Category: মুসলিম ইতিহাস

আলা ইবনে হাজরামি রা.

আলা ইবনে হাজরামি রা. – রাসূল সা. এর ইন্তিকালের পর পরই আরবের বিভিন্ন প্রাঙ্গনে মুরতাদ হওয়ার হিড়িক পড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে  তুলাইহা আসাদি, মুসায়লামাতুল কাজ্জাব ও আসওয়াদ আনাসি সহ আরো বেশ কিছু ব্যক্তিরা মিথ্যা নবুয়তের দাবী করে। জাজিরাতুল আরবের অন্যতম শহর বাহরাইনে মুরতাদদের বিরুদ্ধে হযরত আলা বিন হাদরামি রা. বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। পূর্বে বাইরাইনে

পড়ুন বিস্তারিত»

সর্বপ্রথম কুরআন সংকলনের উদ্যোগ

সর্বপ্রথম কুরআন সংকলনের উদ্যোগ নেন কে – ইয়ামামার যুদ্ধে প্রায় ৩৫ জনের অধিক হাফেজ শাহাদাতলাভ করেন। এত বিপুল সংখক হাফেজের ইন্তিকালে আবু বকর রা. পেরেশান হয়ে যান। তখন পর্যন্ত কুরআন শরীফ লিখে রাখার প্রচলন চালু হয় নি। সে সময় মানুষ শুনে শুনে কুরআন মুখস্ত করতো। হযরত আবু বকর রা. এত সংখক হাফেজের শাহাদাতের কারণে কুরআন

পড়ুন বিস্তারিত»

ইয়ামামার যুদ্ধ

ইয়ামামার যুদ্ধ – হযরত আবু বকর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. কে পাঠালেন ইয়ামামার ময়দানে। মুসায়লামার হাতে শহীদ হওয়া হযরত হাবিব বিন যায়েদ রা. এর মা উম্মে উমামা রা. ও নিজের আরেক সন্তান আব্দুল্লাহ বিন যায়েদের সাথে এই বাহিনীতে যোগদান করলেন। মুসলিম বাহিনীর আগমনের সংবাদ শুনে বনু হানিফার ৪০ হাজার যোদ্ধা আকরাবা ময়দানে সারিবদ্ধ হয়ে

পড়ুন বিস্তারিত»

মুসায়লামাতুল কাজ্জাব এর ফেতনা

মুসায়লামাতুল কাজ্জাব এর ফেতনা – নবীজির জীবদ্দশাতেই নবুয়তের দাবীদাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফেতনাবাজ ছিল মুসায়লামা। সে ছিল বনু হানিফা গোত্রের সদস্য। তার পূর্ণ নাম, মুসায়লামা ইবনে সুমামা ইবনে কাবির ইবনে হাবিব হানাফি। তার ডাকনাম আবু শামাহ। মুসায়লামা জন্মগ্রহণ করে ইয়ামামায়। সেখানেই সে বেড়ে উঠে। ইয়ামামার অবস্থান আধুনিক সৌদি আরবের দক্ষিণ-পূর্ব নজদের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল, বা

পড়ুন বিস্তারিত»

আসওয়াদ আনাসি এর ফেতনা

আসওয়াদ আনাসি এর ফেতনা – সময়টা ছিল রাসূলের শেষ জীবনে। চারিদিকে ইসলামের জয়-জয়কার। দলে দলে মানুষ মুসলমান হচ্ছে। কেউ বা মুসলমানদের এমন উত্থান দেখে ভয়ে ভয়ে ও ইসলাম গ্রহণ করেছে। ইয়ামেনে আসওয়াদ আনাসির নবুয়ত দাবী আসওয়াদ যখন শুনতে পায় নবীজি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখনই সে নবুয়তের দাবী করে বসে। সে নিজেকে রাহমানুল  ইয়ামান বলে দাবী

পড়ুন বিস্তারিত»

তুলায়হা আসাদি এর ফেতনা

তুলায়হা আসাদি এর ফেতনার অবসান – রাসূল সা. এর ইন্তিকালের পর বনু আসাদ গোত্রের সরদার তুলাইহা আসাদি নবুয়তের মিথ্যা দাবী করে। সে তার গোত্র এবং আশেপাশের গোত্র মিলিয়ে অনেক অনুসারী জমা করে ফেলেছিল। সে দাবী করতো, জিবরাইল আ. তার নিকট ওহী নিয়ে আসেন। রাসূলের জীবনের শেষ সময় তুলায়হা নবী কারীম সা. এর ইন্তিকালের পূর্বে সে

পড়ুন বিস্তারিত»

মুরতাদদের বিরুদ্ধে আবু বকর রা.

মুরতাদদের বিরুদ্ধে আবু বকর রা. – রাসূল সা. এর ইন্তিকালের পর আরবের অনেক গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে মুরতাদ হয়ে যায়। তাদের এভাবে গণহারে মুরতাদ হওয়ার পেছনে কিছু কারণ ছিল। যেমন: ঈমানের দুর্বলতা, কুরআনের মর্ম সঠিকরূপে অনুধাবন না করতে পারা, জাহিলিয়াতের প্রতি আগ্রহ, গোত্রীয় চেতনা, ক্ষমতার লোভ ইত্যাদি। এর পাশাপাশি সে সময় ইহুদী এবং খৃষ্টানদের চক্রান্ত

পড়ুন বিস্তারিত»

আবু বকরের যুগে ফেতনার আত্মপ্রকাশ

আবু বকরের যুগে ফেতনার আত্মপ্রকাশ – খলিফা আবু বকর রা. খেলাফতের মসনদে আরোহনের পর পরই তাকে তিনটা ফেতনার মোকাবেলা করতে হয়। যেই ফেতনাগুলো প্রকট আকার ধারণ করছিল। প্রথম ফেতনা ছিল, মিথ্যা নবুওতের দাবী করা। দ্বিতীয ফেতনা ছিল, ইরতিদাদ বা মুরতাদ হয়ে যাওয়া। তৃতীয় ফেতনা ছিল, জাকাত আদাযে অস্বীকৃতি জানানো। আবু বকর রা. উক্ত ফিতনাগুলোর সমূলে

পড়ুন বিস্তারিত»

উসামার বাহিনী প্রেরণ

উসামার বাহিনী প্রেরণ – রাসূল সা. জীবনের শেষদিনগুলোতে রোমানদের টুটি টেপে ধরার জন্য একটা বাহিনী তৈরী করেন। যারা জিহাদে যেতে কার্পণ্য করে না। এই বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেন মুতার যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এবং শহীদ যায়েদ বিন হারিসা রা. এর সন্তান উসামা বিন যায়েদ রা.। এই রোমানরা মুসলমানদের জন্য অনেক বড় হুমকি ছিল। তারা বারবার

পড়ুন বিস্তারিত»

আবু বকরের খেলাফত

আবু বকরের খেলাফত – নবী সা. এর হিজরতকালে হযরত আবু বকর রা. ছিলেন তার সফরের সঙ্গী। পুরুষদের মধ্যে সবার আগে ইসলাম গ্রহন করেছেন হযরত আবু বকর রা.। আবু জাহল যখন তাকে বললো, তোমার নবী তো বলছে সে নাকি একরাতে সাত আসমান ঘুরে এসেছে। কিন্তু এটা কি তুমি বিশ্বাস করো? তখন আবু বকর রা. বলেছিলেন, তিনি

পড়ুন বিস্তারিত»

তাবুক যুদ্ধ ও আবু বকর

তাবুক যুদ্ধ ও আবু বকর – ৮ম হিজরীতে মক্কা বিজয়ের পর ইসলাম আরো দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। এরইমধ্যে পুরো আরব অঞ্চল ইসলামের আলোয় আলোকিত হয়। যেই আবরে সামান্য থেকে সামান্য বিষয় নিয়ে যুগের পর যুগ যুদ্ধ চলতো, সেখানে মানবতার লেশ মাত্রও ছিল না, তারা আজ এক পতাকাতলে সমবেত হয়েছে। আরবের দুই পাশেই বিশাল দুই সাম্রাজ্যের

পড়ুন বিস্তারিত»

মক্কা বিজয়ের দিন আবু বকর

মক্কা বিজয়ের দিন আবু বকর – হুদাইবিয়ার সন্ধির পর মুসলমানরা কুরাইশদের সাথে দীর্ঘ একটা যুদ্ধবিরতি পেল।  ফলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়লো দূর বহুদূর। এরইমাঝে রাসূলের সাহাবাদের সাথে মূতার যুদ্ধ ও খাইবারের যুদ্ধ সংগঠিত হলো। ছোট ছোট আরো বেশ কিছু গাযওয়া সংগঠিত হলো। ঠিক এই সময় কুরাইশরা বড় একটি ভুল করে বসে। বনু বকর ইবনে ওয়াইল

পড়ুন বিস্তারিত»

লেখা বিষয়ক কোনো পরামর্শ থাকলে যোগাযোগ

Email:    admin@arhasan.com

আমাদের প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য। আমরা তার নিকটই ফিরে যাব

Scroll to Top