অ্যান্টি সেমিটিজম কী

অ্যান্টি সেমিটিজম কী বা এন্টি-সেমেটিক কি?- পৃথিবীর একটা মস্তবড় অপরাধ আছে। পৃথিবী কখনো কখনো মানুষের আসল রুপ প্রকাশ করে দেয়। তখন আঁতে-ঘাঁ লাগে অনেকেরই।

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, শাঁক দিয়ে মাছ ঢাকা। প্রবাদটির অর্থ হলো, নিন্দনীয় কাজ গোপনের ব্যর্থ চেষ্টা। একটা জিনিষ খেয়াল করবেন,

যখন আপনি কারো ভুল ধরে ফেলেন বা কাউকে এমন কিছু করতে দেখেন যা করা উচিৎ নয়, তখন সে পরিবেশটাকে ঘুরিয়ে ফেলবে।

কথার মাধ্যমে কিংবা কাজের মাধ্যমে সে এটা প্রমাণের চেষ্টা করবে যে, সে ই সঠিক পথে আছে। তার কাজটাই উচিৎ কর্ম।

এমনি যে চায় পৃথিবীর সব সম্পদ একাই ভোগ করবে, কিন্তু কেউ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে না পারে।

তার বিরুদ্ধে কেউ লিখতে না পারে।

তখন সে সবকিছু টাকা দিয়ে কিনে নেওয়া শুরু করে। ক্ষমতা থেকে শুরু করে এক কাপ চা, সব জায়গায় সে টাকা ঢেলে মুখে কুলুপ এঁটে দেয়।

এভাবেই তা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। তাদের ক্ষমতা একটা সময় এতটাই বেড়ে যায় যে,

প্রতিটি রাষ্ট্রপ্রধানকে অন্তত একবার হলেও ভাবতে হয় কোনো পদক্ষেপ নিতে গেলে।

অ্যান্টি-সেমিটিক বা অ্যান্টি সেমিটিজম কী?

ইহুদিদের আরেক নাম হলো সেমিটিক। আর ইহুদিদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের নেতিবাচক ধারণা পোষণ করাকে অ্যান্টি সেমিটিজম বা এন্টি-সেমেটিক বলা হয়।

আর যে ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে এই ধারণা পোষণ করে, তাকে বলা হয় অ্যান্টি সেমাইট।

উপরোক্ত দুইটা তো হলো শুধু সংজ্ঞা। এখন আপনি তাদের ‍বিরুদ্ধে সত্য বলুন কিংবা মিথ্যা বলুন।

সবগুলোকে তারা অ্যান্টি-সেমিটিজম বা এন্টি-সেমেটিক বলে মায়াকান্না করবে।

আমাদের এশিয়াতে বা সূদুর আফ্রিকাতে এটা এতটা প্রচলিত না হলেও ইউরোপ ও আমেরিকাতে এটা রীতিমতো হইচই এর ব্যাপার।

প্রশাসনিক দপ্তর থেকে নিম্নস্থরের ব্যক্তি পর্যন্ত এই সম্পর্কে অবগত। ইহুদীরা এমনভাবে একটা কমান্ড পরিচালনা করছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর।

যখন সেই ব্যক্তিই ক্ষমতায় আসুক আর যেই দল থেকেই আসুক, ইহুদিদের বিরুদ্ধে কেউই কোনো কথা বলবে না।

ইহুদিদের মূল লক্ষ্য হলো জেরুসালেম (অনেকে ভুলে জেরুজালেম লিখে)।

ইহুদিরা জানে, হাজার বছরের পুরোনো এই ভূমি ইসরাইল রাষ্ট্রের পূর্ণ ভিত্তি স্থাপন এত সহজ নয়।

আজ যদি কোনো দেশ ইহুদিদের বিরুদ্ধে আইন পাশ করে, ইহুদিদের বিরুদ্ধে একজোট হয়,

আগামীকাল থেকে দেখবেন, পত্রিকা, চ্যানেলে শুরু হবে ইহুদের মায়াকান্না।

কবে কোন হলোকাস্ট ঘটেছিল, কবে কোনো ইহুদি নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল,

কবে কোনো ইহুদি শিশু খাদ্যের অভাবে, বাসস্থানের অভাবে মারা গিয়েছিল, সব প্রচার হতে থাকবে।

মানুষ একটা সময় এটা বিশ্বাস করতে তখন বাধ্য হবে, নাহ্ বাস্তবেই ইহুদিদের একটা ভূমি দরকার।

তখন তার মনে একটাই প্রশ্ন খচখচ করবে,

হিন্দুদের বিশাল দেশ ভারত আছে। খৃস্টানদের ইউরোপ আমেরিকায় ও আফ্রিকায় কতশত দেশ আছে। মুসলিমদের এশিয়াতে ও আফ্রিকাতে কতগুলো দেশ আছে। তাহলে ইহুদিদের কোনো দেশ নেই কেন?

অ্যান্টি সেমিটিজম কী?

ইহুদিদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের নেতিবাচক ধারণা পোষণ করাকে অ্যান্টি সেমিটিজম বলা হয়

অ্যান্টি সেমাইট কী?

যে ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে এই ধারণা পোষণ করে, তাকে বলা হয় অ্যান্টি সেমাইট

গাজ্জার জন্য অনুদান

৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তুফানুল আকসা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জায় অসংখ্য মানুষ আহত ও শহীদ হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ী হারিয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে গাজ্জার ৯৮% মানুষ অনাহারে জীবন-যাপন করছে। গাজ্জার মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা যদি তাদের পাশে না দাঁড়াই তাহলে কে দাঁড়াবে?

আর-রিহলাহ ফাউন্ডেশন তুফানুল আকসা যুদ্ধের শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের গাজ্জার জন্য ডোনেশন সংগ্রহ করে আসছে। এই মহান কাজে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন।

অনুদান দিন

Scroll to Top