Category: মুসলিম ইতিহাস

ওমর এর সময়ে রাষ্ট্রের সীমানা

ওমর এর সময়ে রাষ্ট্রের সীমানা কেমন ছিল তা আমাদের জানা উচিৎ। হযরত ওমর রাঃ প্রায় ১০ বছর খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মুসলমানদের প্রধান ছিলেন। তার সময়ে ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানাও বৃদ্ধি পেয়েছিল। সে সময় রাষ্ট্রীয় সুবিধার্থে পুরো সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল। ওমর রাঃ এসব  প্রদেশে দক্ষ গভর্নর নিযুক্ত করে ইসলামী রাষ্ট্রকে আরো উপরে নিয়ে

পড়ুন বিস্তারিত»

ওমরের যুগে বিদ্যাপীঠ

ওমরের যুগে বিদ্যাপীঠ – হযরত ওমর রাঃ এর যুগে মানুষের শিক্ষা-দীক্ষাকে প্রসারিত করার জন্য তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে তিনি অভিজ্ঞ সাহাবীদেরকে মানুষকে জ্ঞান শিক্ষা দেয়ার জন্য নিয়োগ দিতেন। মদীনা, বসরা ও কূফায় তিনি আলাদা আলাদা বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা নিচে এক এক করে তা বর্ণনা করছি। মদীনার বিদ্যাপীঠ – ওমরের যুগে বিদ্যাপীঠ হযরত

পড়ুন বিস্তারিত»

ওমর রাঃ এর চরিত্র

খলিফা হওয়ার পর হযরত ওমর রাঃ এর চরিত্র ছিল ফুলের মতো। তিনি যেমন ছিলেন নম্র-ভদ্র। তেমনি ছিলেন দয়াশীল একজন ব্যক্তি। খলিফা হওয়ার পর তিনি কখনো কাউকে নিজের প্রতিশোধবশে আক্রমণ করতেন না। তবে যদি কেউ ইসলামকে সঠিকরূপে পালন না করতো, তাহলে তাকে নসিহত করতেন বা শাসন করতেন। তিনি অসহায় ব্যক্তিদের খোঁজ নিতেন। জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ

পড়ুন বিস্তারিত»

খলিফা হিসেবে উমর রাঃ

খলিফা হিসেবে উমর রাঃ – দুই বছর খলিফার দায়িত্ব পালন করার পর ১৩ হিজরীতে আবু বকর রাঃ খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিলো। হযরত আবু বকর রাঃ বুঝতে পারলেন, তার আয়ু শেষ পর্যায়ে আছে। তিনি তখন উপস্থিত সাহাবাদেরকে বললেন, তোমরা আল্লাহর হুকুমে আমার বাইয়াত থেকে মুক্ত হয়ে গেছ। এখন তোমাদের প্রতি আমার

পড়ুন বিস্তারিত»

উসামার বাহিনী ও ওমরের মতামত

উসামার বাহিনী ও ওমরের মতামত – নবীজির ইন্তিকালের পর হযরত আবু বকর খেলাফতের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। এতদিন যেসব মুনাফিকরা লোক দেখানোর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তারা ভাবলো ইসলামের শক্তি শেষ হয়ে গেছে। তাই তারা এক এক করে বিদ্রোহ করতে শুরু করলো। এই বিদ্রোহী শ্রেণীকে কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত: মিথ্যা নবুয়তের দাবী করা। দ্বিতীয়ত: যাকাত

পড়ুন বিস্তারিত»

আবু বকর রাঃ খেলাফত এবং ওমর রাঃ

আবু বকর রাঃ খেলাফত – নবীজি সাঃ এর মৃত্যুতে সাহাবায়ে কেরাম মারাত্মকভাবে ভেঙ্গে পড়লেন। সকলের নিকট মনে হচ্ছিল, এই বুঝি পৃথিবী থমকে গেছে। কয়েকজন সাহাবী মুসলমানদের ভবিষ্যৎ কিভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তারা মদীনার বিখ্যাত গোত্রপতি সা’দ বিন আবু উবাদা রাঃ এর বাড়ির বৈঠকখানায় একত্রিত হলেন। মুসলমানদের ভবিষ্যৎ প্রধান কে হবে, সেটা

পড়ুন বিস্তারিত»

রাসূলের ইন্তিকালের সময় ওমর ফারুক রাঃ

রাসূলের ইন্তিকালের সময় – নবম হিজরীতে বিদায় হজ্জ্বের পরে রাসূল সা. অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথম প্রথম এই অসুস্থতাকে স্বাভাবিক কোনো রোগ মনে হলেও কিছুদিন পর প্রকট আকার ধারণ করলো। একটা সময় রাসূল সা. পুরোপুরি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি মসজিদে যেতেন কোনো সাহাবীর কাধে ভর দিয়ে। কিছুদিন পর মসজিদে যেতেও সক্ষম থাকলেন না। রাসূলের অসুস্থতা থাকাকালীন

পড়ুন বিস্তারিত»

হাফসা বিনতে উমর

হাফসা বিনতে উমর – হাফসা বিনতে ওমর রা. আনুমানিক ৬০৫ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। মক্কায় থাকা অবস্থায় তিনি মুসলমান হন। সে সময় তার বিয়ে হয় স্বামী খুনায়েস বিন হুযাফা রা. এর সাথে। তিনি ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একজন সাহাবী। মদীনায় হিজরতের পর তিনি ইন্তিকাল করেন। সে সময় উমর রা. এর মেয়ে হাফসা রা. বিধবা

পড়ুন বিস্তারিত»

মক্কা বিজয়ের দিন ওমর

মক্কা বিজয়ের দিন ওমর – ৮ হিজরীতে মক্কার কুরাইশরা মুসলমানদের সাথে করা চুক্তি ভঙ্গ করে। তারা বনু বকরকে এক গোত্রের বিরুদ্ধে উস্কানী দেয়। উক্ত গোত্র মুসলমানদের পক্ষে চুক্তিতে শরীক ছিল। বনু বকর সেই গোত্রের উপর হামলা করে লুটপাট করে। তখন উক্ত গোত্রের একব্যক্তি নবীজির নিকট এসে অভিযোগ দায়ের করে। নবীজি তখন কুরাইশদের নিকট জনৈক সাহাবীতে

পড়ুন বিস্তারিত»

হুদাইবিয়ার সন্ধি ও ওমর রা. এর অস্থিরতা

হুদাইবিয়ার সন্ধি ও ওমর – রাসূল সা. ওমরা করার ইচ্ছা পোষণ করেন তখন তিনি সাহাবাদেরকে নিয়ে মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে হুদাইবিয়া নামক এলাকায় তারা যাত্রা বিরতি দেন। সে সময় ওমর রা. কে রাসূল সা. ডেকে পাঠান। রাসূল সা. তাকে মক্কার কুরাইশ নেতাদের নিকট গিয়ে তাদের এখানে আসার উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে আসতে বললেন। তখন ওমর

পড়ুন বিস্তারিত»

ওহুদ যুদ্ধে ওমর রা.

ওহুদ যুদ্ধে ওমর – জিহাদের ময়দানে হযরত ওমর রা. থাকতেন সামনের সারিতে। তিনি কখনো যুদ্ধ দেখতে পিছুটান নিতেন না। পরাজয় নিশ্চিত জানলেও লক্ষ্যে অবিচল থেকে এগিয়ে যেতেন। ওহুদের যুদ্ধেও ওমর রা. এর এই গুণের প্রতিফলন ঘটেছিল। এই যুদ্ধ ছিল রাসূল সা. এর সাথে তার দ্বিতীয় যুদ্ধ। প্রথম যুদ্ধ ছিল বদরের যুদ্ধ। ওহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের ছোট

পড়ুন বিস্তারিত»

বদরের যুদ্ধে ওমর রাঃ এর অবদান

বদরের যুদ্ধে ওমর রাঃ – বদর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে হযরত ওমর রাঃ রাসূল সাঃ এর সাথে আলোচনাসভায় বসলেন। আলোচনাসভার শুরুতে আবু বকর রা. সারগর্ভ ভাষণ দেন। এরপর ওমর রাঃ দাঁড়িয়ে হৃদয়গ্রাহী বক্তব্য দেন এবং কাফেরদের সাথে যুদ্ধের আহবান জানান। যুদ্ধে ওমর রাঃ এর আজাদকৃত গোলাম মিহজা মুসলমানদের প্রথম শহীদ হন। যুদ্ধে ওমর রাঃ তার

পড়ুন বিস্তারিত»

লেখা বিষয়ক কোনো পরামর্শ থাকলে যোগাযোগ

Email:    admin@arhasan.com

আমাদের প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য। আমরা তার নিকটই ফিরে যাব

Scroll to Top