়া ভোগের মধ্যে লিপ্ত হতো।
খ্রিষ্টান সমাজের প্রধানরা নিজেদের জন্য এমন এক লুপ বানিয়ে নিয়েছিল, যার থেকে স্বয়ং দেশের রাজাও বের হতে পারতেন না।
কোনো মানুষ যেন গির্জার এমন অনৈতিক কার্যকলাপে বাধা দিতে না পারে, তার জন্য গির্জা সকল ধরনের শিক্ষাদীক্ষা অর্জনে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো।
দেশের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, দর্শন চর্চা, বিজ্ঞানচর্চাকে নিষিদ্ধ করল এবং এগুলোকে অপরাধ হিসেবে দেখা হতো তখন। এমনকি জ্ঞান অর্জনের কারণে অনেককে হত্যা করে গির্জা।
যেমন রজার বেকন, জিওনান্দো ব্রুনো, গ্যালিলিও, কোপার্নিকাস, জিরোলামো কারদানো এবং মাইকেল সেভেতাস।
এদের কাউকে গির্জা কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। কাউকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। কারো জিহ্বা কেটে দিয়েছে। আবার কাউকে চাপ প্রয়োগ করেছে।
তাদের অপরাধ ছিল, তারা জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করেছিল। গবেষণা করে সত্যকে জানার চেষ্টা করেছিল। এমন ঘোরতর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল খ্রিষ্টান সমাজ।
রাজাদের সাথে দ্বন্দ্ব – খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস
এই সময়টাতে চার্চের সাথে দেশের রাজাদের সম্পর্ক ছিল সাপ নেউলে সম্পর্ক। চার্চ শুধু ধর্মীয় বিষয় নয়, রাষ্ট্রীয়-অর্থনৈতিক ব্যাপারেও হস্তক্ষেপ করতো।
দেশের রাজাকে কোনো কাজের জন্য পোপের অনুমোদন নিতে হতো। শুরু থেকেই চার্চ চাচ্ছিল, রাজাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে রাখতে।
এর ফলে বেশ কিছু বিবাদের জন্ম হয়। যেমন, রোমান সম্রাট ৪র্থ হেনরির নিযুক্ত বিশপকে বহিষ্কার করেন পোপ [4] ৭ম গ্রেগরি।
সম্রাট পোপকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উলটো পোপই সম্রাটকে ১০৭৬ সালে ধর্ম থেকে বহিষ্কার ঘোষণা করে।
শেষ পর্যন্ত সম্রাট তাওবা করে ফিরে আসে। ১০৮০ সালে পোপ আবার তাকে বহিষ্কার করে। ১০৮৪ সালে সম্রাটই পোপকে সরিয়ে দেন।
বিশপ ও মঠাধ্যক্ষদের নিয়োগ দেওয়া নিয়ে জার্মান সম্রাট ও পোপের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে দ্বন্দ্ব চলমান থাকে।
আর্চবিশপ নিয়োগ দেওয়া নিয়ে ইংল্যান্ডে রাজা জন ও পোপের মাঝে দ্বন্দ্বের ফলে চার্চ ইংল্যান্ডে ৭ বছর ধর্মীয়ভাবে বয়কট করে রাখে।
এমন আরও বিভিন্ন সময়েই খ্রিষ্টধর্মের দায়িত্বশীলদের সাথে রাজাদের শীতল যুদ্ধ চলমান ছিল।
কখনো গির্জা জিতে যেত আবার কখনো রাজা জিতে যেত। এভাবেই অতিবাহিত হচ্ছিল খ্রিষ্টবিশ্বের জীবন।
ক্রুসেড যুদ্ধ – খ্রিষ্টধর্মের ইতিহাস
খ্রিষ্টধর্ম এবং মুসলিম ধর্ম দীর্ঘকাল যাবৎ পাশাপাশি পৃথিবীর অধিকাংশ ভূমির নিয়ন্ত্রণ করছিল। তাই প্রায় সময়েই এই উভয় ধর্মের মধ্যে সংঘাত তীব্রতর হতো।
মুসলমানরা আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াহ্, জিহাদ, হুদুদ ও শরীয়াহ এর দাওয়াত নিয়ে খ্রিষ্টবিশ্বের কাছে যেত। খ্রিষ্টবিশ্ব নিজেদের পুরোনো আদি বিশ্বাসেই মত্ত থাকত।
এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুদ্ধ পরিচালিত হয় খ্রিষ্টান বিশ্ব থেকে। যা ক্রুসেড নামে পরিচিত। সর্বমোট ১০টি ক্রুসেড পরিচালিত হয়েছে মুসলিমবিশ্বের দিকে।

এই যুদ্ধ ছিল পোপদের ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। গির্জা যুদ্ধের ডাক দিয়ে তার ব্যয়ভার বহনের পুরো দায়িত্ব চাপিয়ে দিত রাজাদের ওপরে।
আবার কখনো স্রেফ ক্রুসেডের নাম করে পোপ তার শত্রু রাজার বিরুদ্ধে বন্ধু রাজাদের লেলিয়ে দিত।
একটা ক্রুসেড বাদে বাকি সকল ক্রুসেডেই খ্রিষ্টানরা পরাজিত হয়েছিল।
একটা সময় ক্রমাগত অর্থ চাপ, সৈন্য সংকট, জনমনে বিদ্রোহ, জনগণের অসন্তোষের ফলে রাজারা পোপদের যন্ত্রণা থেকে বাঁচার উপায় খুঁজছিল।
এরই প্রেক্ষিতে অবশেষে জেগে উঠে খ্রিষ্টানবিশ্ব। রিফরমেশন, এনলাইটেনমেন্টের মাধ্যমে খ্রিষ্টানরা পোপদের মাইনাস করা শুরু করে।
দীর্ঘকাল যাবৎ পোপদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে বিদ্রোহ করে বসে জনগণ।
এত ভেজাল আর না বাড়িয়ে তারা একেবারে ধর্মকেই অস্বীকার করে বসে।
এরপর থেকে ইতিহাস ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। শতাব্দীর ধারাবাহিক খাতা এখানে বন্ধ হয়ে যায়।
নতুন খাতা খোলা হয় নতুন দিনের জন্য।
আমাদের জানতে হবে, কেন খ্রিষ্টানবিশ্বের তাদের পোপদের বানানো ধর্মকে ছুড়ে ফেলা জরুরি ছিল? এই সময়ে মুসলিমবিশ্বের অবস্থা কেমন ছিল? মুসলমানদের কীভাবে তারা ফাঁদে আটকে ফেলল? ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র
অবাধ্যতার ইতিহাস
খ্রিষ্টবাদ বিকৃতি: তথ্য ও প্রমাণ
মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস, খন্ড ১২-১৪
ফুটনোট
[1] সামারিটান হলো বনী ইসরাইলের একটি গ্রুপ। যাদেরকে গ্রেপ্তার করে ব্যাবিলনে দাস হিসেনে নেওয়া হয় নি। তারা দাবী করে, তারাই একমাত্র মুসা আ. এর শরীয়াহ এর উপর আছে।
[2] মথি ১০:৫-৬ । মূল টেক্সট Matthew 10:5-6 (KJV):
“These twelve Jesus sent forth, and commanded them, saying, Go not into the way of the Gentiles, and into any city of the Samaritans enter ye not. But go rather to the lost sheep of the house of Israel.”
[3] মথি ১৫:২৪ । মূল টেক্সট মথি ১৫: ২১-২৪ (KJV):
“hen Jesus went thence, and departed into the coasts of Tyre and Sidon. And, behold, a woman of Canaan came out of the same coasts, and cried unto him, saying, Have mercy on me, O Lord, thou Son of David; my daughter is grievously vexed with a devil. But he answered her not a word. And his disciples came and besought him, saying, Send her away; for she crieth after us. But he answered and said, I am not sent but unto the lost sheep of the house of Israel.”
[4] পোপ হলেন ক্যাথলিক চার্চের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। বিশপ হলেন একটি নির্দিষ্ট এলাকার ধর্মীয় নেতা। পাদ্রী বা পুরোহিতরা হলেন চার্চের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি। মঠাধ্যক্ষ হলেন একটি মঠের প্রধান। ডিওকেসান প্রিস্ট হলেন বিশপের অধীনে কর্মরত পুরোহিত, যিনি একটি নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ করেন। কার্ডিনাল হলেন ক্যাথলিক চার্চের এক বিশেষ পদ, যাদের প্রধান কাজ হল পোপ নির্বাচন করা। কার্ডিনালরা পোপের পরামর্শদাতা এবং তাদের দায়িত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আর্চবিশপ হলো বিশপদের একটি উচ্চতর পদ, যিনি বড় একটি অঞ্চলের প্রধান হন।
লেখাটি শেয়ার করতে সর্ট লিংক কপি করুন