উসমান রা. যেভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন

উসমান রা. যেভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন – জাহেলি যুগেও হযরত উসমান রা. বংশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হতেন। তিনি ছিরেন সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী।

গোত্রের লোকেরা তাকে ভালোবাসতো, সম্মান করতো, পছন্দ করতো। উসমান রা. ছিলেন খুবই লাজুক স্বভাবের। কিন্তু সত্যকে চিনতে পারতেন।

জাহেলি যুগে উসমান

হযরত উসমান রা. জাহেলি যুগেও কখনো মূর্তিপূজা করেন নি। সামাজিক কোনো বন্ধ কাজেও জড়ান নি। তিনি মদপানও করেন নি কখনো।

উসমান রা. বলতেন, মানুষের সবচেয়ে বড় নিয়ামত হচ্ছে তার জ্ঞানবুদ্ধি। আর এই জ্ঞানকে নিভিয়ে দেয় মদ বা অ্যালকোহল।

জ্ঞানীদের একজন উসমান

জাহেলি যুগে তিনি আরবদের জ্ঞানশাস্ত্র সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন। আরবি সাহিত্য, বংশতালিকা এবং ইতিহাস সম্পর্কে তার অগাধ জ্ঞান ছিল।

তিনি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতেন। তাই তার অভিজ্ঞতার ভান্ডারও ছিল অনেক। ইথিওপিয়া ও শামে তিনি প্রায় সময়েই যাতায়াত করতেন।

উত্তরাধিকারসুত্রে পাওয়া সম্পদ তিনি ব্যবসার মাধ্যমে উত্তমভাবে ব্যয় করেন। আল্লাহ তার ব্যবসায় বরকত দিয়েছিলেন।

অমুসলিমদের দেশে বসবাস করার দ্বারা কি কি সমস্যা রয়েছে? পড়ুন

তিনি বনু উমাইয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ীদের একজন ছিলেন। সেকালে তিনি এতটাই সম্মানের পাত্র ছিলেন যে, আরবীয় নারীরা তাদের সন্তাদের ঘুম পাড়ানোর সময় বলতো,

أحبك والرحمن حب قريش لعثمان

রহমানের শপথ! আমি তোমাকে ঠিক সেভাবেই ভালোবাসি যেভাবে কুরাইশরা উসমানকে ভালোবাসে।

উসমান রা. যেভাবে ইসলাম

মুসলিম হিসেবে উসমান রা.

হযরত আবু বকর রা. যখন উসমানকে ইসলামের দাওয়াত দেন তখন কোনো দ্বিধা-সংশয় ছাড়াই তিনি সঙ্গে সঙ্গে দাওয়াতে সাড়া দেন।

উসমান রা. এর বয়স ছিল তখন ৩৪ বছর। তিনি ছিলেন প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম। উসমান রা. যেভাবে ইসলাম গ্রহন করেন, তা তিনি নবীজিকে এভাবে বলেন,

উসমান রা. এর স্ত্রী-সন্তানদের আলোচনা, পড়ুন

হে আল্লাহর রাসূল! আমি মাত্রই শাম থেকে ফিরে এসেছি। আমাদের কাফেলা যখন শাম থেকে ফিরছিল, তখন আমরা মাআন ও জারকার মধ্যখানে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম।

সে সময় আমার চোখে তন্দ্রার ভাব চলে আসে। তখন আমি এক আহবানকারীকে বলতে শুনি, হে ঘুমন্ত ব্যক্তিরা! উঠো। আহমাদ মক্কায় আবির্ভূত হয়েছেন।

এরপর আমরা মক্কায় পৌঁছে আপনার নবুয়ত সম্পর্কে জানতে পারি। নিঃসন্দেহে এটি ছিল এমন ঘটনা, যা মানুষের অন্তরে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না করে পারে না।

তথ্যসুত্র

উসমান ইবনে আফফান। পৃষ্ঠা ৩৭-৩৯

নাস্তিকদের প্রশ্ন: আল্লাহ কি কখনো মিথ্যা বলেন? উত্তর পড়ুন

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top