হামাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিষেধাজ্ঞা

হামাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিষেধাজ্ঞা – বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হলো টেলিগ্রাম। মানুষ এটি পছন্দ করার কারণ হলো, এখানে কমিউনিটি গাইডলাইনের মাইরপ্যাচ নাই।

অন্যান্য প্লাটফর্মগুলোতে কাজ করতে গেলে অনেকেই হিমশিম খায়।

জায়োনিস্ট, ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু গেলেই তারা কমিউনিটি গাইডলাইন দিয়ে চ্যানেল কিংবা আইডি ব্যান করে দেয়।

টেলিগ্রামে এমনটা খুব কমই হয়। বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ব্যবহারকারী অনেক। কেউ ব্যবহার করে শখে। কেউ বা সংবাদের জন্য।

আর কেউ ব্যবহার করে বিনোদনের নামে অশ্লীলতা করার জন্য। টেলিগ্রাম ওপেন সোর্স হওয়ায় এখানে নিজের থেকেই ভালো জিনিষ বেঁছে নিতে হয়।

ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন হরকতুল মুকাওয়ামাতিল ইসলামিয়্যা (হামাস) গত ৭ অক্টোবর থেকেই জায়োনিস্ট ইসলাইলের উপর হামলা শুরু করে।

হামাস প্রতিনিয়্যত তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে সংবাদ ও ভিডিও বার্তা দিয়ে আসছিল। এমনটাই চলছে এই কয়দিন। কিন্তু হঠাৎ বেঁকে বসে গুগল।

গুগল প্লে স্টোর টেলিগ্রামকে হামাসের চ্যানেল রিমুভ করতে বলে। অন্যথায় প্লে স্টোর থেকে টেলিগ্রাম সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।

যেহেতু এটা লড়াইয়ের ময়দান, তাই টেলিগ্রামও পাল্টা ব্যবস্থা নেয়।

প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা টেলিগ্রাম অ্যাপগুলোতে হামাসের চ্যানেলগুলোতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এদিকে টেলিগ্রাম আবার প্রত্যেক ইউজারদের মেসেজ দিয়ে বলে,

যদি আপনি প্লে স্টোরের এমন মাইরপ্যাচে না পড়তে চান তাহলে আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে টেলিগ্রাম অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

এটা দেখে আজকে মনে হলো, কুটনৈতিক মাইরপ্যাচ বুঝি এটাকেই বলে।

যদিও সংবাদে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, অ্যাপল স্টোর থেকে ডাউনলোড করা টেলিগ্রামগুলোতে কোনো ঝামেলা হয় নি।

হামাসের সাথে দখলদার জায়োনিস্টদের এই যুদ্ধে হামাস জিতুক, এমনটাই কামনা সকলের। দখলদার জায়োনিস্ট গত কয়েকদিনে প্রচুর গণহত্যা করেছে গাজা অঞ্চলে।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকারের সংখ্যা বেড়ে 5,791 জন শহীদ হয়েছে। যার মধ্যে 2,360 শিশু এবং 1,292 জন মহিলা রয়েছে।

গাজা অঞ্চলে গত কয়েক ঘণ্টায় 47টি ফিলিস্তিনি পরিবারে গণহত্যা করেছে ইসরাইল। যার ফলে 704 জন শহীদ হয়েছেন।

গাজা অঞ্চলে হাসপাতালগুলোর উপর ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের ফলে 65 জন চিকিৎসা কর্মী শহীদ হয়েছে এবং 25টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস হয়েছে।

বর্তমানে সেখানের চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের মুখে।

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top