Category: মুসলিম ইতিহাস

উমরের যুগে উসমান রা.

উমরের যুগে উসমান রা. – খলিফা হযরত আবু বকর রা. এর ন্যায় হযরত উমর রা. এর সময়কালেও উসমান রা. এর মর্যাদা ছিল অনেক। মানুষ উমর রা. এর নিকট কিছু জানলে চাইলে উসমান বিন আফফান রা. বা আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রা. এর সহায়তা নিত। একবার ওমর রা. কতিপয় লোকসহ বেরিয়ে সিরার নামক জায়গায় শিবির স্থাপন

পড়ুন বিস্তারিত»

আবু বকরের যুগে উসমান রা.

আবু বকরের যুগে উসমান রা. – ১১ হিজরীতে নবীজি সা. এর ইন্তিকালের পর খলিফা হন হযরত আবু বকর রা.। আবু বকর রা. খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পরে তিনি বিজ্ঞ সাহাবীদেরকে মজলিসে শুরার অন্তর্ভুক্ত করেন। হযরত উসমান বিন আফফান রা. ছিলেন আবু বকর রা. এর মজলিসে শুরার অন্যতম একজন সদস্য। আবু বকর রা. দুইজন সাহাবীকে দুই কারণে

পড়ুন বিস্তারিত»

হযরত ওসমান রা. কূপ

হযরত ওসমান রা. কূপ – যখন নবীজি সা. মদীনায় আসেন তখন মদীনায় পানির সংকট ছিল অনেক। সেই সময়ে মদীনায় রুমা কূপের পানি ছিল মিষ্ট এবং খাওয়ার উপযোগী। নবীজি সা. তখন সাহাবীদেরকে বললেন, যেই ব্যক্তি এই রুমা কূপ কিনে মুসলমানদের জন্য উন্মুক্ত করে দিবে, সে জান্নাতে এর চেয়ে উত্তম বিনিময় পাবে। রুমা কূপের মালিক মিষ্ট পানির

পড়ুন বিস্তারিত»

উম্মে কুলসুম রা. ও উসমান রা.

হযরত উম্মে কুলসুম রা. ছিলেন রাসূল সা. এর সম্মানিতা কন্যা। প্রথমে তার বিয়ে হয় আবু লাহাবের পুত্রের সাথে। কিন্তু সূরা লাহাব অবতীর্ণ হওয়ার পর সে উম্মে কুলসুমকে তালাক দেয়। হযরত উম্মে কুলসুম রা. এর মূল নাম কি ছিল, তা জানা যায় না। তবে কয়েক ইতিহাসবিদ বর্ণনা করেন যে, তার নাম ছিল উমাইয়া। তিনি বয়সে ফাতেমা

পড়ুন বিস্তারিত»

নবীজির সাথে উসমান রা.

ইসলাম গ্রহণের পরই নবীজির সাথে হযরত উসমান রা. এর নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে। হযরত উসমান রা. ছিলেন কুরআশের অন্যতম সম্রান্ত যুবক। নবীজি সা. তার সাথে নবীকন্যা রুকাইয়া রা. কে বিবাহ দেন। এরপর থেকে নবীজির সব কাজেই হযরত উসমান রা. থাকতেন একদম শীর্ষে। উসমান রা. কুরআনী নীতির আলোকে শিক্ষালাভ করতে থাকেন। নবীজি ছিলেন তার দীক্ষাগুরু। কাফেরদের

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর হাবশায় হিজরত

উসমান রা. এর হাবশায় হিজরত – হযরত উসমান রা. এর ইসলাম গ্রহণের পর নবীজি সা. অত্যন্ত খুশী হন। মুসলমানদের সংখ্যা তখন ক্রমে ক্রমেই বাড়তে থাকে। নবীজি সা. তখন তার স্বীয় কন্যা হযরত রুকাইয়া রা. কে উসমান রা. এর সাথে বিবাহ দেন। ইতিপূর্বে রুকাইয়াকে নবীজি আবু লাহাবের পুত্রের সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আবু লাহাব নবীজির সাথে

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. যেভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন

উসমান রা. যেভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন – জাহেলি যুগেও হযরত উসমান রা. বংশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হতেন। তিনি ছিরেন সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। গোত্রের লোকেরা তাকে ভালোবাসতো, সম্মান করতো, পছন্দ করতো। উসমান রা. ছিলেন খুবই লাজুক স্বভাবের। কিন্তু সত্যকে চিনতে পারতেন। জাহেলি যুগে উসমান হযরত উসমান রা. জাহেলি যুগেও কখনো মূর্তিপূজা

পড়ুন বিস্তারিত»

উসমান রা. এর ভাই-বোন

উসমান রা. এর ভাই-বোন – হযরত উসমান রা. এর ৩ ভাই ও ৪ বোন ছিল। তার সকল ভাই আপন সহোদর ছিলেন না। বৈপিত্রীয় এবং বৈমাত্রিয় ভাই-বোন ছিল উনার। তাদের পরিচয় যথাক্রমে আলোচনা করা হলো। ভাই ১. ওয়ালিদ ইবনে উকবা রা.। তার পিতা উকবা ইবনে মুয়িত বদরযুদ্ধে নিহত হয়। হুদায়বিয়ার সন্ধির পর ওয়ালিদ তার ভাই আমারাকে

পড়ুন বিস্তারিত»

হযরত উসমান রাঃ এর স্ত্রী সন্তানগণ

হযরত উসমান রাঃ এর স্ত্রী সন্তানগণ – উসমান রাঃ সর্বমোট বিয়ে করেছিলেন ৮ টি। আর প্রতিটি বিয়েই হয়েছিল তার ইসলাম গ্রহণের পরে। তার স্ত্রীদের নাম নিচে দেয়া হলো, স্ত্রীগণ ১. রুকাইয়া বিনতে রাসূল সা.। তার গর্ভে আব্দুল্লাহ রা. নামে একজন পুত্র সন্তান জন্মগ্রহন করেন। ২. উম্মে কুলসুম বিনতে রাসূল সা.। রুকাইয়া রা. এর ইন্তিকালের পরে

পড়ুন বিস্তারিত»

হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম

নবীজির অন্যতম সাহাবী এবং উমর রা. এর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হওয়া আমিরুল মুমিনীন হযরত উসমান রাঃ এর জন্ম হয় আরবের তায়েফ শহরে। তিনি “আ’মুল ফীল” তথা হস্তিবর্ষের ছয় বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। সেই মোতাবেক তিনি নবীজির পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। বংশতালিকা হযরত উসমান রাঃ এর পিতার নাম হলো, আফফান। এরপরের পূর্বপুরুষদের নাম যথাক্রমে দেয়া হচ্ছে

পড়ুন বিস্তারিত»

ওমরের পরে খলিফা নির্বাচন

ওমরের পরে খলিফা নির্বাচন – হযরত ওমর রাঃ মৃত্যুর পূর্বে তার স্থলাভিষিক্ত নির্বাচনের জন্য হযরত উসমান, আলী, আব্দুর রহমান বিন আউফ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, তালহা ও যুবাইর বিন আওয়াম রাঃ এর সমন্বয়ে যেই কমিটি গঠন করেছিলেন, তারা সকলে এক স্থানে বসে পরামর্শে বসেন। হযরত ওমর রাঃ এর অসিয়ত অনুযায়ী আবু তালহা রাঃ কামরার বাহিরে

পড়ুন বিস্তারিত»

ওমর রাঃ মৃত্যু

ওমর রাঃ মৃত্যু – ২৩ হিজরীর শেষের দিকের কথা। হযরত ওমর রাঃ সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি পুরো মুসলিম ভূখন্ডে সফর করবেন। আর প্রতিটি প্রদেশে তিনি দুইমাস করে অবস্থান করবেন। সেই বছর তিনি হজ্জ্ব পালনের জন্য মদীনা থেকে মক্কায় গমন করেন। ফেরার সময় তিনি আবতাহ উপত্যকায় অবস্থান করে আল্লাহর নিকট দোয়া করলেন, হে আল্লাহ! আমি বৃদ্ধ হয়ে

পড়ুন বিস্তারিত»

লেখা বিষয়ক কোনো পরামর্শ থাকলে যোগাযোগ

Email:    admin@arhasan.com

আমাদের প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য। আমরা তার নিকটই ফিরে যাব

Scroll to Top