বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা

বাংলাদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদের থাবা – গত বৃহষ্পতিবারে একটি ঘটনা হঠাৎ নজরে আসে। জনৈক নওমুসলিম ভাই অন্য একজন নওমুসলিম বোনকে বিয়ে করে। উভয়েই নওমুসলিম।

কিন্তু মেয়েটির পরিবার হলো কট্টর হিন্দু। তারা আদালতে মামলা দায়ের করে এই বিষয়ে। চট্টগ্রাম আদালতে এই বিষয়ে মামলা মোকাদ্দামা হয়।

কিন্তু বৃহষ্পতিবারে পুরো কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় রবিবার পর্যন্ত আদালত স্থগিত করা হয়। যথারীতি রবিবারে আদালত বসে।

এদিকে পূর্বেই চট্টগ্রাম আদালতে উগ্র হিন্দুদের আগমণের খবর পেয়ে অনেক দ্বীনদার মুসলমানরাও জীবন বাজি রেখে সেখানে উপস্থিত হয়।

উক্ত আদালতে নওমুসলিম মেয়েটি নিজেই বলেছে, সে স্বেচ্ছায় মুসলিম হয়েছে। কেউ জোর করে নি।

কিন্তু এটি টাকা খাওয়া আদালত মানতে নারাজ।

আদালত এবার বললো, বয়স পরীক্ষা করে দেখতে। আশ্চর্যজনক!

তবে এটি মূল ঘটনা নয়। মূল ঘটনা হলো আরেকটি। রবিবারে (১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪) চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে অনেক উগ্র হিন্দুরা আগমণ করে।

তারা ছিল সংঘবদ্ধ। মারমুখী আচরণ করে মুসলমানদের উপর তেড়ে আসে। শোনা যায়, কয়েকজন তো দেশীয় অস্ত্রও সাথে করে নিয়ে এসেছিল।

তারা আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দিতে থাকে, “একটা একটা মুসলিম ধর। ধরে ধরে জবাই কর”।

এছাড়াও তারা “জয় বাংলা, জয় শ্রীরাম” বলে স্লোগান দিতে থাকে।

এই মুসলিম দেশে নারায়ে তাকবির বলে স্লোগান দিলে তাকে জঙ্গী বলা হয়। অথচ জয় শ্রীরাম বললে তাকে সন্ত্রাসী বলা হয় না।

এছাড়াও জয় বাংলা স্লোগানের সাথে জয় শ্রীরাম মিশ্রিত করে তারা কি বুঝাতে চাচ্ছে? উভয়দলের লক্ষ ও উদ্দেশ্য একই?

দেশে আজ যদি কোনো মুসলমান হিন্দুদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে জবাই করার আহবান করতো তাহলে এতক্ষণে দেশে হট্টগোল লেগে যেত।

অথচ এত বড় একটি ঘটনা গতকাল ঘটেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মিডিয়া নিরব।

কোনো পত্রিকার সামান্য একটি কলামেও গতকালের এই উগ্রতার স্থান হয় নি।

দেশে খুবই সুকৌশলে দাঙ্গা লাগানোর সুযোগে আছে একটি শ্রেণী। তারা সংঘবদ্ধ।

তারা চায়, এই দেশ মূর্তিপূজার দেশ হোক। এই দেশ শয়তানদের দেশ হোক।

তাহলে কি এত এত তাওহীদি জনতা, জন্মগত মুসলমানরা চুপ করে বসে হাতের আঙ্গুল চুষবে?

ভিডিও ফুটেজ

চট্টগ্রাম কোর্টের সামনে মুসলমানদের ধরে ধরে যবেহ করার স্লোগান ভিডিও

জয় বাংলা স্লোগানের সাথে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া জঙ্গীরা, ভিডিও

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top