নদী থেকে সাগর পর্যন্ত ফিলিস্তিন মুক্ত হবে ইনশাল্লাহ

গত দুইদিন আগে একটা সংবাদ থেকে খারাপ লেগেছিল। টুইটারে From the river to the sea palestine will be free ( নদী থেকে সাগর পর্যন্ত ফিলিস্তিন মুক্ত হবে ইনশাল্লাহ ) বাক্যটি নিষিদ্ধ করা হয়।

এর পেছনে তাদের যুক্তি হলো, এটি দ্বারা জায়োনিস্ট ইসরাইলের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হয়। এছাড়াও টুইটার যেহেতু একটি ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম, তাই তাদের ইহুদি খদ্দেররা উক্ত প্লাটফর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

এছাড়াও আইফোনের কোম্পানী Apple ঘোষণা দিয়েছে, যদি ইসরাইলের সাপোর্ট না করে তাহলে টুইটারে তারা আর বিজ্ঞাপন চালাবে না।

একটা বিষয় সেই নবীজি সা. এর সময় থেকেই পরিষ্কার যে, মুনাফিক-কাফেররা সর্বদা মুসলমানদের বিরুদ্ধে একজোট।

এই কাফেররা যেই ধর্মেরই হোক না কেন। সে হোক খৃস্টান কিংবা ইহুদি কিংবা হিন্দু অথবা বৌদ্ধ অথবা প্যাগান। তার লক্ষ্য হলো মুসলমানদেরকে নির্মূল করা।

বিশ্বের এত এত বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা এখন নিশ্চুপ। তাদের মুখ থেকে কোনো বুলি ফুঁটে না। তাদের চোখগুলো যেন অন্ধ হয়ে গেছে।

গাজা অঞ্চলের এই গণহত্যাকে তারা আরো সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। সম্ভব হলে ইসরাইলকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করছে।

কিছু কাফের দেশ শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক রাজনীতির মাইরপ্যাঁচের কারণে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলছে। তবে তাদের হাতও মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত।

তারাও তাদের দেশের মুসলমানদের হত্যা করে দেশ হতে বিতাড়িত করেছে বা করছে।

গাজা অঞ্চলের শিফা হাসপাতাল তো আগেই ধ্বংস করে দিয়েছিল বর্বর ইহুদিরা।

এখন তারা ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের উপর আক্রমণ করছে। হয়তো অচিরেই এই হাসপাতালটিও মাটির সাথে মিশিয়ে দিবে তারা।

গাজার মানুষেরা এখন আহত হয়ে কই যাবে? কোথাও জায়গা নেই। কত লাশ ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে আছে। কেউ কাছেও যেতে পারে না বোমা হামলার কারণে।

2 – নদী থেকে সাগর পর্যন্ত ফিলিস্তিন মুক্ত হবে একদিন……

আকিদার শায়েকরা বলেছিল, হামাস যেই আগুন লাগিয়েছে এটা কি তারা নিভাতে পারবে? তারা তো ইরানঘেষা। শিয়াদের প্রতি দুর্বল!

এই শায়েকরা জানেও না যে, ২০০৪ সাল থেকে গাজা অঞ্চল ভূমি কারাগারের ন্যায়।

আজ যদি হামাস আক্রমণ শুরু নাও করতো, তারপরও তারা ফিলিস্তিনিদের হত্যা করতো। বন্দি করতো।

হয়তো এত বেশি না বা এভাবে নিউজ আসতো না। কারণ, তখন বিশ্ব অন্য ইস্যুতে থাকতো। এদিকে মহা আনন্দে তারা হামলা করতো।

আজ পর্যন্ত এই হামাসের সাহায্যে কি কোনো সুন্নি রাষ্ট্র অগ্রসর হয়েছিল? কেউ কি তাদেরকে অস্ত্র দিয়েছিল বা প্রশিক্ষণ দিয়েছিল?

তারা না পেরে ইরান থেকে সাহায্য নিচ্ছে। আমরা নিজেরা তো ভীতুর ন্যায় মহিলাদের মতো ঘরে বসে থাকি।

যারা রণাঙ্গনে লড়াই করছে, তাদেরকেও আমরা সমর্থন করতে পারি না নিজের কুটচালের কারণে।

আল্লাহ যদি আমাদের হেদায়েত না দেয়, কে আছে আমাদেরকে হেদায়েত দেওয়ার। তিনি অতি মহান। তিনি অতি পবিত্র

২১ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে লিখিত

আরো পড়ুন

শীতের প্রকোপ বাড়ছে ফিলিস্তিনে। সামর্থ্যবানরা এগিয়ে আসুন

হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শায়েখ আহমাদ ইয়াসিন রহ. এর জীবনী পড়ুন

আল কাসসাম ব্রিগেড যার নামে – শায়েখ ইজ্জউদ্দিন আল কাসসাম রহ. এর জীবনী পড়ুন

পড়ুন: সমকামী মতাদর্শ কিভাবে এত বড় ইস্যু হয়ে উঠলো?

বিশ্ববিদ্যালয়ের Ranking সিস্টেম কি আদৌ যুক্তিসঙ্গত? পড়ুন

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top