গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

পারস্যে ইসলামের দূত – হযরত মুসান্না বিন হারিসা রাঃ এর মৃত্যুর পর ইরাকের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাঃ।

সাদ রাঃ ৩০ হাজার মুজাহিদকে সাথে নিয়ে কাদিসিয়া নামক স্থানে শিবির স্থাপন করেন।

এরপর তিনি এমনভাবে সৈন্যবিন্যস্ত করেন যে, সামনে থাকবে ইরাকের ময়দান আর পেছনে থাকবে আরবের পাথুরে ভূমি।

যেন বিজয় অর্জিত হলে সামনে অগ্রসর হওয়া যায়। আর পিছু হটতে হলে আরবের সীমানায় প্রবেশ করে আত্মরক্ষা করা যায়।

সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাঃ কাদিসিয়ায় পৌছে নোমান বিন মুকাররিন, আসেম বিন আমর ও মুগিরা বিন শুবা রাঃ কে পারস্যের রাজধানী মাদায়েনে প্রেরণ করেন।

দূতদের রাজধানী গমন     

এই সাহাবারা মাদায়েনে পৌঁছার পর তাদেরকে দেখার জন্য বিশাল দল তৈরি হয়ে যায়। ইসলামের জন্য আত্মত্যাগকারী এই ব্যক্তিরা পরনে সাধারণ জামা-কাপড় পরিহিত ছিলেন।

সম্রাটের নিকট গিয়ে তারা প্রথমে ইসলামের দাওয়াত দেন।

প্রতিনিধিদলের প্রধান হযরত নোমান বিন মুকাররিন রাঃ অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্রাটের নিকট ইসলামকে উপস্থাপন করেন।

কিন্তু সম্রাট তা উপেক্ষা করে বলে, আমাদের জানামতে, তোমরা খুবই দুর্বল একটি জাতি।

তোমরা কোন সাহসে আমাদের সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছ?

যদি তোমাদের নিকট উপযুক্ত কোনো শাসক না থাকে তাহলে আমাদের বলো, আমরা তোমাদের জন্য উত্তম শাসক নির্ধারণ করে দেই।

সম্রাটের এহেন বিদ্ধেষপূর্ণ বক্তব্য শুনে মুগিরা বিন শুবা রাঃ দাঁড়িয়ে ইসলামের মর্যাদা তুলে ধরেন। এতে সম্রাট প্রচন্ড রেগে যান।

সে তখন বলতে থাকে, যদি দূত হত্যা অবৈধ না হতো তাহলে তোমরা জীবিত ফিরতে পারতে না।

তারপর নিজের সভাসদদের বললেন, এক টুকরো মাটি নিয়ে তাদের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তির মাথায় রাখ। তখন মাটি আনার পর আসেম রাঃ বললেন, আমিই সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি।

তার মাথায় মাটি রাখা হলে তিনি অন্য সাহাবীদের নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

তারা যাওয়ার পর সম্রাট আফসোস করতে থাকেন, আমরা নিজ হাতে তাদেরকে আমাদের ভূখন্ডের মাটি তুলে দিয়েছি।

সম্রাটের বাহিনী প্র্রেরণ – পারস্যে ইসলামের দূত

সম্রাট তখন অভিজ্ঞ সৈন্যদের বললেন, তাড়াতাড়ি গিয়ে তাদের থেকে মাটি নিয়ে এসো। যদি আমরা তা নিতে পারি, তাহলে আমাদের রাজ্য বেঁচে যাবে।

অন্যথায় আমাদের রাজ্য তাদের হাতের খেলনায় পরিনত হবে।

সৈন্যরা গিয়ে আর আসেম রাঃ কে খুঁজে পায় নি। ততক্ষণে তিনি মুসলমানদের সীমানায় প্রবেশ করে ফেলেছেন।

এরপর উক্ত মাটি সাদ রাঃ এর নিকট আনা হলে তিনি আনন্দিত হয়ে বলেন,

আল্লাহ তো আমাদের জন্য পারস্য বিজয়ের চাবি তুলে দিয়েছেন।

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top