গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব

গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব – হাসিনার পতনের পর সকলেই মহাখুশী। কেউ কেউ ভেবেছেন এক মহাবিপ্লব ঘটে গেছে। কারো মতে এই ছিল ছাত্র-জনতার দ্রোহ।

পূর্বে-পরে যাই হোক, এই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থারই আরেক রূপ। হাসিনা একটা সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় এসেছিল।

আগামীতে অন্য কোনো দল আসবে। তারাও এর কাছাকাছি স্বৈরাচার হবে। বলা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন একটা সময় স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থায় রূপ নিতে বাধ্য।

ফরাসি বিপ্লব থেকে ইংরেজ খেদাও আন্দোলন

মুসলিম শাসনের ব্যাপ্তি বাদে পৃথিবীতে মধ্যযুগীয় শাসনব্যবস্থা ছিল অনেকটা পোপকেন্দ্রিক অথবা রাজাকেন্দ্রিক। ইউরোপে একটা সময় পোপেরা ছিল সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

উপমহাদেশ, সাসানি সাম্রাজ্য, প্রাচীন চীন ছিল রাজতন্ত্র বা রাজাকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা। ইউরোপের পোপদের বিরুদ্ধে একটা সময় বিদ্রোহ করে রাজারা।

শুধু হয় ধর্মীয় সংঘাত। বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে ইউরোপীয় সমাজ। অর্থোডক্স, ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্টসহ আরো বিভিন্ন দলে ভাগ হয় তারা।

আগে গির্জা সরাসরি রাজ্য শাসন করতো না, বরং তারা রাজাদের মাধ্যমে গির্জার আইন জনগণের উপর বাস্তবায়ন করতো।

একটা সময় দাবার চাল ভেঙ্গে যায়। রাজা ও গির্জার মধ্যে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। যদিও এটা বহু আগ থেকেই চলমান ছিল। এই দ্বন্দ্বে বহু মানুষের লাশ পড়ে।

১৭শ শতাব্দীতে ওয়েস্ট ফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে গির্জার শাসন থেকে ইউরোপ বের হয়ে যায়।

পরবর্তীতে ১৭৮৯ শুরু হওয়া ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজাদের শাসনব্যস্থাও ভেঙ্গে পড়ে।

শুরু হয় পৃথিবীতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রকাশ্য এবং স্বগোষিত গৌরবের শাসন।

ইউরোপীয় সমাজব্যস্থায় শতাব্দীর পর শতাব্দীজুড়ে মানুষ পাাদ্রীদের চাপ এবং রাজাদের অত্যাচারে ধর্মহীনতাকেই বেছে নেয়।

যদিও ইউরোপীদের মধ্যযুগের এই সময়টাতে ‍মুসলিমবিশ্বের স্বর্ণযুগ চলমান ছিল। সুখ-শান্তি ও প্রাচুর্যে ভরে উঠেছিল মুসলিম অধিকৃত ভূমিগুলোতে।

ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার কারণে বিধর্মীরাও স্বজাতিদের নিকট স্বাধীন থাকার চেয়ে মুসলিম শাসনে জিম্মি থাকাকেই অধিক নিরাপদ মনে করতো।

ইউরোপে এই প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার পর তা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির জনগণ সহজেই মেনে নেয়।

যদিও ক্ষেত্রবিশেষে দেখা যায়, পশ্চিমে এখনো ছাঁয়া রাজা/রাণী থাকে কিন্তু ক্ষমতা থাকে গণতান্ত্রিকদের হাতেই। এবার আসি ভারতবর্ষের দিকে।

ইংরেজরা ভারতবর্ষ দখল করার পরবর্তী সময়ে তাদের মূল ভূমিতে ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা।

তাই এই ভাতরবর্ষে ইংরেজদের আদলেই রাজ্যব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা ও অর্থনীতি গড়ে উঠে।

পূর্বে বিগত ৬০০ বছর এই ভূমির যেই আলাদা শাসনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি ছিল তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

ইংরেজদের দখলের পর একটা সময় এই দেশের জনগণ ইংরেজদেরকেই ত্রানকর্তা ভাবা শুরু করে। এর পেছনে কারণ ছিল ইংরেজদের শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সিস্টেমের মাইরপ্যাঁচ।

পরবর্তীতে যদিও ইংরেজরা একটা সময় এই দেশ থেকে বিতাড়িত হয়। কিন্তু রেখে যায় তাদেরই গড়া সমাজব্যবস্থা।

গণতন্ত্রের বিকল্প কেন পায় না জনগণ?

দীর্ঘ একটা সময় এদেশে ইংরেজদের সরাসরি হস্তক্ষেপ থাকার কারণে তারা পুরো একটা প্রজন্মকেই নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নেয়।

তাদেরকে কলকাতা কিংবা বিলেতে নিয়ে ইংরেজদের সিলেবাসে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে। দেশে সেই সময় ইংরেজদের আইন বাস্তবায়িত ছিল।

এই সময়ে আইন ব্যবসা ছিল ভারতবর্ষে জমজমাট একটি ব্যবসা। মানুষ বিলেত থেকে অথবা ভারতবর্ষে ইংরেজদের ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে পড়াশোনা করে ব্যারিস্টার, জর্জ হওয়া শুরু করলো।

ইংরেজদের প্রেসক্রিপশনে এই সহশিক্ষা সিলেবাসের দ্বারা পুরো একটা প্রজন্মকে উদারপন্থী ও বুদ্ধিবৃত্তিক গোলামে পরিণত করা হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন ইংরেজরা বুঝতে পারে, ভারতবর্ষে আর শাসন করা সম্ভব নয় তখন তারা এদেশীয় লোকদের হাতে শাসনক্ষমতা দিয়ে যায়।

কিন্তু যেই আইনে তা প্রধান করে সেটা ১৯৩৫ সনে করা ইংরেজদের স্বয়ত্তশাসন আইন।

বিশেষ পরিমাণ ‘কর’দাতাদের ভোটার বানিয়ে তাদের ভোটে নির্বাচিত হওয়া লোকদের নিয়ে প্রাদেশিক পরিষদ গঠন করে।

এর ফলে এদেশে রাজনৈতিক দল গঠন হয়। আর তার পুরোভাগে বা নেতৃত্বে ইংরেজী শিক্ষিত লোকেরা আসে। বিচারব্যবস্থায় ইংরেজী শিক্ষিত আইনজীবীরা নেতৃত্বের আসলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

এর ফলে এই দেশে আলেম ওলামা হয়ে যায় শুধুমাত্র ধর্মীয় ইমাম-খতীব-বক্তা। যাদের রাষ্ট্রে নাক গলানোর অধিকার নেই।

আর ইংরেজদের শিক্ষায় শিক্ষিত উকৃষ্ট গোলামেরা চলে আসে নেতৃত্বে।

এভাবেই ভারতবর্ষ বিভক্ত হওয়ার পর ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সামনে আসে। যদিও ভারতের মধ্যে অনেক স্বাধীন রাজ্য ছিল একটা সময়। যা পরবর্তীতে ভারত দখল করে নেয়।

এই রাষ্ট্রগুলোতে ইংরেজদের রচিত সেই নীতিমালাই ব্যবহৃত হয়। যদিও সময়ের প্রয়োজনে কিছুটা সংস্কার করা হয়।

কিন্তু আইনের লোক কিংবা সরকারে তারাই থাকে, যারা ইংরেজদের পুরোনো সিলেবাসের ধারক-বাহক।

তাই একটা সময় গণতন্ত্রকেই দেশে সর্বোচ্চ শাসনব্যবস্থা মনে করা শুরু হয়। কারণ, পলিটিশিয়ান ও আইনজীবীদের পড়াশোনা ছিল গণতান্ত্রিক বিষয়ে।

ইসলামী শাসনব্যবস্থা নিয়ে তাদের পড়াশোনা কখনো ছিল না। তাই তো তারা এটিকে স্রেফ একটি রীতিময় ধর্ম হিসেবে মান্য করে।

যদিও অনেক ক্ষেত্রে তারা মুখে বলে, ইসলাম একটি ‍পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা।

কিন্তু যখনই তার নিকট জীবনব্যবস্থার ইসলামী সমীকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তখন ইংরেজদের সেই পুরোনো বুলি আওড়িয়ে বলে, ‘এটা তো মধ্যযুগীয় ব্যবস্থা।’

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলাম কায়েম

ভারত-পাকিস্তান ভাগ হওয়ার সময়েই পাকিস্তান মুসলিম মেজোরিটির কারণেই আলাদা হয়। কথা ছিল, পাকিস্তানে ইসলামী শাসন কায়েম হবে।

তাই পাকিস্তানকে সরকারিভাবে বলা হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তান। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো,

আজ পর্যন্ত কোনো মুসলিম দল কিংবা কোনো মুসলিম চিন্তাবিদ, যোগ্য ব্যক্তি রাষ্ট্রক্ষমতার সর্বোচ্চ স্থানে যান নি।

কারণ কি? পূর্বের সেই কথা। দেশ পরিচালনার জন্য ইংরেজরা যেই শিক্ষিতদেরকে রেখে গিয়েছিল, তারা কখনোই তা হতে দেয় নি।

এর কারণ, যারা বিলেতে পড়াশোনা করেছে, বিলেতি সিলেবাসে পড়েছে, সহশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে, তারা যখন ধর্মের বিধি-নিষেধ দেখে এবং হালাল-হারামের সিস্টেম দেখে তখন তারা মানবিক ভোগবাদকেই প্রাধান্য দেয়।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ কায়েম হওয়ার পরও আজ পর্যন্ত কোনো ইসলামী চিন্তাধারার দল ক্ষমতায় আসে নি। নিশ্চিত থাকুন, গণতান্ত্রিক মাধ্যমে জীবনে আসবেও না। দ্যাটস্ ফাইনাল।

এখানেই প্রশ্ন আসে, তাহলে এত এত ইসলামী দল কেন রাজনীতি করে? নির্বাচনে যায়? আদৌ কি প্রয়োজন আছে? উত্তরটা আপেক্ষিক। প্রয়োজন আছে আবার প্রয়োজন নেই।

উভয়টাই ব্যাখ্যা করি। যদি ইসলামী দলগুলো ঘোষণা দেয়, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ভীড়ে আমরা ইসলামী দল এজন্য রাখি, যাতে এই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সাপোর্টার না পায় অথবা যা ইচ্ছা তা আইন না করতে পারে এবং সামাজিক প্রভাব ধরে রাখার জন্য এই ইসলামী দল।

তাহলে এককথায় বলা যায়, নির্বাচনে যেতে কোনো সমস্যা নেই।

কারণ, যারা ভোট দিচ্ছে এবং যারা নির্বাচনে যাচ্ছে উভয়দলই জানে, যদি নাও জিতে তারপরও সামাজিক একটা প্রভাব থাকবে। যেটা সরকারকে ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম হতে নিষ্ক্রিয় বা নিবৃত্ত রাখবে।

আর যদি উক্ত ইসলামী দল মনে করে, এটি হচ্ছে ইসলামী শাসন কায়েমের একমাত্র পথ।

আর এর মাধ্যমে তারা নির্বাচনে গিয়ে দেশে ইসলাম কায়েম করে ফেলবে। তাহলে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ পুরোটাই অপ্রয়োজনীয়।

কারণ, তারা জীবনেও ক্ষমতায় যেতে পারবে না। আর গেলেও কখনো সংসদের সংবিধানে সংশোধন করতে পারবে না। আর ইসলাম কায়েম তো হবেই না।

পাশাপাশি এই দলের মাধ্যমে বহু মানুষ পথভ্রষ্ট হবে। কেননা মানুষ ভাবছে, তারা ইসলাম কায়েমের জন্য আন্দোলন করছে। অথচ এটি সম্পূর্ণই বৃথা এবং অমূলক।

ইসলামী শাসন কায়েম – গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব

একমাত্র পদ্ধতি সেটাই, যেটা নবীজি দেখিয়েছেন এবং সাহাবারা অনুসরণ করেছেন।

তা হলো খেলাফত প্রতিষ্ঠা। কিন্তু এটি এমনি এমনিই হবে না। বিপ্লবের মাধ্যমেই সংগঠিত হবে।

নবীজিকে যখন মক্কার কাফেররা শাসনব্যবস্থার অফার করেছিল তখন তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং ইসলাম প্রচার চালিয়ে গিয়েছিলেন।

একটু চিন্তা করি, যদি নবীজি (আল্লাহ মাফ করুন আমাকে। উদাহরণস্বরূপ বলছি) কাফেরদের কথানুযায়ী মক্কার নেতৃত্ব নিতেন তাহলে কি তা কখনোই মুসলিম স্বর্ণযুগ উপহার দিতে পারতো? কখনোই না।

ইসলাম হলো ফিতরাতের ধর্ম। অর্থাৎ এটি পূর্ণাঙ্গ একটি জীবনব্যবস্থা। এখানে আইন নিয়ে যেমন সুষ্পষ্ট নীতিমালা আছে তেমনি ইবাদাত নিয়েও নীতিমালা আছে।

খেলাফত ছাড়া এবং ইমারাহ ছাড়া কখনোই এদেশে ইসলাম কায়েম করা সম্ভব হবে না। এটাই সত্যি। এটাই বাস্তবতা।

করণীয় ও বর্জনীয় – গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিপ্লব

খেলাফতব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পার্থক্য ভালোভাবে বুঝা উচিৎ প্রতিটা মুসলমানের। কেন একটি জায়েজ পদ্ধতি আর অপরটি হারাম পদ্ধতি।

পাশাপাশি আমাদের পরিচিতজনদেরকে বুঝানো উচিৎ এর উপকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা।

যতদিন গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, উদারতাবাদ, মানবতাবাদ থাকবে ততদিন এই ভূমির মুসলমানরা পরোক্ষভাবেই কাফেরদের গোলাম হিসেবে থাকবে।

মুসলিম স্বর্ণযুগের ইতিহাস এবং নবীজির মাগাজী তথা সীরাত সম্পর্কে এই প্রজন্মের ধারণা একেবারেই কম। এই বিষয়ে বেশি বেশি প্রচার হওয়া উচিৎ।

সাহাবীদের গাযওয়া এর ইতিহাস নিজে পড়া এবং অন্যকে জানানো। কেন তারা দুই পরাশক্তিকে পরাজিত করলো? কি এমন শক্তি তারা পেয়েছিল?

সর্বশেষে এক সিরিয়ান মুজাহিদের কথা দিয়ে শেষ করছি। তিনি বলেছিলেন,

“মানুষের ব্যাপারে আপনাকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। ধীরে ধীরে তাদের হাত ধরতে হবে। কেননা আপনার মূল কর্তব্য হচ্ছে, মানুষকে সাহায্য করা, তাদের থেকে যুলুম দূর করা, তারপর তাদের ইসলাহ করা, তাদের দ্বীনের সংশোধন করা। তারপর তাদের ওপর আল্লাহর শরীয়াহ বাস্তবায়ন করা।

আপনি যদি  আকস্মিক উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি কারো ধার ধারি না। যে চায় আমার অনুসরণ করুক আর যে চায় আমার বিরোধিতা করুক… – আপনি আসলে আপনি শার’ঈ ভুল করছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন বন্ধুসুলভ, ধৈর্য্যশীল, মমতাপূর্ণ; তিনি কর্কশভাষী ও কঠিন হৃদয়ের ছিলেন না।

আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,

যদি আপনি কর্কশভাষী ও কঠর হৃদয়ের হতেন তাহলে তারা আপনার পাশ থেকে সরে যেতো। [তরজমা, সূরা আলে ইমরান, ১৫৯।

রাসূলের কাছ থেকে মানুষ দূরে সরে না যাওয়া দাওয়াহর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু তাঁকে পাঠানো হয়েছে মানুষের রাহমাহ হিসেবে। তাই জরুরী ছিল যে তিনি তাদের ভালোবাসবেন, তাদের ব্যাপারে সবর করবেন…তাই আপনার জন্য আবশ্যক  হল, সেই পদ্ধতিগুলো জানা, যা দিয়ে আপনি মানুষের হৃদয়ে পৌছাতে পারবেন…।

সাবধান! কখনো বলবেন না, ‘মানুষ জাহান্নামে যাক, মানুষ মানুক বা না-মানুক আমি আমার কাজ করে যাবো।’ এটি ভুল। আপনার জন্য জরুরি হচ্ছে, মানুষের হৃদয় জয় করা, যাতে আপনি তাদেরকে দ্বীনে প্রবেশ করাতে পারেন।”

আমাদের ছোট ছোট কিছু গুণাগুণ অর্জন করা উচিৎ। যা নবীজি খুবই ছোট ব্যক্যে বলেছিলেন, তোমরা হতাশ হয়ো না। তোমরা রেগে যেও না। তোমরা বৃথা তর্ক করো না।

সহায়ক গ্রন্থ

গণতন্ত্র নয়, পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব (PDF)

ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা

বিয়ন্ড ডেমোক্রেসি

মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস

নবীয়ে রহমত

লেখাটি শেয়ার করতে সর্ট লিংক কপি করুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top