Category: মুসলিম ইতিহাস

নাহাওয়ান্দের যুদ্ধ

নাহাওয়ান্দের যুদ্ধ – ইরাক ও পারস্য থেকে মুসলমানদের অব্যাহত অভিযানের ফলে পারসিকরা পালিয়ে চলে গিয়েছিল। পারস্যের রাজ্যহারা সম্রাট ইয়াজদাগিরদ তখনো বেঁচে ছিল। সে পুনরায় তারা সৈন্যদের বিভিন্ন স্থানে একত্রিত করে চূড়ান্ত হামলার চেষ্টা করে। রায়, ইসফাহান ও কিরামান অঞ্চলে সৈন্যদের দিয়ে রাজ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিটা অভিযানই ব্যর্থ হয়। এরপর সে খোরাসানের কেন্দ্রীয় শহর

পড়ুন বিস্তারিত»

নীলনদের চিঠি

নীলনদের চিঠি – সবেমাত্র ভূখন্ড জয় করে মুসলমানরা দেশ পরিচালনায় মনোযোগ দিয়েছেন। দেশের অর্থনীতি, সামরিক ও অন্যান্য খাদকে আরো সমৃদ্ধ করার আপ্রান চেষ্টা করছেন আমর বিন আস রাঃ। কোনো সমস্যা হলে তৎক্ষণাত ওমর রাঃ কে চিঠি লিখে সমস্যার প্রতিকার জানতে চান। ওমর রাঃ অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে তার সমাধান দেন। মিসরবাসীর অভিযোগ হঠাৎ একদিন মিসরের

পড়ুন বিস্তারিত»

মিশর বিজয়

মিশর বিজয় – প্রাচীনকাল থেকেই মিশর ছিল উৎকৃষ্ট ভূমি। এখানে বহুকাল যাবৎ বসবাস করে আসছে বিভিন্ন জাতি-উপজাতি। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মের ব্যক্তিরা মুসা আ. এর পূর্ব থেকেই তাদের প্রভাব বিস্তার করে আসছে। মুসলমানদের বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর হযরত আমর বিন আস রা. এর অন্তরে ইসলামী বাহিনীর মিসরের প্রতি অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছা জন্মায়। হযরত আমর রাঃ ব্যবসায়ী

পড়ুন বিস্তারিত»

শামে প্লেগ এবং সাহাবীগণ

শামে প্লেগ এবং সাহাবীগণ – বাইতুল মাকদিস তখন সবেমাত্র মুসলমানদের হাতে আসলো। ১৭ হিজরীর শেষের দিকে শাম ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় কয়েকমাস পর্যন্ত রোগ সংক্রমণ হতে থাকে। বহুলোক এতে আক্রান্ত হয়। অনেকেই মৃত্যুবরণ করে। মহামারি মারাত্মক আকারে ধারণ করে। মহামারিতে সাহাবীগণ সে সময় শামে অবস্থিত মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীও এই মহামারিতে

পড়ুন বিস্তারিত»

খালিদ বিন ওয়ালিদের পদচ্যুত

বাইতুল মাকদিস বিজয়ের কিছুদিন পরেই হযরত ওমর রাঃ বিখ্যাত সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদের পদচ্যুত করেন। এটি ১৭ হিজরীর ঘটনা। খালিদ রাঃ কে পদচ্যুতি করার পর একটি ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভেবে বসেন, হয়তো ওমর রাঃ খালিদ রাঃ কে পছন্দ করতেন না। অথবা তিনি তার বিজয়ের ধারাকে ভালো চোখে দেখতেন না। এটি নিঃসন্দেহে একজন সাহাবীর

পড়ুন বিস্তারিত»

ওমরের বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয়

ওমরের বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয় – হযরত ‍ওমর রাঃ এর খেলাফতের তৃতীয় বছরেই শামের বৃহত্তম অঞ্চল ও দামেশক, হালব, এন্তাকিয়া এবং কিন্নাসারিনের মতো বড় বড় শহর মুসলমানদের কবজায় চলে আসে। তখনো মুসলমানরা বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে অগ্রসর হয় নি। কারণ, এতে ঐতিহাসিক ও আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট হতে পারতো। এই শহর যেন যুদ্ধ ব্যতিতই মুসলমানদের হাতে আসে, সেই

পড়ুন বিস্তারিত»

জাবালা ইবনে আইহাম ও উমর

পারস্য বিজয়ের পর জনৈক শাহজাদা জাবালা ইবনে আইহাম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ইয়ারমুকের যুদ্ধে সে রোমানদের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। অবশেষে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মদীনায় আগমন করে। এটি ১৬ হিজরীর ঘটনা। হযরত ওমর রাঃ তাকে উপঢৌকন প্রদান করেন। সে তখন মুসলমানদের একজন হয়ে যায়। কিন্তু তার স্বভাব পরিবর্তন হয় নি। হজ্জের সময়

পড়ুন বিস্তারিত»

হরমুজান ও উমর

হরমুজান ও উমর – মুসলমানরা পারস্যের রাজধানী মাদায়েন দখল করার পর পারসিকরা যেদিকে পারে, সেদিকে পলায়ন করে। মুসলমানদের রাজধানী দখলের পরও জনৈক শাহজাদা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল। সে ছিল হরমুজান। সম্রাট তখন অন্য এক শহরে ছিল। হরমুজান তখন তার নিকট আবেদন করে, যদি আমাকে পারস্যের রাজত্ব প্রদান করেন তাহলে আমি মুসলমানদের পরাজিত করতে পারবো। সম্রাট কিসরার

পড়ুন বিস্তারিত»

কিসরার মুকুট ও সুরাকা

কিসরার মুকুট – কাদিসিয়ার যুদ্ধের পর মুসলমানরা সামনে অগ্রসর হওয়া শুরু হলেন। উক্ত যুদ্ধে রুস্তমসহ আরো কয়েকজন সেনাপতি নিহত হয়। তারপরও আরো অনেকে বেঁচে ছিলেন। তারা তখন বিভিন্ন দুর্গে অবস্থান করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সাদ রাঃ এই সংবাদ পেয়ে সামনে অগ্রসর হলেন। এখানে একটি যুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার পর দজলা নদীর পাড়ে চলে আসে মুসলমানরা।

পড়ুন বিস্তারিত»

আবু মিহজান সাকাফি রাঃ এর সাহসিকতা

আবু মিহজান সাকাফি রাঃ – কাদিসিয়ার যুদ্ধের সময় সেনাপতি সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস রাঃ অসুস্থ ছিলেন। তাই তিনি যুদ্ধের ময়দানের পাশে একটি দালানের ছাদ থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করছিলেন। ময়দানে তিনি হযরত খালিদ বিন উরফুতা রাঃ কে স্থলাভিষিক্ত নির্ধারণ করেন। কিন্তু আবু মিহজান রাঃ এটি মেনে নিতে পারেন নি। যুদ্ধের পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় তাই

পড়ুন বিস্তারিত»

কাদিসিয়ার যুদ্ধ

কাদিসিয়ার যুদ্ধ – রুস্তম মুগিরা বিন শুবা রাঃ এর সাথে কথা বলার পরই তার বাহিনীতে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেয়। সে বর্ম এবং উজ্জ্বল পোশাক পরিধান করে ঘোড়ায় বসে চিৎকার দিয়ে বলে, আমি আরবদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিব। তার পাশে থাকা এক অফিসার বলে, যদি খোদা চান তাহলেই হবে। তখন রুস্তম প্রতিউত্তরে বলে, যদি খোদা না চান

পড়ুন বিস্তারিত»

সেনাপতি রুস্তম এর নিকট মুসলিম দূত

সেনাপতি রুস্তম এর নিকট মুসলিম দূত – কাদেসিয়ায় অবস্থিত মুসলমান সেনাদের নিকট ওমর রাঃ এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা আসছিল। তিনি একটি চিঠিতে মুসলমানদেরকে শত্রুদের সংখ্যা দেখে ভীত হতে নিষেধ করেন। হযরত সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস রাঃ এক মাস কাদেসিয়ার ময়দানে সৈন্যদের নিয়ে অবস্থান করেন। এর মধ্যে পারস্যের বাদশাহ ইয়াজদাগিরদ সেনাপতি রুস্তমের নেতৃত্বে ১ লক্ষ

পড়ুন বিস্তারিত»

লেখা বিষয়ক কোনো পরামর্শ থাকলে যোগাযোগ

Email:    admin@arhasan.com

আমাদের প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য। আমরা তার নিকটই ফিরে যাব

Scroll to Top