উবায়দুল্লাহ মাহদী

সে উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো ইরাকী বংশদ্ভূত একজন ব্যক্তি। ২৬০ হিজরীতে কুফায় জন্মগ্রহন করে সে। 

জন্মের পর থেকেই সে উত্তর শামে অবস্থান করে।  সেখানে তার নাম ছিল,

সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মায়মূন আল কাদ্দাহ।

সালামিয়া শহর

সালামিয়া শহরে মৃত্যুবরণ করে আলি বিন হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন জাফর সাদেক।

ইসমাঈলিরা তার নামে অনেকগুলো মাজার প্রতিষ্ঠা করে।

উবায়দুল্লাহ মাহদী সিদ্ধান্ত নেয়, আধ্যাতিক বিবাহের মাধ্যমে ইসমাইল বিন জাফর সাদেকের বংশের নিসবত সে গ্রহন করবে।

এটাই হলো, উবায়দুল্লাহ মাহদীর প্রথম প্রতারণার অংশ। 

মরক্কোরসহ আরো অনেক মুসলিম মনিষীরা উবায়দুল্লাহর এই বংশীয় নিসবতের বিরোধিতা করেছেন।

তাদের মাঝে সর্বপ্রথম হলো আলি রা. এর বংশের মহান ব্যক্তিগণ।

উত্তর আফ্রিকার এলাকা দখল

উবায়দুল্লাহ মাহদী ২৯৭ হিজরীতে উত্তর আফ্রিকার অনেকগুলো এলাকা দখল করে এবং আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ীর দখলকৃত অঞ্চলসহ নতুন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

সে মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য এই সাম্রাজ্যের নাম রাসূলের কন্যা ফাতেমা রা. এর দিকে নিসবত করে

“আদ দাওলাতুল ফাতিমিয়্যাহ” বা ফাতেমী সাম্রাজ্য নামে নামকরণ করে।

এই প্রতারক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আব্বাসী খেলাফত নির্মূলের চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে বনু মিদরার সাম্রাজ্য, রুস্তম সাম্রাজ্য ও তিউনিসিয়ার আগালিবা সাম্রাজ্য ধ্বংস করার পর থেকেই

তারা নিজেদেরকে শক্তিশালী ভাবতে শুরু করে।

আবু আব্দুল্লাহর সাথে আতাঁত

২৯৭ হিজরী মোতাবেক ৯১০ খৃষ্টাব্দে কায়রাওয়ানে মাহদীর বাইয়াত সম্পন্ন হয়।

যেহেতু আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী পূর্বেই আগালিবা সাম্রাজ্যে ছিল এবং

সে উক্ত সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে সেই সাম্রাজ্য ধ্বংস করতেও সক্ষম হয়েছিল।

তাই প্রায় ১০ বছর আগালিবা সাম্রাজ্যের এলাকাসহ আরো কিছু এলাকা আবু আবদুল্লাহর হস্তগত ছিল।

এরপর সেই অঞ্চল সে ফাতেমী সাম্রাজ্যের অধীনে নিয়ে আসে।

ফাতেমী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকেই উবায়দুল্লাহ মাহদী এবং আবু আব্দুল্লাহর মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হতে লাগলো।

এই বিরোধ ছিল অর্থ-সম্পদকে কেন্দ্র করে।

আবু আব্দুল্লাহ র সাথে বিরোধ

যেহেতু ফাতেমী সাম্রাজ্যের অনেক বড় অংশ আগে আবু আব্দুল্লাহর হাতে ছিল তাই সে নিজেকে সেসব এলাকার সম্পদের হকদার মনে করতো।

পাশাপাশি উবায়দুল্লাহ মাহদী অন্যায়ভাবে অনেক সম্পদ আত্মসাৎ করতো।

ফলে আবু আব্দুল্লাহর মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।

কারণ আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী বিশ্বাস করতো, উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো, প্রতিক্ষিত মাহদী।

যখন আবু আব্দুল্লাহর মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, উবায়দুল্লাহ প্রতিক্ষিত মাহদী নয় তখন থেকে তার সাথে উবায়দুল্লাহর বিরোধ শুরু হয়।

এই কল্পিত ফাতেমী সাম্রাজ্য তাদের নসব বা বংশ প্রমাণের জন্য যারাই উঠেপড়ে লেগেছে, তাদেরকেই তারা হত্যা ও গুম করেছে।

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রাহ. বর্ণনা করেন, ফাতেমী সাম্রাজ্যের সম্রাটটা নিজেদের ফাতেমা রা. এর বংশের সাথে নিসবত করলেও তারা প্রকৃতপক্ষে শামের সালমিয়া এলাকার ইহুদী বংশোদ্ভূত।

কাদ্দাহ ছিল তাদের পূর্বপুরুষের উপাধী। সে ছিল পেশায় চোখের ডাক্তার।

বিখ্যাত “ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস” গ্রন্থের লেখক ড. আলী মুহাম্মাদ সাল্লাবী বলেন,

আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ীর কাছে যখন এই কথা স্পষ্ট হয়ে যায় যে,

উবায়দুল্লাহ মাহদী একজন ক্ষমতালোভী এবং স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি তখন থেকেই আবু আবদুল্লাহ তার কাছ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার চেষ্টা করে।

তখন সে তার অনুসারীদের বুঝাতে থাকে, এ প্রকৃত মাহদী নয়।

আবু আব্দুল্লাহ কে হত্যা

কিন্তু উবায়দুল্লাহ ছিল আরো বেশি ধুরন্ধর এবং কুটনৈতিকবিদ। তাই সে ই আবু আব্দুল্লাহকে সম্ভবত হত্যা করে তার থেকে নিষ্কৃতি লাভ করে।

উবায়দুল্লাহ মাহদী তার শাসন ক্ষমতায় ধারাবাহিকভাবে বহাল থাকার পর ৩২২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করে। সে ২৫ বছর কয়েক মাস ক্ষমতার মসনদে থাকে।

উবায়দুল্লাহ মাহদী তার ভ্রান্ত দাবীর উপর নির্ভর করে নিজের মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে।

এমনকি আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ী তার ব্যাপারে আস্তে আস্তে নির্ভরতা কমাতে লাগলো।

শেষ পর্যন্ত আবু আব্দুল্লাহ হয়তো বিদ্রোহ করতে গিয়েও করতে পারে নি। তিনি একটা ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে জীবেন কিছুই অর্জন করতে পারলেন না।

তার থেকে তিনি যদি তার দখলকৃত এলাকাসহ আব্বাসী খেলাফতের সাথে যুক্ত হতেন আর ভালো আকীদা লালন করতেন তাহলে তিনি আজকে ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকতেন।

আর চির অমর হয়ে থাকতেন। কারন আবু আব্দুল্লাহ মানুষকে আকর্ষণ করতে পারতেন এবং ভালো শিক্ষক ছিলেন।

এই হলো সংক্ষিপ্ত আকারে শিয়াদের প্রথম খলিফা, ফাতেমী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বা রাফেযী খলিফা উবায়দুল্লাহ মাহদীর সংক্ষিপ্ত জীবনী।

পাশাপাশি ফাতেমী সাম্রাজ্যের অন্যতম সহায়ক আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ীর শেষ জীবনে অনুশোচনা এবং জীবনের পরিসমাপ্তি।

আমার আবু আব্দুল্লাহর মৃত্যু তারিখ জানা নেই। তাই এখানে উল্লেখ করতে পারছি না।

বিদ্রোহ

শিয়া সাম্রাজ্য পৃথিবীতে ২৯৮ হিজরীতে প্রতিষ্ঠা হয়। এর প্রতিষ্ঠাতার নাম, উবায়দুল্লাহ মাহদী। আর তাদের সাম্রাজ্যের নাম ছিল, ফাতেমী সাম্রাজ্য। তবে ইতিহাসবিদেরা এটাকে উবায়দিয়া সাম্রাজ্য নামে অবহিত করেছেন।

উবায়দুল্লাহ মাহদী ক্ষমতায় বসার পর থেকেই আশেপাশের আরো বহু এলাকা ও সাম্রাজ্য নিজের এলাকার সাথে যুক্ত করার প্রয়াস করছিল।

উবায়দুল্লাহ সেকালের ইসলামী খেলাফত আব্বাসীদেরকে দুচোখে দেখতে পারতো না।

সর্বদা চাইতো তাদের টুটি চেপে ধরতে। কিন্তু কখনো পারে নি। উবায়দুল্লাহ মাহদীর বিরুদ্ধে বড় বড় বিদ্রোহগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো,

তারাবলুসে বিদ্রোহ ও বারাকাবাসীর বিদ্রোহ।

এখানে আমরা এই তিনটা নিয়েই আলোকপাত করছি।

তারাবলুস বিদ্রোহ:

তারাবলুসকে ইংরেজিতে ত্রিপলি বলা হয়। এটি বর্তমান লেবাননের বৃহত্তম দ্বিতীয় শহর। এই শহর লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে ৮৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত।

উবায়দুল্লাহ মাহদী যুদ্ধের মাধ্যমে তারাবলুস (ত্রিপলি) দখল করে নেয়।

সেখানে সে মাকনূন কাত্তামীকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করে। কিন্তু উক্ত অঞ্চলের হাওয়ারা গোত্রের অধিবাসীরা মাকনূনকে পছন্দ করতো না।

তাই তারা নতুন গভর্নরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসে। আর এই বিদ্রোহে হাওয়ারা গোত্র একাই ছিল না।

তাদের সাথে যানাতা, লিমায়া ও বারাবারিয়ান গোত্রগুলোও যোগ দেয়। এতে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্রোহীদের সংখ্যা বেশি হয়ে যায়।

এই বিদ্রোহের নেতৃত্বে ছিল আবু হারুন হাওয়ারী। বিদ্রোহীরা একত্র হয়ে মাকনূনের বাসভবন অবরোধ করে। মাকনূন কোনক্রমে আত্মরক্ষা করে বেঁচে ফিরে।

উবায়দুল্লাহ মাহদী এই বিদ্রোহের খবর জেনে মাকনূনের ভাই তাম্মাম এর নেতৃত্বে একটা সেনাদল পাঠায়। এদিকে আবার উবায়দুল্লাহ মাহদী মাকনূনকে ইঙ্গিতে বলে দেয়, বিদ্রোহ দমন করার পর যেন তাম্মামকে হত্যা করা হয়।

কারণ, দুই ভাই একত্রে থাকলে ক্ষমতা নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

২৯৮ হিজরীতে মাকনূন তার ভাইয়ের সাহায্যে বিদ্রোহ দমন করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনে। এরপর সে তার ভাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে উবায়দুল্লাহ মাহদীর নির্দেশে তাম্মামকে হত্যা করে।

হত্যার পর তার নিজের গোত্র অর্থাৎ কাত্তামী গোত্র যেন প্রশ্ন না তুলে তাই তাদেরকে শহরে অবাধে লুটপাট করার অনুমতি দেয়। এর ফলে ৩০০ হিজরীতে তারাবলুসের (ত্রিপলী) গোত্রগুলো একত্র হয়ে দ্বিতীয়বার বিদ্রোহ করে।

এবার আর বিদ্রোহকারীরা মাকনূনকে ছাড়ে নি। তাকে শহর থেকে বের করে দেয়। এমনকি মাকনূনের সাথে সাথে তার সহযোগী ও তার নিজের গোত্র কাত্তামী গোত্রকেও বের করে দেয়া হয়।

মাকনূনের পরাজয়

মাকনূন পালিয়ে গিয়ে উবায়দুল্লাহ মাহদীর আশ্রয় নেয়। উবায়দুল্লাহ মাহদী বুঝতে পারে, এবার শহরটি উদ্ধার করা অনেক কঠিন হবে। তাই সে নৌপথে আক্রমন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

যখন ‍উবায়দুল্লাহর নৌবাহিনী তারাবলুসের নিকট চলে আসে তখন তারাবলুসের নৌবাহিনী শত্রুপক্ষকে জ্বালিয়ে দেয়। তারাবলুসের অধিবাসীরা জানতো, এই শহর আবার দখল করতে হলে নৌপথেই আক্রমনটা হবে।

তাই তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তারাবলুসের নৌবাহিনীর আক্রমণে উবায়দুল্লাহ মাহদী র অনেক সৈন্য মারা যায়।

উবায়দুল্লাহ তখন তার পুত্র আবুল কাসিমের নেতৃত্বে স্থলপথে আরেকটা বাহিনী প্রেরণ করে। এই বাহিনী শহরের বাহিরে হাওয়ারা গোত্রের সাথে লড়াই করে।

কিন্তু হাওয়ারা গোত্র আবুল কাসিমের বাহিনীর সামনে টিকে থাকতে পারে নি। তারা পরাজয়বরণ করে। এরপর তারা শহরের দিকে অভিমুখি হয়।

শহরবাসীরা যখন দেখলো বিপদ আসন্ন তখন তারা শহরের ফটক বন্ধ করে দিল। আবুল কাসিমও শহরের বাহিরে অবরোধ করে রাখলো। এর ফলে শহরের ভেতরে খাদ্যের সংকট দেখা দিতে লাগলো।

লোকজন তখন বাধ্য হয়ে মরা প্রাণীর গোশত খেত। এরমধ্যে শহরের কিছু ব্যক্তিরা আবুল কাসিমের নিকট এসে শান্তিচুক্তির আবেদন করলো। কিন্তু সে বললো, শহরের তিনজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।

যারা বিদ্রোহীদের উষ্কানী দিয়েছিল।

শহরবাসী বাধ্য হয়ে তিনজনকে হস্তান্তর করে। আবুল কাসিম তাদেরকে হত্যা করে শহরে প্রবেশ করে। সে জনসাধারণের উপর তিন লক্ষ দিনার জরিমানা ধার্য করে।

তারাবলুসের (ত্রিপলির) পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর আবুল কাসিম রাকাদা ফিরে যায়।

এই বিদ্রোহে একটা জিনিষ স্পষ্ট যে, তারাবলুসের অধিবাসীরা উবায়দিয়াদের বিন্দুমাত্র পছন্দ করতো না।

বারাকা বিদ্রোহ:

তারবলুসের পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর উবায়দুল্লাহ মাহদী বারাকা অভিমুখে সৈন্য প্রেরণ করে। (বারাকা বর্তমানে কোথায় অবস্থিত, আমার জানা নেই। তবে ত্রিপলির আশেপাশে হতে পারে।

কেউ জেনে থাকলে আমাকে জানালে উপকৃত হবো) এখানে এসেই উবায়দুল্লাহর সৈন্যরা হত্যা, লুটপাট ও ধ্বংসাত্মক কাজ করতে থাকে। এর ফলে ৩০২ হিজরীতে বারাকাবাসী বিদ্রোহ করে।

তারা উবায়দিয়দের ও কাত্তামা গোত্রের পুরুষদের হত্যা করে।

ফলে উবায়দুল্লাহ মাহদীরেগে গিয়ে ৩০৩ হিজরীতে সৈন্যদল পাঠায়। তারা ১৮ মাস বারাকা অঞ্চল অবরোধ করে রাখে। এরপর ৩০৫ হিজরীতে উবায়দুল্লাহর সৈন্যরা শহরে প্রবেশ করে। এভাবেই এই শহরটিও উবায়দুল্লাহ দখল করে নেয়।

এর মাধ্যমে এখানে শেষ করছি ফাতেমী সাম্রাজ্যের সূচনালগ্নে শহর দখল ও বিদ্রোহ নিয়ে আলোকপাত।

উবায়দুল্লাহ মাহদী এর মৃত্যু

উবায়দুল্লাহ মাহদী কিভাবে মৃত্যুবরণ করে সেটা সম্পর্কে কোনো তথ্য আমি পাই নি। তবে এটা জানি, সে ৩২২ হিজরী পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় থাকে। সে ক্ষমতায় এসেছিল ২৯৮ হিজরীতে।

মৃত্যুবরণ করে ৩২২ হিজরীতে। অর্থাৎ প্রায় ৩৪ বছর সে শাসন ক্ষমতায় অতিষ্ঠিত থাকে। তার পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসে তার ছেলে আবুল কাসেম।

তথ্যসুত্র: 

১. ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস। ড. আলী মুহাম্মাদ আস সাল্লাবী। মাকতাবাতুন নূর। পৃষ্ঠা ৬৮

২. ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস। পৃষ্ঠা ৬৯

ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস বইয়ের রেফারেন্স অনুযায়ী, তারীখুল ফাতহীল আরাবি ফি লিবিয়া। পৃষ্ঠা ২৪৩

৩. ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস। পৃষ্ঠা ৬৪-৬৫

৪. ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস। পৃষ্ঠা ৬৭

৫. ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস। পৃষ্ঠা ৭০

ফাতেমী সাম্রাজ্যের ইতিহাস বইয়ের রেফারেন্স অনুযায়ী, সিয়ারু আলামিন নুবালা

আরো পড়ুন>>

শিক্ষক হত্যা আমাদের কি বার্তা দেয়?

আবু বকর রা. ও তার খেলাফত লাভ

নামাজের মধ্যে পড়া সূরাগুলোর অর্থ কি?

FAQ

উবায়দুল্লাহ মাহদী কে ছিল?

উবায়দুল্লাহ মাহদী হলো শিয়া ফাতেমী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা

কার মাধ্যমে উবায়দুল্লাহ ক্ষমতা লাভ করে?

আবু আব্দুল্লাহ শিয়ায়ীর মাধ্যমে

উবায়দুল্লাহ মাহদী কত বছর ক্ষমতায় থাকে?

প্রায় ৩৪ বছর

আমি একজন ইসলামিক আলোচক, লেখক। ছোটবেলায় পড়ালেখা করেছি কওমী মাদ্রাসায়। পরবর্তীতে সাইন্স বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করি। বর্তমানে আমি ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ অধ্যায়নরত। অবসরে আমি বই পড়তে পছন্দ করি। নতুন কিছু শিখতে, নতুন কিছু জানতে ভালোবাসি। আমার ইচ্ছা, ভালো মানুষ হয়ে সমাজকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে বিরত রাখার চেষ্টা করা।

https://www.arhasan.com