কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত

কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত – ভাগওয়া লাভ ট্রাপ। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান একটি সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।

কট্টর হিন্দুত্ববাদ কর্তৃক মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম রমণীদের ধর্ষণসহ ইজ্জত লুট করা হয়।

বাংলাদেশ একটি সেক্যুলার রাষ্ট্র হওয়ায় প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজে ফ্রি মিক্সিং চলমান।

এছাড়াও মুসলিম ছেলে-মেয়েদের অপরিপক্ক ধর্মীয় জ্ঞান ও বয়সের স্বল্পতার কারণে সহজেই তারা সকল ধর্মকে সমান ভাবে।

তাছাড়া বাংলাদেশে বহু আগ থেকে “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার” হিন্দুত্ববাদী স্লোগানের নামে মুসলিম তরুণীদেরকে মন্দিরে নিয়ে নাচানাচি করানো হয়।

মুসলিম এসব মেয়েরা নুন্যতম ধর্মীয় জ্ঞান না থাকার কারণে সহজেই হিন্দুদের সাথে মিশে এবং তাদের আকিদা-বিশ্বাস, উৎসবে অংশগ্রহণ করে।

কোনো কোনো নারী স্রেফ জাতে উঠার জন্য হিন্দু পরিচয় নিয়ে বড় হয়। নিজের নাম পরিবর্তন করে হিন্দুদের নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখে।

বাংলাদেশের তিনপাশে ভারত বেষ্টিত হওয়ায় হিন্দুদের টোপে পড়া এদেশের লোকদের জন্য আরো সহজ হয়। তারা খুব সহজেই হিন্দুদের পাঁতা ফাঁদে পা ‍দেয়।

বর্তমানে ফ্রি মিক্সিং এর কারণে মুসলিম মেয়ে হিন্দু বয়ফ্রেন্ড বা জাস্টফ্রেন্ড বানিয়ে ঘুরাঘুরি করে। হোটেলে যায়। ট্যুরে যায়। ফ্লাটে যায়।

এখন পর্যন্ত অনেকবারই এমন বহু কেস সামনে এসেছে, যেখানে মুসলিম নারী ভাগোয়া লাভ ট্রাপের ফাঁদে পড়ে নিজের ইজ্জত বিধর্মী হিন্দুদের নিকট বিলিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশে কট্টর হিন্দুদের অনেকগুলো দল আছে। যাদের টার্গেট হলো মুসলিম মেয়েরা।

তারা চায়, তাদের নাপাক বীর্য মুসলিম নারীর পেটে প্রবেশ করাতে।

এতে এই জারজদের দিয়ে তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবে।

এই ভাগওয়া লাভ ট্রাপ বা ফাঁদ কি, তা এক কথায় বলতে গেলে হিন্দু পুরুষদের মুসলিম নারীদের হিন্দুতে ধর্মান্তরিত করার অভিপ্রায়ে মুসলিম মহিলাদের সম্পর্কের জন্য প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করার কথিত ঘটনাকে নির্দেশ করে।

বাংলাদেশে এমন বহু নারী এই ফাঁদে পড়েছে এবং এখনো এই ফাঁদে আছে। বেশ কিছু গ্রুপ ও কমিউনিটিতে যুক্ত থাকার সুবাদে এমন বহু কেস দেখেছি,

যেখানে নিজের ইজ্জত হারিয়ে তখন সাহায্য চায়। আর ওদিকে তার হিন্দু বয়ফ্রেন্ড তাদের যৌনতার ভিডিও করে ব্লাকমেইল করে।

টেলিগ্রাম, টেরাবক্সসহ আরো বিভিন্ন সাইটে তারা এই মুসলিমদের ধর্ষণ করা ভিডিও সগর্বে প্রকাশ করে। অথচ সরকার ও মুসলিম দলগুলো নিশ্চুপ।

কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত

সাধারণত বাংলাদেশের অধিকাংশ ইসলামী দলগুলো মাদ্রাসাকেন্দ্রিক হওয়ায় তারা বাহিরের ফিতনা সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা রাখেন না।

ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু কিংবা সমকামিতা ইস্যু এই সবখানেই দেখা গেছে, ইসলামিক দলগুলো সরব হয় অনেক পরে। কোনো কোনো দল তো আওয়াজ তুলতেও ভয় পায়।

আপনি আজ বিয়ের বাজারে গেলে আপনার প্রথমেই নির্ণয় করতে হবে, কেমন মেয়ে আপনার বিয়ে করা উচিৎ অথবা আপনি কেমন মেয়ে চান?

এটি শুধুমাত্র একটি প্রশ্ন। আপনাকে আরো একটি প্রশ্ন করতে চাই, হিন্দুত্ববাদী টার্গেট থেকে আপনি কি নিজের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের বাঁচাতে পারছেন?

আপনি কি এই ভাগওয়া লাভ ট্রাপ সহ বিধর্মীদের অন্যান্য ধোঁকা থেকে তাদেরকে সতর্ক করছেন? আজকাল অনেক মুসলিম নারী হিজাব পরিধান করে দুর্গাপূজায় যায়।

কেউ বা হিন্দুদের রঙ খেলায় মেতে উঠে।

কোনো কোনো নারী হিজাব পরিধান করে মূর্তির সামনে প্রণামও করে। তাদের অবস্থা হলো মুসা আ. এর সেই জাতির মতো।

যারা বলেছিল, হে মুসা! আমাদেরকে একটি মূর্তি বানিয়ে দাও যাতে আমরা খোদার উপাসনা করতে পারি।

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মুসলিম তরুণ-তরুণী কিংবা মুসলিম নারী-পুরুষ ইসলামী ইতিহাস জানে না। মুসলমানদের অতীত জানে না।

দু একটা সূরা মুখস্ত করাটাই সফলতা নয়। আল্লাহর প্রতি শুধুমাত্র বিশ্বাস রাখাকেই ইসলাম বলে না।

ইসলাম আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। ইসলাম একটি ধর্ম। এই ইসলাম একটি সংবিধান। ইসলাম একটি জীবন ব্যবস্থা।  এই ইসলাম একটি সমাজ ব্যবস্থা।

ভাগওয়া লাভ

3

ভাগওয়া লাভ ট্রাপ থেকে নিজে বাঁচুন। নিজের পরিবারকে বাঁচান। যাকে বিয়ে করছেন, তাকে বাঁচান।

বিয়ে করার আগে খোঁজ নিন, আপনার হবু স্ত্রীর কোনো বিধর্মী ফ্রেন্ড আছে কিনা!

বিয়ের জন্য যেমন দ্বীনদার আবশ্যক, তেমনি আবশ্যক সমসাময়িক ফিতনা সম্পর্কে ধারণা থাকা নারী। এটি বর্তমানে প্রয়োজন।

বর্তমানে ফ্রি মিক্সিংয়ের এই সময়ে সতী নারী খুঁজে পাওয়া অনেক কঠিন। যেমন কঠিন সাগর থেকে ডায়মন্ড খুঁজে বের করা।

তারপরও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখা ‍উচিৎ। শুধুমাত্র বোরকা পরিধান কিংবা নামাজ রোজা দেখেই দ্বীনদার ভাবা বর্তমানে বড় একটি ভুল।

সমসাময়িক ফিতনাগুলো অনেক ভয়ংকর। কেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিত এটি নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তর পাবেন। আল্লাহ বুঝার তাওফিক দান করুন। আমীন।

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top