মত প্রকাশের স্বাধীনতা কোথায়

অনেকেই বলে থাকেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা তো এই যুগে অবশ্যই থাকতে হবে। কথাটা ফেলে দেওয়ার মতো নয়।

একজন নিজের মত প্রকাশ করতে পারবে না, এমনটা ভাবলেই তো গা গুলিয়ে উঠে। যেন সে জেলখানায় আবদ্ধ কোনো ব্যক্তি।

পৃথিবীর প্রতিটি সিস্টেম একটি নির্ধারিত লাইনে চলে। এই লাইনের বাহিরে কোনো কাজ করা মানে নিজের বিপদ ডেকে আনা।

এই তো গত এক সপ্তাহর বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনে মুসলমান ভাইবোনদেরকে হত্যা করছে জায়োনিস্ট ইসরাইলরা

এখন পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ সংবাদে জানলাম প্রায় ২০০০+ এর বেশি শহীদ হয়েছেন। আহত কয়েক হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে।

ফিলিস্তিনের অধিবাসীরা তাদের মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে। বিশ্ব কুফফার নেতাদের, জাতিসংঘের এই বিষয় নীরব থাকতে দেখবেন।

কারণ, সকল কুফরী শক্তি মুসলমানদের বিরুদ্ধে একজোট হবে। এটিই কুরআনের কথা। এটিই বাস্তবতা।

বর্তমান দুনিয়ায় প্রযুক্তির অগ্রগতির যুগে সোস্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনি কোন জিনিষ সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করছেন, কি পোস্ট করছেন, কোন পোস্টে রিয়েক্ট করছেন, তা দেখেই আপনাকে নির্ণয় করা সম্ভব।

এই মিডিয়াগুলোতে আপনি মুসলমানদের পক্ষে কথা বলতে গেলেই কমিউনিটি গাইডলাইলের বেড়াজালে আপনাকে আবদ্ধ করে ফেলবে।

আপনি আমার অধিকারের জন্য যুদ্ধ করছেন, এমনটা প্রচার করলেও আপনার আইডি ডিলিট করে দিতে পারে। আপনার চ্যানেল ডিলিট করে দিতে পারে।

তাহলে ডিজিটাল এই স্বপ্নের দুনিয়াতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রইলো কোথায়? আসলে এটি সম্পূর্ণ ভূয়া কথা যে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে।

বরং সত্য হলো, আপনার কথা যতক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে আঘাত করবে না, ততক্ষণ আপনার মত প্রকাশের অধিকার থাকবে।

যখনই আপনার কথাকে অন্য কেউ হজম করতে পারবে না, আপনাকে কন্টেন্ট দেখলে গা-জ্বালা শুরু করবে, তখন আপনি হয়ে যাবেন টেরোটিস্ট।

আপনি হয়ে যাবেন রাজাকার,  অরাজগতা সৃষ্টিকারী, জঙ্গী, হুজুগে, বুদ্ধি কম, ম্যাচিউরড নয় এমন।

আপনাকে তখন বিভিন্ন গাইডলাইন দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রিয় ভাই! যতই বাধা আসুক, কখনো সত্যকে ছেড়ে মিথ্যাকে ধরবেন না।

কারণ, পাগলের সাথে চলতে গিয়ে যদি আপনি নিজেও পাগলের ন্যায় আচরণ করেন তাহলে আপনার মাঝে আর পাগলের মাঝে পার্থক্য রইলো কোথায়?

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top