১১ বছরের পুরোনো সেই কণ্ঠস্বর শায়েখ রহমানীর

১১ বছরের পুরোনো সেই কণ্ঠস্বর – আমার ভাইয়েরা…… বলে বক্তব্য শুরু করতেন শায়েখ রহমানী। ২০১৩ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় উনাকে গ্রেপ্তার করে হাসিনা সরকার।

ব্যক্তিজীবনে শায়েখ রহমানী কখনোই কাউকে পরোয়া করতেন না। এক আল্লাহ ব্যতিত সকল কিছুই তার নিকট তুচ্ছ।

মুজাহিদ, জিহাদ নিয়ে কথা বলতেন। গণতন্ত্রের কুফরী সিস্টেমের অসাড়তা তুলে ধরতেন। তিনি খেলাফতের সহিত রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিচালিত হোক, এমনটা চাইতেন।

২০২৪ সালের জানুয়ারীতে শায়েখ হারুন ইজহার হাফিঃ এর প্রচেষ্টায় একবার তার জামিন করা হয়।

কিন্তু হাইকোর্ট পরবর্তীতে তা খারিজ করে আবার জেলে নিয়ে যায়।

১৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে তার বড় বোন ইন্তিকাল করেন। এই উপলক্ষ্যে শায়েখকে প্যারোলে মুক্তি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

তিনি তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ায় যান এবং সেখানে তার বড় বোনের জানাযার নামাজ পড়ান।

নামাজ পড়ানোর পূর্বে প্রায় আধ ঘন্টা মানুষকে নসীহাহমূলক কথা বলেন।

তার কণ্ঠস্বরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল সেই পুরোনো সূর। সেই পুরোনো বজ্রধ্বনি। শায়েখের পুরোনো হুংকার। উক্ত ভাষণে তিনি অনেকগুলো বিষয় তুলে ধরেছেন।

প্রথমত তাকে আনসারুল্লাহ নামক জঙ্গী সংগঠনের প্রধান হিসেবে আসামী করে হাসিনা সরকার। কিন্তু এটি যে বানোয়াট, তা তিনি উল্লেখ করেন।

শায়েখ রহমানী হাফিঃ এই বিষয়ে বলেন, আনসারুল্লাহ জঙ্গী সংগঠন হাসিনার নিজের তৈরি করা। তারা বিভিন্ন আলেম ও হুজুরদের ধরে এনে জঙ্গী মামলায় ফাঁসিয়ে আনসারুল্লাহর লোক বলে চালিয়ে দিত। এই আনসারুল্লাহর সকল কিছু হাসিনার লোকেরা পরিচালনা করতো।

এরপর শায়েখ রহমানী বর্তমান সময়ে সকলের সাথে একত্রে মিলেমিশে থাকার কথা বললেন। হিন্দুদের সাথে ভালো ব্যবহারের কথা বললেন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বললেন।

আমরা চাই, অচিরেই এই মহান শায়েখ আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। তার মুক্তি হোক।

শায়েখ জসিমউদ্দিন রহমানী হাফিঃ এর মুক্তি হবে আমাদের জন্য খুশীর দিন। আমাদের জন্য আনন্দের দিন।

আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় আছি। একদিন তিনি ফিরে আসবেন।

আবার মিম্বর থেকে গর্জে উঠবে শায়েখের কণ্ঠস্বর। বাতিলপন্থীরা পলায়ন করবে হকের সামনে।

সত্য যখন আসে, বাতিল তখন পলায়ন করে। কেননা বাতিল হলো ধূলোবালি মাত্র। তার কোনো মূল্য নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top